ড্রোন তৈরি করলেন হাতীবান্ধা নবম শ্রেণির ছাত্র

0
114

লালমনিরহাট প্রতিনিধি।।

ছোট থেকেই উড়ানোর শখ নবম শ্রেণির ছাত্র সাইয়েদুল মোস্তায়িন তরঙ্গ’র (১৫) ঘুড়ি উড়াতে গিয়ে মনে ইচ্ছে জাগে বিমান বানানোর। সে থেকেই শুরু। সে চেষ্টা করেন ড্রোনটি বানিয়ে আকাশে উড়ানো। বিভিন্ন জায়গা থেকে যন্ত্রংশ

সংগ্রহ করে ৬ মাসেন চেষ্টার পর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ড্রোনটি আকাশে উড়িয়ে ডিসপ্লে প্রদর্শন করেন তরঙ্গ। ড্রোন আকাশে উড়িয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন ক্ষুদে বিজ্ঞানী সাইয়েদুল মোস্তায়িন তরঙ্গ। লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা এসএস মডেল হাইস্কুলের নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগের মেধাবী ছাত্র। বাবা শরিফুল ইসলাম আলিমুদ্দিন ডিগ্রী কলেজের রসায়ন বিভাগের শিক্ষক। যন্ত্রাংশেনর অভাবে  ড্রোন বানানোর আশা ছেড়ে দিয়ে ছিল তরঙ্গ। একদিন টেলিভিশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে অনুপ্রাণিত হয় তরঙ্গ। সে সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে বিমান বানানো হবে। আর এই কাজটি করবেন দেশের মেধাবী ছাত্ররা। সে থেকে বিমান বানানোর শখটি বাড়িয়ে দেয় তরঙ্গ।

দীর্ঘদিন ধরেই সে চেষ্টা চালিয়ে আসছিল একটি ড্রোন বানানোর। অবশেষে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সহযোগীতায় তার সেই চেষ্টা সফল হয়েছে। পরীক্ষামুলক স্থানীয় আলিমুদ্দিন ডিগ্রী কলেজ মাঠে ড্রোন উড়ানোর টেষ্টা করে সফল হয় তরঙ্গ। গত ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই ক্ষুদে বিজ্ঞানী স্বাধীনতা দিবসে ডিসপ্লে প্রদর্শণ করেন। এরপর থেকে এলাকাজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। প্রতিদিন ড্রোনটি দেখতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীরা তার বাসায় ভিড় জমান। ড্রোনটির সঙ্গে ক্যামেরা স্থাপন করা এবং উপর থেকে ভিডিও ধরণ করার ব্যবস্থা রয়েছে। পরীক্ষামুলক ভাবে প্রায় এক কিলোমিটার দুরের আকাশ থেকে ছবিও তোলা ঞয়। এক কেজি ওজনের ড্রোনটি তৈরি করতে প্রায় ৭০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে দউশত গজ এলাকায় রিমোট কল্ট্রোলের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। এটিকে আরও বেশি  প্রযুক্তি নির্ভর,

আধুনিক ও জনকল্যণময় করার চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে সে। ভবিষ্যাতে অ্যাম্বুলেন্স ড্রোন, পুলিশ ড্রোন, কৃষক ড্রোন তৈরি করার কর্মপরিকল্পনা রয়েছে তার। সাইয়েদুল মোস্তায়িন তরঙ্গ বলেন, ছোট থেকেউ ইঞ্জিনিয়ারিং পড়ার আশা। সে থেকে কাজগুলো করার। বাবা মা আর বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষেকের সহযোগীতায় আমি প্রথম একটি ড্রোন তৈরি করি। সবার সহযোগীতা পেলে আমি ড্রোন তৈরি করে জনকল্যাণময় কাজ করতে পারব। বাবা শরিফুল ইসলাম বলেন, ছেলের ইচ্ছে ও তার শিক্ষকের উৎসাহে আমিও ভর্থ দিয়ে সহযোড়িতারয় করেছি। ভবিষ্যাতে ছেলেকে উঞ্জিনিয়ারিং পড়াবো। হাতীবান্ধা এসএস মডেল হাই অ্যান্ড টেকনিক্যাল কলেজের প্রধান শিক্ষক রেজাউল করিম জুয়েল বলেন, বিদ্যালয়ের কৃতি শিক্ষার্থী প্রায় ৬ মাসের অধিক সময় ধরে সে নিজের মেধা দিয়ে একটি ড্রোন প্রতিসাথাপন করে সবাইকে অবাক করেদিয়েছে। মাধ্যামিক পর্যায়ে স্বাধীনতা দিবসে ডিসপ্লে করে আমরা প্রথম স্থান অর্জন করেছি। এ আবিস্কার আমাদের প্রতিষ্ঠানের জন্য গর্বের।