গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় ৬ হামলাকারীসহ নিহত-১১

0
83

মো. লোকমান হোসাঈন।।

আপডেট

গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় অভিযানে ৬ হামলাকারীসহ ১১ জন নিহত হয়েছেন। তবে তাদের নাম পরিচয় জানা এখনো যায়নি। এ ঘটনায় ১৩জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে।

র‌্যাবের ইন্টেলিজেন্ট বিভাগের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা গণমাধ্যম কর্মীদের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি আরো জানান, অভিযানের সময় ৫টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আর হামলাকারীদের ৬ জন মারা গেছে। জীবিতদের অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

তবে কোন হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে তা তিনি জানাননি।

হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে বিদেশিসহ জিম্মিদের উদ্ধার করতে সেনাবাহিনীর বিশেষ কমান্ডো ফোর্স শনিবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটে অপারেশন শুরু করে।

৮টা ১৫ মিনিটে অপারেশন শেষ হয়।

৩৫ মিনিটের অপারেশনে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি, সোয়াত ও নৌ-বাহিনীর কমান্ডোদের সমন্বিত টিম ব্যাকআপ দেয় সেনাবাহিনীর টিমটিকে।

এদিকেআলামত সংগ্রহে সকাল ১০টা ২০ মিনিটে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছে সিআইডি ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরিজের একটি টিম।

এর আগে সকাল ৭টা ২৪ মিনিটে সেনাবাহিনীর ৯টি সাজোয়া যান ৮টি জিপ ও ৩টি লরিতে করে সেনাবাহিনীর কমান্ডো ফোর্স ঘটনাস্থলে প্রবেশ করে।

ঘটনাস্থল থেকে থেমে থেমে সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দ শুনতে পাওয়া যায়।

ঘটনাস্থল থেকে বিদেশি নাগরিকসহ মোট ৫ জনকে উদ্ধার করে তাকে অ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।

সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে সেনা প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মোহাম্মদ শফিউল হক ও ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আলী আহাম্মেদ খান ঘটনাস্থলে প্রবেশ করেন। তারা প্রবেশের ১ মিনিট আগে ঘটনস্থল থেকে সব ধরনের গোলাগুলি ও সাউন্ড গ্রেনেডের শব্দ বন্ধ হয়ে যা্য়।

অপরদিকে রেস্টুরেন্টের উপর ক্যাসিনোতে কাজ করা বরিশাল পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জের বাচ্চু শনিবার ছোট ভাই আলমগীরকে ফোন করে জানিয়েছেন, সকাল ৮টা ৪২ মিনিটে তারা (বাচ্চু) ৭ থেকে ৮ জন পাশের ভবনে নিরাপদে আছেন।

বাচ্চুর ভাই আলমগীর সময়ের বার্তাকে এ তথ্য জানান।

শুক্রবার রাতে রাজধানীর গুলশানের ২ নম্বর সড়কের ৭৯ নম্বর বাড়িতে হলি আর্টিজান রেস্টুরেন্টে হামলা করে অবস্থানকারীদের জিম্মি করে সন্ত্রাসীরা।