ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীর সদস্য মিরাজ বাহিনীর রিট তথ্য ফাঁস!

0
114

স্টাফ রিপোর্টার ॥ রিটের কথা বলে সদস্যদের কাছ হাতিয়ে নেন লাখ লাখ টাকা। এছাড়াও বিভিন্ন সময় সদস্যদের কাছ থেকে চাদা উত্তোলন করে লঞ্চ যোগে ঢাকা বরিশাল নৌ-বিহার সহ নানা আমোদ ফুর্তি করে দিন পার করছেন মিরাজ-মিন্টু সহ ২০ থেকে ২২ জনার একটি চক্র। চক্রটি বিভিন্ন সময় নগরীতে চাকুরী স্থায়ী করণ সহ বিভিন্ন কর্মসুচি ঢেকে চাদা উত্তোলন করে আসছে।

যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আওতায় দুই বছর মেয়াদী ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচী শেষ হচ্ছে আগামী নভেম্বর থেকে। এদিকে বরিশাল সদর আওতাধীন ২ হাজার ১১ জন সদস্যদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেয়া হয়েছে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা। ভুক্তভুগি একাদিক সদস্যদের দাবী বিভিন্ন সময় নানান অনুষ্ঠান উপলক্ষে ২ হাজার ১১সদস্যদের প্রায় সকলের কাছ থেকে নেয়া হয়েছিল আরো কয়েক লাখ টাকা ।

সর্ব শেষ চলতি মাসের ১৮ তারিখ বুধবার পর্যন্ত ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসূচীর আওতায় থাকা সকল সদস্যদের চাকুরী স্থায়ী করণের জন্য উচ্চ আদালতে রিট করার প্রয়োজন দাবী করে জনপ্রতি ২২৫ টাকা করে হাতিয়ে নেন একটি চক্র।

২২৫ টাকা করে ২হাজার ১১ জন সদস্যদের মধ্যে ১০/১২ জন ছাড়া সকলের কাছ থেকে প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন। সকলের কাছ থেকে টাকা উত্তোলন করে ১৮ তারিখ বিকালে উক্ত কমিটির প্রায় ২০ থেকে ২২ জন সদস্য লঞ্চ যুগে ঢাকায় আইনজীবিদের সাথে পরামর্শ করতে যান বলে সুত্রে জানাগেছে। তবে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের বরিশাল সদর উপজেলার আওতাধীন উর্চ্চপর্যায়ের একজন কর্মকতার দাবী, ন্যাশনাল সার্ভিস কর্মসুচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত সদস্যরা রিট করে কোন লাভ নাই। যদি কেউ এই ফাদে পা দিয়ে অর্থ খরচ করেন সেই দায়বার তারা নেবে না বলে জানিয়ে দেন।

অভিযোগ উঠে ন্যাশনাল সার্ভিসে কাজ করা মোঃ জহিরুল ইসলাম মিন্টু, মিরাজ হোসেন, জসিম, হাসান, রাসেল সহ ২০ থেকে ২২ জনার একটি চক্র সাধারণ সদস্যদের চাকুরী স্থায়ী করণের কথা বলে জনপ্রতি ২২৫ টাকা করে চাদা উত্তোলন করেন। এবিষয় মিরাজের কাছে জানাতে চাইলে বরিশাল সদর উপজেলা শাখার বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস একতা কল্যান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম মিন্টুকে মুঠোফোন ধরিয়ে দেন।

মিন্টু আইনি লড়াইয়ের বিষয় প্রথমে স্বীকার করে পরবর্তিতে তিনি অস্বিকার করেন। চাদা উত্তোলনের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন সবার কাছ থেকে চাদা উত্তোলন করা হয়নি। তবে কিছু কিছু সদস্যদের কাছ থেকে চাদা উত্তোলন করেছি। যাহা সংগঠন পরিচালনার জন্য প্রয়োজন।