আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম চলতি বছরে ২১জন অজ্ঞাত লাশ দাফন

0
353

মাসুদ আলম॥

কুমিল্লা টমছম ব্রিজ এলাকায় অবস্থিত আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলামে ২০১৫ এর চলতি বছরে ২১টি অজ্ঞাত লাশ দাফন করা হয়েছে।

তার মধ্যে পুরুষ ১৭ জন, মহিলা ৪জন।

সরেজমিনে গিয়ে  অফিস সূত্রে জানা যায়, গত ১১ বছরে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৩’শ ৩৪ জনের অজ্ঞাত লাশ দাফন করা হয়েছে।

কুমিল্লা জেলার বিভিন্ন থানায় বেওয়ারিশ লাশ উদ্ধার হওয়ার পর সণাক্ত করতে না পারায় দাফনের জন্য আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

পরে আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম অজ্ঞাত লাশের মরদেহে কাফনের কাপড় পড়িয়ে, জানাযা দিয়ে অনুদানকৃত জায়গা কুমিল্লা মহনগরীর টিক্কারচর এলাকায় দাফন করেন।

অফিস সূত্রে আরো জানা যায়, ২০১৫ চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত আঞ্জুমানে মফিদুল ইসলাম বেওয়ারিশ মুসলিম লাশ দাফনের সংখ্যা ২১ জন। জানুয়ারিতে ৯জন পুরুষ:৭জন-মহিলা:২জন, ফেব্র“য়ারিতে ৩ জন। এর মধ্যে পুরুষ:৩জন, মার্চে ৭জন। এর মধ্যে পুরুষ: ৫জন-মহিলা:২জন, এপ্রিলে এ পর্যন্ত ২জন পুরষ: ২জন।

আর্তমানবতার সেবায় নিয়োজিত এই ইসলামী জনকল্যাণ মূলক সংস্থা আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম। আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম এই ধরনের মহতী ও সেবা মূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে সদস্যদের পকেটের চাঁদা নিয়ে। নির্দিষ্ট ফরমের মাধ্যমে এর সদস্যদের মাসিক চাঁদা ২০ টাকা ও আজীবন সদস্যদের এককালীন ৩ হাজার টাকা।

এই সাহায্যের টাকা দিয়েই পরিচালিত হয় সংস্থাটি। আঞ্জুমান সদস্যদের কাছ থেকে মাসিক চাঁদা আদায়ের জন্য মাওলানা হেলাল উদ্দিন ও আবদুল বারী নামে কর্মকর্তা নিয়োজিত আছেন। লাশ সাজানোর জন্য পুরুষদের জন্য পুরুষ লাশ ধোয়ার ব্যক্তি, মহিলা লাশ ধোয়ার জন্য জানু বেগম ও মাফিয়া বেগম কাজ করে যাচ্ছেন।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সভাপতি আলহাজ্ব খোরশেদ আলম জানান, কুমিল্লা জেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন ও আঞ্জুমান মফিদুল ইসলামের সদস্যদের নির্ধারীত সাহায্যে এ পর্যন্ত চলে আসছে। তবে আমার একটু অনুরোধ যে আঞ্জুমানের অজ্ঞাত লাশ গুলো যে জায়গায় দাফন করা হতো সেখানে আর লাশ দাফন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই সরকারের কাছে আমার আবেদন, যদি আঞ্জুমানের অজ্ঞাত লাশ গুলো দাফনের জন্য একটু খাস জায়গা দেওয়া হয় তাহলে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।