ইষ্টার সানডে’র সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

0
76

ধর্মীয় ডেস্ক।।

“পুনরুত্থান শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো- পুনরায় উত্থিত হওয়া, জেগে ওঠা, পূর্ণ জীবন লাভ করা, পুনরায় আরম্ভ করা, সতেজ হওয়া, সজাগ হওয়া, প্রত্যাশায় পথ চলা। আদি মণ্ডলীর উপাসনার প্রধান পর্ব ছিল পুনরুত্থান পর্ব। প্রতিটি রবিবারই ছোট বা ক্ষুদ্র পুনরুত্থান পর্ব হিসাবে তারা উদ্যাপন করতো
পুনরুত্থান উৎসব উদ্যাপন করে আদি মণ্ডলী যীশুর গৌরবময় জীবনের কথা স্মরু করতো”

আজ  আমরা আনন্দ চিত্তে পালন করছি প্রভু যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থান উৎসব বা ইষ্টার সানডে। তিনি মৃত্যুকে জয় করেছেন। পুনরুত্থান মানে পূর্বের অবস্থা থেকে নতুন অবস্থায় ফিরে যাওয়া। একস্থান থেকে অন্য স্থানে ফিরে আসা। আবার আমরা এই ভাবে বলতে পারি যে, পুনরুত্থান হলো নব জীবন লাভ করা। আর এই নব জীবন দান করার জন্য ঈশ্বর  আমাদের ভালবেসে তার একমাত্র পুত্রকে মানবজাতির কল্যাণের জন্য দান করেছেন। পুনরুত্থান হলো মানুষের বিভেদ বিচ্ছেদ দূর করে, সত্য ও ন্যায্যতা, ভালবাসা ও ক্ষমার মহিমা ভূষণ শিরে ধারু করে শক্তি পাওয়া। ইাতহাসের পাতায় যেসব মৃত্যুর ঘটনা লিখা আছে তার মধ্যে সবচেয়ে জঘন্যতম মৃত্যু ঘটেছে যীশু খ্রীষ্টের, যিনি ক্রুশের উপর নির্মমভাবে প্রাণত্যাগ করেছেন। এমন মৃত্যু জগতে আর কোনদিন ঘটেনি। কি মহান এই মৃত্যু? যা সকল মানুষকে দিল মুক্তি। কত দু:খ, কষ্ট ও যন্ত্রণার এই মৃত্যু আমাদের জীবনের জন্য কি এনে দিল? ক্রুশে যীশুর মৃত্যু মানুষের মাঝে এনে দিল ভালবাসা, শান্তি ও ক্ষমা। আজ আমরা সেই মৃত্যুঞ্জয়ী যীশুর পুনরুত্থান পর্ব উৎসব পালন করছি। দীর্ঘ চল্লিশ দিন ও রাত উপবাস, ত্যাগস্বীকার, ক্ষমা, ভালবাসা, প্রার্থনা করে আত্মিক তৃপ্তি নিয়ে যীশুর সাথে  কষ্টের যাত্রা করেছি। আমরা যদি সত্যিকার ভাবে আমাদের এই যাত্রায় বিশ্বস্তভাবে পালন করে থাকি তাহলে আজ আমাদের প্রত্যেকের হৃদয় আনন্দে পরিপূর্ণ থাকবে। আজকের এই দিনে এর চেয়ে বড় আনন্দ আর কিছুই হতে পারে না, কারু আমি আমার সমস্ত দুঃখ, কষ্ট, লোভ, কামনা-বাসনা, হিংসা, ঘৃণা, অহংকার সবই যীশুর ক্রুশের তলায় সমাধি দিয়ে প্রভু যীশুর সাথে নতুন জীবন লাভ করেছি, অর্থাৎ তার সাথে পুনরুত্থান করেছি। তাই তো আজ আমাদের হৃদয়ে এত আনন্দ! তবে আমরা কি কখনো একবার ভেবে দেখেছি যে, পুনরুত্থান মানে কি? নিম্নে এই বিষয়ে আলোচনা করা হলো।

আক্ষরিক অর্থে পুনরুত্থান কি? ঃ

যীশুর পুনরুত্থান খ্রীষ্টীয় বিশ্বাস ও জীবনের ভিত্তি ও উৎস। খ্রীষ্টীয় ভালবাসার অন্যতম উৎসব হলো পুনরুত্থান পর্ব। খ্রীষ্ট পুনরুত্থিত হবার মধ্য দিয়ে জগতে আনন্দ, শান্তি, ভালবাসা, নির্ভয়তা ও নব প্রত্যাশার বাণী নিয়ে এসেছেন। পুনরুত্থান শব্দের আক্ষরিক অর্থ হলো- পুনরায় উত্থিত হওয়া, জেগে ওঠা, পূর্ণ জীবন লাভ করা, পুনরায় আরম্ভ করা, সতেজ হওয়া, সজাগ হওয়া, প্রত্যাশায় পথ চলা। আদি মণ্ডলীর উপাসনার প্রধান পর্ব ছিল পুনরুত্থান পর্ব। প্রতিটি রবিবারই ছোট বা ক্ষুদ্র পুনরুত্থান পর্ব হিসাবে তারা উদ্যাপন করতো। পুনরুত্থান উৎসব উদ্যাপন করে আদি মণ্ডলী যীশুর গৌরবময় জীবনের কথা স্মরু করতো। পুনরুত্থান পর্বটি নতুন ধারুা নয় কিন্তু ইহুদী প্রথার পাস্কা পর্বের নতুন সংস্করু মাত্র। হিব্র“ শব্দ পেসাস্ এর অর্থ হলো অতিক্রম করা বা পার হওয়া। পেসাস্ পর্বের মাধ্যমে ইস্রায়েল জাতি  নিস্তার পর্বের স্মরু উৎসব উদ্যাপন করতো। পেসাস্ শব্দ থেকে গ্রীক শব্দ পেসাস্ শব্দটির উৎপত্তি যার আক্ষরিক অর্থ নিস্তার, রক্ষা, পার হওয়া, অতিক্রম করা।

সাধু এলরেড এর মতে পুনরুত্থান বা পাস্কা পর্বের প্রকৃত অর্থ ঃ

রিভোর মঠাধ্যক্ষ সাধু এলরেড তিনি বলেন “প্রথম পাস্কা হলো ইহুদীদের পাস্কা; দ্বিতীয় হলো খ্রীষ্টানদের পাস্কা, তৃতীয়টা হলো পুণ্যজনদের ও সিদ্ধপুরুষদের পাস্কা। ইহুদীদের পাস্কায় একটা মেষশাবক বলীকৃত, আমাদের পাস্কায় খ্রীষ্টবলিকৃত, পুণ্যজনদের ও সিদ্ধপুরুষদের পাস্কায় খ্রীষ্ট গৌরবান্বিত”। ইহুদীদের পাস্কায় একটা মেষশাবক বলীকৃত হয় বটে, কিন্তু তার দৃষ্টান্তস্বরূপে খ্রীষ্টের আত্মবলিদানের পূর্বাভাস উপস্থিত। অপরদিকে আমাদের পাস্কায় খ্রীষ্ট দৃষ্টান্তরূপে নয়, বাস্তবেই বলীকৃত হন। খ্রীষ্টই পাস্কার বলীকৃত মেষ এবং তিনিই মৃত্যুকে বিনাশ করে পুনরুত্থিত হন। সাধু এলরেড এই বিষয়ে আরো বলেন, “আর একটা পাস্কা তখনই উদ্যাপিত হলো যখন ইহুদীরা শুধু নয়, বরং সমগ্র মানব জাতিই মৃত্যু থেকে জীবনের দিকে, শয়তানের জোয়াল খ্রীষ্টের জোয়ালের দিকে, অন্ধকারের দাসত্ব থেকে ঈশ্বর সন্তানদের গৌরবময় স্বাধীনতার দিকে, রিপুর অশুচি খাদ্য থেকে প্রকৃত রুটির দিকে, এমনকি স্বর্গদূতদেরই রুটির দিকে পার হলো, যে রুটি নিজের বিষয়ে বলেন, আমি সেই প্রকৃত রুটি, যে রুটি স্বর্গ থেকে নেমে এসেছে।” তাই আমাদের জীবনে পাস্কা হলো পুনরুত্থিত খ্রীষ্টের সাথে পথ চলা, মানুষকে জয় ও পরিহার করা, সত্যের সপক্ষে সাক্ষ্য দেওয়া, যীশুতে আত্ম-নিবেদন করে পথ চলা। মন্দতা তমসার বাঁধন ছিড়ে পুনরুত্থানের জয়ধক্ষনি বেজে উঠুক সমগ্র ভূ-মন্ডলে। এটাই হলো পাস্কা পর্বের প্রকৃত অর্থ।

পুনরুত্থান বা ইষ্টার সানডের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস ঃ

ত্রাণদাতা যীশু খ্রীষ্টের পুনরুত্থান, পাপ-মৃত্যু বিজয়ের মহা আনন্দোৎসব। মন্ডলী উদ্যাপন করে যীশু খ্রীষ্টে পাপ-বন্ধন মুক্তি। এটি খ্রীষ্টধর্মের সর্বশ্রেষ্ঠ পর্ব ও পূজন বর্ষের মধ্যমণি। মন্ডলী তপস্যাকালের শেষে প্রভু খ্রীষ্টের পুণ্যময় যাতনাভোগ ও পরিত্রাণ- কার্যের স্মারক এই মহাড়ম্বরপূর্ণ পর্বটি প্রতি বছর পুনরুত্থান রবিবারে পালন করে থাকে। কাথলিক মন্ডলীর ধর্মশিক্ষার ১১৬৯ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়, এটি হচ্ছে “পর্বের পর্ব” এবং “মহোৎসবের মহোৎসব”। সাধু আথানাসিউস পুনরুত্থান পর্বকে “মহারবিবার” বলে অভিহিত করেছেন। যীশুর পুনরুত্থান পর্ব হল সবচে পুরাতন খ্রীষ্টান পর্ব। মন্ডলী বর্ষের অনেক পর্ব পাস্কা উদ্যাপনের তারিখের উপর নির্ভর করে। পাস্কার দিন বছর বছর আলাদা হয়, উদ্যাপিত হয় বসন্তকালের সেদিনে যে সময়ে দিন ও রাত্রি সমান (২০ শে মার্চ) হয় তার পরের ১ম পূর্ণ চাঁদের পরের রবিবার। ৩২৫ খ্রীষ্টাব্দে নিসিয়া মহাসভা এই তারিখ ঠিক করে দেয়। কারু চাঁদের নিয়মের হিসাবে পাস্কার তারিখ ভিন্ন ভিন্ন হয়। পাস্কা সবচে’ আগে হলে ২২ শে মার্চ হবে এবং সবচেয়ে দেরীতে হলে ২৫ এপ্রিল হবে। আর সেভাবে পাস্কার তারিখ নির্ধারিত হয় বলেই ৪০ দিন আগে হিসাব করে যে ছাই বুধবারে তপস্যাকাল আরম্ভ করা হয় বছর বছর তা ভিন্ন হয়। নিস্তার পর্বটিই পাস্কা পর্ব নামে পরিচিতি লাভ করে। নিস্তার পর্বের মধ্য দিয়ে ইস্রায়েল জাতি দাসত্ব থেকে মুক্তির ঘটনা স্মরু করতো। দাসত্ব থেকে মুক্তির উৎসবই নিস্তার পর্ব। যাত্রা পুস্তক ১২ অধ্যায়ে নিস্তার পর্বের বিবরু পাওয়া যায়। খ্রীষ্টধর্মীয় শব্দার্থ বইয়ের নিস্তার পর্ব বা পাস্কা পর্বের বিষয়ে বলা হয়েছে, “ইহুদীদের একটি মহাপর্ব, প্রতি বছর ‘নিশান’ মাসের ১৫ তারিখে পর্বটি উদ্যাপিত হয় (নিশান হলো নির্বাসনোত্তর হিব্র“ ক্যালেন্ডারের প্রথম মাস অর্থাৎ আমাদের মার্চ ও এপ্রিল মাস)। এ পর্বের সময় মিশরীয় দাসত্ব থেকে ইস্রায়েলীদের উদ্ধারেরর ঘটনাকে স্মরু করা হয়। খ্রীষ্টীয় নিস্তার উৎসব হলো ঈশ্বরের মেষশাবক যীশু খ্রীষ্টের বলি উৎসর্গ যার দ্বারা মানবজাতি পাপের বন্ধন থেকে মুক্ত হয়ে ঈশ্বরের স্বাধীন পুত্র-কন্যা হিসাবে পরিগণিত হচ্ছে” (শব্দ টীকা-২৪৫)। দ্বিতীয় ভাটিকান মহাসভার দলিলসমূহের পুণ্য উপাসনা বিষয়ক সংবিধানে নিস্তার রহস্যের বিষয়ে বলা হয়েছে, “পুরাতন নিয়মের জনগণের মধ্যে ঈশ্বরের বিষ্ময়কর কাজগুলো মানুষের মুক্তি সাধনে ও ঈশ্বরকে পরিপূর্ণ প্রশংসা নিবেদনে প্রভু যীশু খ্রীষ্টের কার্যাবলীর ভূমিকা স্বরূপ ছিল। এই কার্য তিনি সাধন করেছেন প্রধানতঃ তাঁর যন্ত্রণাভোগ, পুনরুত্থান ও গৌরবময় স্বর্গারোহণের যে নিস্তার রহস্য তারই মধ্য দিয়ে, যার মাধ্যমে “তিনি মৃত্যুবরু করে আমাদের মৃত্যু নাশ করেছেন এবং পুনরুত্থিত হয়ে আমাদের জীবন ফিরিয়ে এনেছেন। কারু ক্রুশে প্রাণ দেওয়ার সাথে সাথে খ্রীষ্টের বক্ষ থেকেই নিঃসৃত হয়েছে ‘সমগ্র মন্ডলীর বিষ্ময়কর সংস্কারটি” (ধারা-৫)। পবিত্র নিয়মে খ্রীষ্টই হলো উৎসগীকৃত মেষ যিনি মৃত্যুবরু করে পুনরুত্থিত হয়েছেন, মৃত্যুকে জয় করে নব-জীবনের সন্ধান দিয়েছেন। পুনরুত্থান তাই খ্রীষ্ট বিশ্বাসীদের জীবনে নব আশা ও প্রত্যাশার বাণী নিয়ে আসে। অন্ধকার থেকে আলোর পথ দেখায় খ্রীষ্টের পুনরুত্থান।

পুনরুত্থান বা ইষ্টার সানডেতে আমাদের করুীয় ঃ

প্রভু যীশু তার মৃত্যু দ্বারা আমাদের মুক্ত করেছেন এবং তাঁর পুনরুত্থান দ্বারা তিনি আমাদের কাছে নবজীবনের পথ খুলে দিয়েছেন। ফলে আমরা ঈশ্বরের দয়া আশীর্বাদ পেয়ে তাঁর সন্তান স্বরূপ হয়েছি। পরস্পর ভাইবোনরূপে খ্রীষ্টের সঙ্গে আবদ্ধ হয়েছি। আমরা পুনরুত্থিত খ্রীষ্টের জীবনে জীবন যাপন করি এবং খ্রীষ্টেই একদিন জীবিত হব এই আশায় পথ চলি। এই রহস্য আমাদের সংস্কারের পথ খুলে দেয় এবং একে কেন্দ্র করেই প্রতিদিন খ্রীষ্টযজ্ঞ চলতে থাকে। পুনরুত্থান বা ইষ্টার সানডেতে আমাদের করুীয় হচ্ছে “ যীশু মৃতদের মধ্য থেকে তৃতীয় দিবসে পুনরুত্থান করলেন”। শ্রদ্ধামন্ত্র প্রার্থনায় আমরা এভাবেই যীশুর পুনরুত্থান ঘোষণা করি। খ্রীষ্টযাগে ‘প্রতিুষ্ঠা’ অংশটির পরপরই আমরা যীশুর মৃত্যু, পুনরুত্থান ও পুনরাগমন ঘোষণা করি। আর প্রতি বছর আমরা যীশুর পুনরুত্থান উৎসব (পাস্কা) উদ্যাপন করি। যীশুর গৌরবময় পুনরুত্থান আমাদের খ্রীষ্টীয় বিশ্বাসের ভিত্তি। তাই আমরা এ বিশ্বাস স্বীকার করি, ঘোষণা করি ও উদ্যাপন করি। এই উৎসবকে বলি পাস্কা পর্ব, কেননা খ্রীষ্টের মৃত্যু ও পুনরুত্থানেই মানবজাতি পাপের দাসত্ব থেকে পার হয়ে মুক্তির রাজ্যে প্রবেশ করার অধিকার লাভ করেছে।

পরিশেষে আমরা বলতে পারি যে, যীশুর পুনরুত্থানই খ্রীষ্টীয় বিশ্বাস ও জীবনের ভিক্তি ও উৎস। মানুষের জন্য ঈশ্বর প্রেম ও মুক্তির পরিকল্পনা পূর্ণভাবে প্রকাশিত হয় খ্রীষ্টের ক্রুশীয় মৃত্যুতে, তার আত্মদানে ও পুনরুত্থানে। ঈশ্বর যীশুকে তাঁর পুনরুত্থান দ্বারা পূর্ণ স্বীকৃতি দেন। সমস্ত যুগের মানুষের মুক্তিদাতা ও প্রভু বলে প্রতিষ্ঠিত করেন। তিনি তাকে চিরজীবিত করে তাঁর ঐশগৌরব ও মহিমার পূর্ণ অধিকারী করেন। তাই যীশুর পুনরুত্থান আমাদের খ্রীষ্টীয় জীবনের ভিক্তি ও উৎস। খ্রীষ্টবিশ্বাসীর কর্তব্য নির্ভয়ে পুনরুত্থিত খ্রীষ্টকে প্রচার করা। আমাদের প্রতিটি খ্রীষ্টানের এখন কর্তব্য হচ্ছে সেই শুভ পোশাক পরিহিত যুবকের বা বার্তাবাহকের মত নবজীবনের আলোতে সজ্জ্বিত হয়ে পুনরুত্থিত গৌরবময় প্রভু যীশুর মঙ্গলবাণী নির্ভয়ে ও আনন্দে সকলের কাছে যোষণা করা, সাক্ষ্যদান করা ও নিজ জীবনে প্রেরিত শিষ্যদের ন্যায় প্রভু যীশুর সাক্ষাৎলাভ করা। যারা প্রভুকে ভালবাসবে তাদেরকে প্রভু সেই মহাদান বিশ্বাস দান করবেন। যত বেশী করে প্রভু বা প্রতিবেশীকে ভালবাসা যাবে তত গভীর হবে তাদের বিশ্বাসের জীবন এবং তারা হয়ে উঠবে যীশুর একান্ত আপনজন।

সহায়ক গ্রন্থাবলী
১। বিশপ প্যাট্রিক ডি’ রোজারিও, এবং অন্যান্য ব্যক্তিবর্গ (অনুবাদক) : কাথলিক মন্ডলীর ধর্মশিক্ষা।
২। ফাদার ফ্রান্সিস গমেজ সীমা, বাণার্ড  পালমা (সম্পাদনা) : ২য় ভাটিকান মহাসভার দলীলসমূহ, কাথলিক বিশপ মম্মিলনী, ঢাকা ১৯৯০ খ্রীষ্টাব্দ।
৩। গারেল্লো, ফাদার সিলভানো : খ্রীষ্টধর্মীয় শব্দার্থ, জাতীয় ধর্মীয় সামাজিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যশোর ১৯৯৬ খ্রীষ্টাব্দ।
৪। কস্তা, ফাদার দীলিপ: বরেন্দ্র দূত, রাজশাহী ২০১১ খ্রীষ্টাব্দ।
৫। পেরেরা, ফাদার লুইস: বরেন্দ্র দূত, রাজশাহী ২০১১ খ্রীষ্টাব্দ।