ডাক্তার কামরুজ্জামানের জাল দলিলের বাণিজ্য!

0
23

স্টাফ রিপোর্টার ॥ ডাক্তার কর্তৃক এতিমের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে দখল করার চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নগরীর কলেজ এভিনিউ রোড় এলাকায় ডাক্তার কামরুজ্জামান সহ আরো ২ জনার বিরুদ্ধে এ অভিযোগ উঠে। মৃত্যু এছেম আলীর ছেলে কাজেম আলীর মৃত্যুর প্রায় ৬ মাস পর একটি জাল দলিল তৈরি করেন ডাক্তার কামরুজ্জামন ও মৃত্যু সামসুউদ্দিন মৃধার ছেলে কাঞ্চন আলী মৃধা ও রফিকুল ইসলাম মৃধা।

আর.এস ও এস রেকডীয় মালিক হিসাবে কাজেম আলী সম্পত্তি পায় ২৪.৩২ শতাংশ। পরে কাজেম আলীর ২৪.৩২ শতাংশ সম্পত্তি দখল করার চেষ্টা চালায়। ১৯৬৮ সালের ফ্রেবুরায়ী মাসের ৬ তারিখ কাজেম আলী মৃত্যু’র পর ওয়ারিশ সম্পত্তি দীর্ঘদিন যাবত ভোগ দখল করে আসছে সিরাজুল ইসলাম গংরা। অথচ, ২০১৬ সালে মৃত: আনসার উদ্দিন আহমেদের ছেলে ডাঃ কামরুজ্জামান ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসের ২২ তারিখ সাড়ে ১৬ শতাংশ জমি মৃত: কাজেম আলীর বড় ভাই জেন্নাত আলী ও প্রতিবেশী আব্দুল হক’র বরাদ দিয়ে অর্থাৎ একটি জাল দলিল করেন যার দলিল নং-৯৯৮৪।

কামরুজ্জামানের ক্রয় সূত্রের জাল দলিল নং-৭১১১। একই কাজ করেন জমির বাকী অংশ দাবীদার মৃত: সামসুউদ্দিন মৃধার ছেলে কাঞ্চন আলী মৃধা ও রফিকুল ইসলাম মৃধা। এবিষয় জানতে পেরে বরিশাল সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে ২০১৭ সালে অক্টোবর মাসের ১৯ তারিখ সার্চিং করেন সিরাজুউল ইসলাম। সিরাজুউল ইসলাম সার্চিং করে জানতে পারেন কামরুজ্জামান, কাঞ্চন আলী ও রফিকুল ইসলাম যে দলিল মূলে সম্পত্তি দাবী করে আসছেন উক্ত দলিলের গ্রহীতা আশ্ররাফ আলী খান ও জমির দাতা মোসলেম মল্লিক প্রতিমান হয়।

অথাৎ এখানেই জালদলিলের প্রামান পায়াযায় চক্রটির। যাহার সার্চি কপি নং- ৭২২২, সিপি নং-৪৯৮১৩/২৬৮২২। সিরাজুউল ইসলাম আরো জানান,তার পিতা কাজেম আলীর মত্যুর পর তিনি ও তার বোন দুইজনই নাবালিকা ছিলো। ডাক্তার কামরুজ্জামান জানান, এবিষয় তিনি জানান, উক্ত বিষয় বরিশাল সদর ভুমি অফিসে ভুমি আইনে মামলা আছে। তবে এর বেশী তিনি কিছু মন্তব্য করতে রাজি নন।