উজিরপুরে ভূমিদস্যু জাহাঙ্গীর ও নাসিরে তান্ডব

0
101

স্টাফ রিপোর্টার॥ উজিরপুরে ইউপি মেম্বর রাজ্জাকের সহযোগীতায় অপরের জমি দখল করে বিল্ডিং নির্মান করছে ভূমিদস্যু দুই ভাই জাহাঙ্গীর ও নাসিরসহ তার সহযোগীরা। উপজেলার শঙ্করপুর গ্রামের মৃত কালু হাওলাদারের ছেলে বজলু হাওলাদারের ৪ শতাংশ জমি জোরপূর্বক দখল করে ও বিল্ডিং নির্মান শুরু করে। অভিযুক্ত জাহাঙ্গীর ও নাসির ওই এলাকার শওকত আলী হাওলাদারের ছেলে। ভূমিদস্যু হিসেবে চিহ্নিত জাহাঙ্গীর ও নাসির এর পূর্বেও জোরপূর্বক হাটখোলায় বজলুর একটি দোকানঘর ভেঙ্গে নিয়ে যায়। পরে ওই জমিও তারা দখল করে নেয়। এদের অত্যাচারে বজলু অসহায় হয়ে পড়েছে। তবে জাহাঙ্গীর ও নাসিরের ক্ষমতার দাপটে সে তার প্রাপ্য অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বজলু বিভিন্ন স্থানে ধর্না দিয়েও সে তার জমি ফেরত নিতে পারেনি।

ভুক্তভোগী বজলু হাওলাদার জানান, গত ১ মাস পূর্বে ভূমিদস্যু জাহাঙ্গীর ও নাসির পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে প্রাপ্ত বজলু হাওলাদারের জমি দখল করে নেয়। পরে ওই দখলকৃত জমিতে বিল্ডিংয়ের নির্মানের কাজ শুরু করে। দুই ভাইয়ের জমি দখল ও ওই জমিতে বিল্ডিং নির্মানে তাদের সম্পূর্ণ সহযোগীতা করছে মেম্বর রাজ্জাক। এর বিনিময়ে মেম্বর রাজ্জাক দুই ভাইয়ের কাছ থেকে মোটা অংকের চাঁদাও আদায় করেছে বলে জানা যায়। কাজ শুরু করার পরপর বজলু গুঠিয়া ক্যাম্পের পুলিশের কাছে অভিযোগ করেন। পরে এসআই রফিকুল ইসলাম কাগজপত্র দেখে অবৈধভাবে জমি দখল করে বিল্ডিং নির্মান করায় নির্মান কাজ বন্ধ করে দেন। কিন্তু দুই ভাই জাহাঙ্গীর ও নাসির গত শুক্রবার থেকে পুনরায় বিল্ডিং নির্মানের কাজ শুরু করে। খবর পেয়ে এসআই রফিক ঘটনাস্থলে এসে বিল্ডিং নির্মানের কাজ পুনরায় বন্ধ করে দেন উভয় পক্ষকে কাগজপত্রসহ ক্যাম্পে যাবার কথা বলে। কিন্তু তাদের কাছে ওই জমির কোন কাগজপত্র না থাকায় তারা ক্যাম্পে গিয়ে কোন সদুত্তর দিতে পারেনি।

স্থানীয়রা জানান, ওই জমি বজলু তার পৈতৃক ওয়ারিশ সূত্রে পেয়েছে। জাহাঙ্গীর ও নাসির জোরপূর্বকভাবে ওই জমি দখল করে বিল্ডিং নির্মান করছে। আমরা বিভিন্নভাবে তাদের বাধা দিলেও তারা কোন কর্নপাত করেনি। অভিযুক্ত নাসির জানান, বজলু আমার আত্মীয়-স্বজন। ওই জমি বজলুরই। তাকে অন্য স্থান থেকে জমি দেয়া হবে। অপরদিকে বজলু ওই জমির পরিবর্তে অন্য কোন কোথাও জমি নিতে চায় না। কারন ওই জমি রাস্তার পাশে থাকায় মূল্য অনেক বেশি।