কলেজ পড়ুয়া ছাত্রী রিতা বাবার জন্য যৌন কর্মি!

0
402

সময়ের বার্তা ডেস্ক।।
আজ থেকে প্রায় ৬বছর আগের ঘটনা। মেয়েটির নাম রিতা (ছন্মনাম) গ্রামের বাড়ী চট্রোগ্রাম বিভাগের নোয়াখালীর কোনো এক এলাকায়। তারা ৩ ভাই বোন। রিতা ছিল সবার বড়।

মেয়েটি ছিল কলেজ পড়–য়া, মেয়েটির সাথে পরিচয় ঢাকার একটি আবাসিক ফ্লাট বাসায়।

মেয়েটি ঢাকার একটি প্রথম শ্রেনীর কলেজে পড়াশুনা করছেন।(কলেজের নামটি পরিচয় গোপন রাখার জন্যই বলা হলনা) বাড়ী থেকে মাস শেষে টাকা আনচ্ছেন আর ঢাকার একটি আবাসিক বাসা নিয়ে ব্যাচলার বাসাতে থাকতেন।
কারন কথিত নেতা কর্মিদের দখলে থাকার জন্যই রিতা হোষ্টেলে সিট পায়নি।
রিতার বাবা ছিল ছোট্র এক ব্যবসায়ী।
তার পরেও রিতাদের সংসারটা ভাল করেই চলচ্ছে।
আর এলাকার স্কুল লাইভ শেষ করে ঢাকায় একটি কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়াতেই রিতাকে ঢাকা থেকে পড়াশুনা করতে হতো।

প্রথম থেকে রিতার জীবনটা ভালই কাটতো। মাস ৬ছয় পরে হঠাৎ বাড়ী থেকে মা ফোন করলো বাবা অসুস্থ সে আর টাকা পাঠাতে পারবেনা।

বাবার প্রতি মাসে ১০ থেকে ১৫হাজার টাকার ঔষুধ লাগে বাড়ীতে আরো ২ভাই বোন আছে ওদের পড়াশুনা বন্ধ করে দেয়া হচ্ছে।
রিতা এই মুহুত্তে কি করবেন  তা বুঝে উঠে পারচ্ছেনা। কারন ঘরের বড় বলতে রিতাই বড়। ভাই ১একজন তাও আবার সবার ছোট বয়স ৮বছর হবে। ওদের সংসারে বাবা ছাড়া আর কেউ নাই  আয় করার মত।

চিন্তা করতে করতে মনে পড়লো তার দূর সম্পর্কের ফুফুর কথা।

সে অনেক দিন থেকেই ঢাকা থাকেন এবং সে জানামতে অনেক ভালই আছেন । বাড়ী থেকে আসার সময় ফুফুর মোবাইল নাম্বারটা  একটি নোট বুকে লিখে আনছিল মাঝে মধ্যে মোবাইলের মাধ্যমে কথা হতো। ফুফু দেখা করতে অনেক বার বলছিল কিন্তু কলেজের পড়াশুনা বন্ধ করে যাবার সময় ছিলনা তাই আর যাওয়া হয়নি।

একদিন রিতা ফুফুকে ফোন করলো এবং ফুফুকে রিতার বাড়ীর সব সমস্যার কথা গুলো বললেন।

পরে রিতা বললো ফুফু আমার জন্য তুমি একটা কিছু করো। আমাকে তুমি একটা চাকরি খুজে দেও যাতে আমি আমার ছোট ভাই বোন এবং আমার বাবা বেচে থাকার জন্য কিছু ঔষুধ কিনার টাকা জোগাার করতে পারি।

ফুফু আস্থস্ত করে বললো আচ্ছা তুমার কোনো চিন্তা করতে হবে আমিত আছি?  ঠিক আছে তুমি আগামী কাল বিকালে বাগান বাড়ীর সামনে আমার সাথে দেখা করো।

রিতা ফুফুর কথা মত ঠিক সময় পরের দিন বাগান বাড়ীর সামনে গিয়ে হাজির। ফুফুও রিতাকে পেয়ে অনেক আনন্দ পেলো।

পরে ফুফু,ু রিতাকে নিয়ে বাগন বাড়ীর মধ্যে ঢোকলো। বাগান বাড়ীর মধ্যে  একটি কক্ষে রিতা আর রিতা ফুফু দুই জন বসে কপিঁ পান করছিল আর বাড়ীর সব গঠনা গুলো ফুফুকে আবার বলতেছিল।

এসময় হঠাৎ একজন লোক আসে হাজির ফুফু রিতাকে বললো তুমি ওনার সাথে যাও উনি  তুমার বসের কাছে নিয়ে যাবে আর বস তুমার সব সমস্যা সমাধান করে দিবেন?

রিতা কিছু বুঝে উঠার আগেই ফুফু চলে গেলো। রিতা লোকটির সাথে বাগান বাড়ীর ভিওআইপি একটি কক্ষে নিয়ে গেলো। সেখানে একজন মধ্য বয়ষের এক ভদ্ধ্য লোক বসা সেখানে ওই লোকটা রিতাকে রেখে বাহির থেকে দরজা বন্ধ করে চলে গেলো।
পরে রিতা তার অবস্থান সম্মন্ধে সব কিছু খুলে বলল। লোকটি সাথে সাথে নগদ ৩০হাজার টাকা দিয়ে বললো আজ তুমি চলে যাও আর এই টাকা তুমার বাড়ীতে পাঠিয়েও দেও।

তুমি আগামী কাল সকাল এখানে আবার আসবে। তুমাকে নিয়ে কক্রাসবাজারে যাবো অফিসের কাজে । রিতা জানতে চাইল কি কাজ সেখান??

এসময় লোকটি বললো আগামী কালকে কক্রাবাজার গিয়ে বলবো এখন না তুমি যাও। আর ঠিক সময় আসবে কিন্তু।
রিতা ওই লোকটার কথা মত টাকা গুলো বাড়ীতে পাঠিয়ে মাকে ফোন করে বললো মা ৩০হাজার টাকা পাঠাইছি। তুমি বাবাকে একটা ভাল ডাক্টার দেখাও আর ছোট ভাই বোনদের স্কুলে পাওনা টাকা দিয়ে দেও।

মা রিতাকে জিজ্ঞাসা করলো এতো টাকা তুই কই পাইলি রিতা  বলল ফুফু,আমাকে একটি  চাকরি যুগার করে দিছে। মা জানতে চাইলো কিসের চাকরি পাইলি? কবে থেকে পাইলি আগেত বলিসনি??
রিতাঃ  কি কাজ তা এখনো যানিনি
মাঃ সেকি বেতন পাইলি কিন্তু কাজটি কি তা জানিসনি মিথ্যা বলছিস?
রিতাঃ হুম সত্যি মা এখনো জানিনি তবে অফিসরে বস বলছে আগামী কাল আমাকে নিয়ে কক্রাবাজার যাবে সেখানে গিয়ে সারপ্রায়াইচ দিবে। কি কাজে আমাকে যোগদান দিতে হবে তা আমি এখানো জানিনা।
মাঃ কিছু না বলে শুধু বললো নিজের দিকে খেয়াল রাখিস?

রিতাঃ মা তুমার এতো চিন্তা করতে হবেনা তুমি বাবার দিকে খেয়াল রেখো।

রিতা এবার বসের কথা মত ওই দিন সকলে ঠিক সময় বাগান বাড়ীতে গিয়ে হাজির। বস রিতাকে নিয়ে এবার কক্রাবাজার গিয়ে একটি অভিজাত তিন তারাঁ মানের একটি হোটেলে উঠলো।

আর সেখানে রিতার জন্য আলাদা কোনো রুম বুকিং না করে এক রুমেই ২জন উঠলো। তখন রিতা রাতে একসাথে থাকতে দ্বিমত করলো।

বস সাইমুন সাহেব বললো আজ আমাদের একসাথেই থাকতে হবে। এখানে আলাদা কোনো রুমের প্রয়োজন নাই। তা ছাড়া এখানেত আমরা দুইজন অন্য কেউ নাই। তাতে সমস্যার কি আছে?

রিতাঃ আমি আপনার সাথে থাকতে পারবো না আমাকে আলাদা রুম দিতে হবে।

বসঃ তুমি জানো আমি তুমাকে এখানে কিসের জন্য এনেছি?

রিতাঃ হুম আমি নতুন চাকরি পাইছি আপনি আমাকে এখানে কাজ বুঝিয়ে দেয়ার কথা বলে আনছেন?

বসঃ হুম সত্যি আজ তুমাকে আমি সব কাজ বুঝিয়ে দিবো।

রিতাঃ কি কাজ বলেন ।

বসঃ তুমি আজ আমার সাথে সারারাত……থাকবে?

রিতাঃ আমি পারবোনা তাছাড়া আপনার সাথে আমার এমন কোনো কথাও হইনি।

বসঃ তুমার ফুফু তুমাকে কিছু বলেনি?

রিতাঃ না,তবে আপনিত আমাকে ঢাকাতে বসে কিছু বলেনি?

বসঃ এটা নতুন কি বলার আছে । তুমার ফুফুরত কাজ একটাই । প্রতিদিন নতুন নতুন মেয়েদের নিয়ে আসে আমার কাছে।

রিতাঃ আমাকে মাপ করুন। আমি আপনার সাথে রাতে …..করতে পারবোনা।

বসঃ ঠিক আছে তাহলে আমার টাকা ফিরৎ দেও?

রিতাঃ আমি ঢাকাতে গিয়ে একটি চাকরি করে আপনার সব টাকা ফিরৎ দিয়ে দিবো।

বসঃ ওই নাটক বন্ধ করো, এখন আমার টাকা ফিরৎ দেও নয়ত আমার সাথে আজ সারারাত তুমার কাটাতে হবে।
দেখো কি করবে।
রিতার চোখেঁ ছিল কষ্টের ছাপ কিছু বলার ছিলনা আর। তাই ওইদিন বাদ্য হয়ে বসের সাতে রাত কাটালো। আর রিতার জন্য ওই রাতই জীবনের শেষ কাল হয়ে ধারালো। রিতা আজও সেই পথে হাঠতেচ্ছে।

বিঃদ্রঃ প্লিজ ভাল লাগার আর না লাগার যেকোনো একটি মন্তব্য করুন।