ঝালকাঠিতে আ’লীগের মনোনিত প্রার্থী বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল

0
56

ঝালকাঠি প্রতিনিধি// ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে আ’লীগের মনোনিত প্রার্থী বর্তমান এমপি বজলুল হক হারুনকে প্রত্যাখান করে বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিল করেছে আ’লীগের একাংশের নেতাকর্মী সমর্থকরা। সোমবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে উপজেলা যুবলীগ অফিস থেকে ঝাড়ু নিয়ে বিক্ষোভ ও মিছিল বের হলে কয়েক দফা পুলিশী বাধা দেয়। কয়েক দফায় পুলিশী বাধা উপেক্ষা করে উপজেলা সদরের ডাকবাংলো ও উপজেলার সামনের সড়ক হয়ে বাইপাস গিয়ে পুনরায় যুবলীগ অফিসে এসে শেষ হয়।

বিক্ষোভ ও ঝাড়ু মিছিলে বজলুল হারুনকে জনবিচ্ছিন্ন, দুুর্নীতিবাজ ও জামাত ঘেষা আক্ষা দিয়ে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। আইনশৃংখলা অবনতি ঠেকাতে উপজেলা সদরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তিতে কমপক্ষে ৫ নেতাকর্মী আহত হয়। এর আগে যুবলীগ অফিসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, রিয়াজ মাতুব্বর, শিক্ষা ও মানব সম্পদ বিষয়ক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ডেজলিং, নাসির মৃধা, উপজেলা যুবলীগের সহ সভাপতি শহিদুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ সিকদার, জাকির হোসেন, হেমায়তে উদ্দিন, মিজানুর রহমান, হুমাউন কবির, আলমগীর চৌধুরী প্রমুখ। বক্তারা এমপি হারুনকে স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের সন্তান উল্লেখ করে বলেন, পাকিস্থান আমলে সরকারের প্রিয়পাত্র হওয়ায় হারুনের বাবাকে বুলবুলে পাকিস্থান উপাধি দিয়ে ছিল ততকালিন সরকার। এমন একটি পরিবারের সন্তানকে বারবার মনোনয়ন দিলে তা মেনে নেয়া যায় না। তা ছাড়া জনবিচ্ছিন্ন হারুনের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে।

বক্তারা আরও বলেন, হারুন সংসদ সদস্য থাকা অবস্থায় এলাকার নেতাকর্মীদের সঙ্গে সুসম্পর্ক রাখেননি। এর আগে ১৯৯১ সালে তিনি বিএনপি থেকে নির্বাচন করেন এবং ১৯৯৬ সালে তিনি জাতীয় পার্টির প্রার্থীর পক্ষে নির্বাচন করেন। এত কিছুর পরও ২০০১ সাল থেকে তাঁকে মনোনয়ন দিচ্ছে আওয়ামী লীগ। তাই অবিলম্বে হারুনকে দেয়া মনোনয়ন পরিবর্তন করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোয়াজ্জেম হোসেনের ছেলে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামনকে মনোনয়ন দেয়ার দাবি জানান। মনোনয়ন পরিবর্তন করা না হলে কঠোর আন্দোলনের হুশিয়ারী দেন বক্তারা। বজলুল হক হারুনকে রাজাপুরে অবাঞ্ছিতও ঘোষণা করেন আ’লীগের একাংশের নেতাকর্মীরা। এ বিষয়ে রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. জাহিদ হোসেন জানান, শহরের আইনশৃংখলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ও বিশৃংখলা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।