নগরীর ২৭ নং ওয়ার্ডের বিসিসির রাস্তার গাছ কাটার পায়তারা চালাচ্ছে ইয়াাবা মনির

0
29

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট ।।

নগরীর ২৭ নং ওয়ার্ডের বিসিসির রাস্তার গাছ কাটার পায়তারা চালাচ্ছে ইয়াাবা মনির। আজ মঙ্গলবার (৬ ফেব্র“য়ারী) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন একই এলাকার এসএম সাইয়্যেদুর রহমান।

প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রোড ইন্সপেক্টর (আরআই)কে কার্যকারী ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। ঘটনা সুত্রে জানা যায় ২০১৭ সনের মে মাসে বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিষ্ট্রেটের নামে মিথ্যা কথা বলে স্বার্থ উদ্ধার করে বিসিসির রাস্তার গাছ ব্যক্তি মালিকানায় বুঝিয়ে েিদওয়ার জন্য ২৭ নং ওয়ার্ডে সাবেক সচিব পরিচয়দানকারী এইচ এম জাকির হোসেন চেস্টা চালায়। আর তখন গাছটি কাটার জন্যে মরিয়া হয়ে উঠেছে করমজা এলাকার ইয়াবা মনির। ফলে একদিকে যেমন পরিবেশ বিপর্যয়ের আশংকা ছিল। অন্যদিকে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব হারাতে বসছিল।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের ২৭ নং ওয়ার্ডের করমজা মৌজার বিএস ৬৭৫, ৬৭৬নং দাগের রের্কডীয় সম্পত্তিতে প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের একটি রেইনট্রি গাছ রয়েছে। গাছটি বিসিসির জমিতে অবস্থিত হওয়ার পূর্বের এসএ ৪৪৪নং দাগে এস, এম সাইয়্যেদুর রহমান গং মালিক ছিলেন। ওই গাছটি পাশবর্তি জমির মালিক মনির এসএ ৪১৩ দাগে মালিক দাবী করে গাছের ডালপালা কেটে ফেলে। এ বিষয় নিয়ে ২০১৫ সালের ২০ অক্টোবর জমির সীমানা নির্ধারনসহ এস এ রেকর্ড মুলে গাছের প্রকৃত মালিক দাবী করে মেয়র বরাবরে আবেদন করেন এসএম সাইয়্যেদুর রহমান। আবেদনের প্রেক্ষিতে বিবিসি মনিরকে ২১ অক্টোবর নোটিশ দেয়। মনির নোটিশ পেয়ে লিখিতভাবে বিসিসির কাছে ক্ষমা চায়।

বিসিসি মনিরকে ৮ নভেম্বর গাছ কাটার প্রস্ততি থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়। কিছুদিন পর মনির গাছটি নিজের দাবী করে ২০১৬ সনের ১ ফেব্র“য়ারী বিসিসির মেয়রের কাছে আবেদন করেন। মনিরের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিসিসি এস এম সাইয়্যেদুর রহমানকে জমির মালিকানা ব্যাপারে ৩ ফেব্র“য়ারী চিঠি দেয়। এস এম সাইয়্যেদুর রহমান চিঠি পেয়ে ৪ ফেব্র“য়ারী লিখিত ভাবে কাগজ পত্র সহ জবাব দেয়।

বিসিসির সার্ভেয়ার মোঃ জামিল হোসেন এস এম সাইয়্যেদুর রহমানকে কোন কিছু না জানিয়ে মনিরের সাথে যোগাযোগ করে মাঠ পর্যায়ে পরির্দশন শেষে বিএস ৬৭৫(রাস্তা), ৬৭৬(বেড়) নং দাগের রের্কডীয় ( রাস্তা ও বেড়) সম্পতির মালিক বিসিসি এবং গাছটি বিসিসির জায়গায় লিখে দীর্ঘ দিন পর রিপোর্ট তৈয়ার করে দাখিল করেছেন বলে জানায় সার্ভেয়ার মোঃ জামিল হোসেন। সার্ভেয়ার মোঃ জামিল হোসেন প্রতিবেদনের পরে বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ২৭নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে উভয় পক্ষের সাথে আলোচনা শেষে সমাধান করার নির্দেশ দেন।

 

বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নির্দেশের পর সম্প্রতি ওই ওয়ার্ডের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর (সচিব) ও বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা গ্রামের আব্দুর রশীদ হাওলাদের ছেলে এইচএম জাকির হোসেন বিসিসির আর আই মোঃ রেজাউল কবিরের কাছ থেকে ওই ফাইলটি ২৭ নং ওয়ার্ড কার্য্যালয়ে নিয়ে আসেন। পরে বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ম্যাজিষ্ট্রেটের নামে মিথ্যা কথা বলে কাউন্সিলার মোঃ নুরুল ইসলামকে ভুল বুঝিয়ে এবং কাউন্সিলার মোঃ নুরুল ইসলাম ঢাকা যাওয়ার সময় বিভিন্ন কাগজের সাথে মনিরকে গাছটি দেয়ার জন্য ওয়ার্ড সচিব পরিচয়দানকারী এইচ এম জাকির হোসেন নোটশিট তৈরি করেন। পরে বেআইনীভাবে ওই নোটশিটের ফটোকপি মনির হোসেনকে দেন সচিব পরিচয় দানকারী জাকির হোসেন।

 

এ বিষয়ে গাছটির অপর মালিকানা দাবীদার এস,এম সাইয়্যেদুর রহমানকে কিছু জানানো হয়নি। মনির নোটশীটের ফটোকপি পাওয়ার পরে গাছটি কাটার পায়তারা করলে এস,এম সাইয়্যেদুর রহমান গত ২০১৭ সনের ১৫ মে রোজ সোমবার বিসিসির প্রধান নির্বাহী কমকর্তা কাছে ওই জমির সীমানা নির্ধারণ এবং ওয়ার্ড সচিব পরিচয়দানকারী এইচ এম জাকির হোসেনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য লিখিত ভাবে অভিযোগ দাখিল করলে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ইমতিয়াজ মাহমুদ জুয়েল আর আই মোঃ রোজাউল কবিরকে বিষয়টি নথিতে পেশ করার জন্য নির্দেশ প্রদান করেছিল কিন্তু তিনি অদ্য পর্যন্ত কোন নোট দেয় নাই। আরো উল্লেখ যে গত ২৮ ডিসেম্বর ২৭ নং ওয়ার্ডে স্মার্ট কার্ড বিতরণের সময় কার্ড ধারীর কাছ থেকে সচিব পরিচয়দানকারী এইচ এম জাকির হোসেন ৫ শত টাকা আদায় করে। এমন ঘটনা ছড়িয়ে পরলে টাকা আদায়ের অপরাধে জাকির জনরোষে চর থাপ্পর খায়। পরে কাউন্সিলার মোঃ নুরুল ইসলাম জাকিরের বিরুদ্ধে হাজারও অভিযোগের ভিত্তিতে নিজেই ২৭ নং ওয়ার্ড থেকে সরিয়ে দেয়।