দেশে থাকা অবৈধ বিদেশি ধরতে শিগগির অভিযান

0
47

সময়ের বার্তা ডেস্ক।।

বাংলাদেশে অবৈধভাবে অবস্থানরত আফ্রিকা অঞ্চলসহ বিদেশি নাগরিকদের ধরতে শিগগিরই অভিযান চালানো হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার আবদুল বাতেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে চার নাইজেরিয়ানসহ বিদেশি প্রতারকচক্রের সাতজন সদস্য এবং দুজন মানবপাচারকারীকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- জন আগাড়ি ইউজিও, আফেজ, মাইকেল ইউজিনি ব্রাউন, নামডি কেলভিন, লিজা আক্তার ওরফে অ্যাসতা, তাসমিয়া পারভীন ওরফে শিমু ও মো. মহসিন শেখ।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বলেন, দেশে অনেক বিদেশি নাগরিক অবৈধভাবে বসবাস করছে। তাদের মধ্যে আফ্রিকা অঞ্চলের নাগরিকরা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত। তারা নানাভাবে ফাঁদ পেতে এদেশের সহজ-সরল ও লোভী প্রকৃতির মানুষকে ধোঁকা দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে পাচার করছে। অবৈধ বিদেশি নাগরিক গ্রেপ্তারে পুলিশ দ্রুত অভিযানে নামবে।

গ্রেপ্তারকৃত মাইকেল ও নামডির স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে আবদুল বাতেন বলেন, তারা দীর্ঘদিন ধরে গার্মেন্টস ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি নাগরিকের যোগসাজশে বাংলাদেশি লোকজনের নাম ও অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে প্রতারণার মাধ্যমে টাকা আত্মসাৎ করে আসছিল। এই প্রতারক চক্রের প্রতারণার অর্থ লেনদেন হতো এমন ১২টি ব্যাংক শনাক্ত করা হয়েছে জানিয়ে আবদুল বাতেন বলেন, বিভিন্ন উপায়ে সেসব ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে বিভিন্ন দেশে টাকা পাঠানো হতো।

এ পর্যন্ত এসব ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট থেকে লিজা আক্তারের নামে প্রায় দেড় কোটি লেনদেন হওয়ার প্রমাণ পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ। এসব টাকা অসাধু মানি এক্সচেঞ্জ ব্যবসায়ীদের যোগসাজশে পাকিস্তানি নাগরিক দানেশ রিজভীর কাছে পাঠানো হয় বলে জানান তিনি। যুগ্ম কমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশের কোনো নাগরিকের ব্যাংকের অ্যাকাউন্ট খুলতে হলে ভেরিফিকেশনের জন্য নানা ধরনের ডকুমেন্ট দিতে হয়। তবে তারা কীভাবে এসব অ্যাকাউন্ট খুলে ভিকটিমদের টাকা জমা নিয়েছে এ বিষয়ে আমরা ভাবছি।’ তবে মামলার তদন্তে ব্যাংকগুলো পুলিশকে সহযোগিতা করেছে বলে জানান তিনি। লিজা আক্তার বাংলাদেশের নাগরিক জানিয়ে যুগ্ম কমিশনার বলেন, তিনি নাইজেরিয়ানদের সঙ্গে থাকেন। তার সহযোগী তাসমিয়া পারভীন ওরফে শিমু ও মো. মহসিন শেখ।