খুনের শহর চট্টগ্রাম, প্রশ্নের মুখে সিএমপি

0
456

 

সময়ের বার্তা ডেস্ক।।

গত আগস্টে নগরীর নন্দনকাননে ইমরানুল করিম ইমন নামে এক যুবককে নৃশংসভাবে খুনের পর মরদেহ এসিডে গলানোর চেষ্টা করে তার বন্ধু যুবলীগ নামধারী ক্যাডার অমিত মুহুরী।  গণমাধ্যমে এই নৃশংস খুনের ঘটনা প্রকাশের পর দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়।  এই ঘটনার দুই মাসের মাথায় নগরীতে ছাত্রলীগ নেতা সুদীপ্ত বিশ্বাসকে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে।  এই দুটি ঘটনার মাঝে নগরীতে অন্ত:ত ১০টি চাঞ্চল্যকর খুনের ঘটনা ঘটেছে গত দুই মাসে।

সর্বশেষ ২৪ ঘন্টার ব্যবধানে তিনটি খুনের ঘটনাও ঘটেছে।  রাজনৈতিক বিরোধ, স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া, ছিনতাইকারীর হাতে খুন, পেশাদার অপরাধী গ্রুপের অভ্যন্তরীণ বিরোধ-নানা কারণে একের পর এক খুনের ঘটনা ঘটেই চলেছে।

অধিকাংশ চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য পুলিশ উদঘাটন করতে পারলেও আসামি গ্রেফতারে তেমন সাফল্য নেই।  রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতা প্রতিরোধেও পুলিশের কার্যকর কোন ভূমিকা নেই।  এই অবস্থায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

জানতে চাইলে নগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (অপরাধ ও অভিযান) সালেহ মো.তানভীর বাংলানিউজকে বলেন, যত খুনের ঘটনা ঘটছে এর কিছু পলিটিক্যাল আর কিছু ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স।  পলিটিক্যাল বিষয়, কার মাথা কখন গরম হয়ে যাচ্ছে, কার হাতে কখন ছুরি উঠে যাচ্ছে, এটা কিভাবে বুঝব।  আর ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স তো আগের থেকে নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কারও নেই।  তবে এটা বলতে পারি, ঘটনা ঘটার পর তদন্ত এবং আসামি গ্রেফতারে আমাদের কোন গাফেলতি নেই।

গত ১৩ আগস্ট ইমনের ড্রামভর্তি মরদেহ উদ্ধারের পর আসামি অমিত মুহুরীকে গ্রেফতারে সময় লেগেছে এক মাস।  ৩০ আগস্ট নগরীর পাহাড়তলী পাওয়ার হাউস এলাকায় যুবক আরিফ হোসেন ছিনতাইকারীদের ছুরিকাঘাতে খুন হন।

২০ আগস্ট বায়েজিদের শেরশাহ এলাকায় পোশাক কর্মী জরিনা বেগম, ১৬ সেপ্টেম্বর আলকরণে গৃহবধূ আফসানা আক্তার স্বামীর হাতে খুন হন।  জরিনার স্বামী গ্রেফতার হলেও শান্তার স্বামীর হদিস নেই।  ৫ সেপ্টেম্বর নগরীর বড়পোল এলাকায় গৃহবধূ সোনিয়া আক্তারের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

১৪ সেপ্টেম্বর নগরীর বহদ্দারহাট এলাকায় মাদকের টাকা না পেয়ে সাদিয়া সুলতানা লিজা নামে এক গৃহবধূকে এসিড ছুঁড়ে মারে স্বামী।  ওইদিন নগরীতে কর্ণফুলী নদী থেকে