বরিশালে মৃত্যুর আগে ফেসবুক লাইভে যা বলেছিলেন ফার্মেসি ব্যবসায়ী টিকটক শিরিন, দেখুন ভিডিও সহ

0
184

অনলাইনে ‘টিকটক শিরিন’ নামে পরিচিত শিরিন খানম নামে এক নারীর রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে বরিশালে তোলপাড় চলছে। নগরীর বান্দ রোড নৌ-বন্দর সংলগ্ন শিরিন ফার্মেসির মালিক তিনি। গত রোববার রাত ১০ টার দিকে নিজ ফার্মেসিতেই তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে তাৎক্ষণিক শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায় স্বজনরা।

পরে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃত্যুর পূর্ব মুহূর্তে ফেসবুক লাইভে এসে তার মালিকানাধীন শিরিন মেডিকেল হল নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। যা ইতিমধ্যে ফেসবুকে ভাইরাল হয়েছে। শিরিনকে ফার্মেসি থেকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করছে উল্লেখ করে বিভিন্ন ব্যক্তির নামও প্রকাশ করেন লাইভে। পৃথক লাইভ ভিডিওতে তিনি এক কাউন্সিলরসহ পাশ্ববর্তী ফার্মেসি মালিক ও এক ব্যবসায়ীর নাম উল্লেখ করে তাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের অভিযোগ করেন। তাদের ষড়যন্ত্রে তিনি মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন, তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে তাকে বাঁচানোর আকুতি জানানোর কিছুক্ষণ পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছেন, এক সন্তানের জননী শিরিন খানম ডিভোর্সি ছিলেন। দীর্ঘদিন ফার্মেসি ব্যবসার পাশাপাশি নানান কর্মকাণ্ডে আলোচিত হয়ে ‘টিকটক’ শিরিন নামে পরিচিতি লাভ করেন। মৃত্যুর পূর্বে ফেসবুকের লাইভ এসে তার মালিকানাধিন শিরিন মেডিকেল হল নিয়ে বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন। তাকে ফার্মেসি থেকে উৎখাতের ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে উল্লেখ করে বিভিন্ন ব্যক্তির নামও প্রকাশ করেন। পৃথক লাইভ ভিডিওতে তিনি সংশ্লিষ্ট ১০ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলরসহ পাশ্ববর্তী বেশ কয়েকজন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ষড়যন্ত্রের কথা উল্লেখ করেন।

ষড়যন্ত্রে তিনি মানসিক যন্ত্রনায় ভুগছেন। তাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া হচ্ছে উল্লেখ করে বাঁচতে চাওয়ার আকুতি জানানোর কিছুক্ষণ পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। সম্প্রতি শিরিন খানম ‘আজকের ক্রাইম নিউজ’ নামক একটি অনলাইন নিউজ পোর্টাল চালু করেন। পত্রিকাটিতে নির্বাহী সম্পাদক হিসেবে তার নাম দেখা যায়। এছাড়াও সাম্প্রতিককালে নকল ওষুধ বিক্রির অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে আটক হয়ে কারাবরণও করেন শিরিন খানম। কোতয়ালী মডেল থানার ওসি নূরুল ইসলাম সোমবার সকালে জানান, ফার্মেসি ব্যবসায়ী শিরিন খানমের মৃত্যুর ঘটনায় তার ভাই ইউসুফ মৃধা বাদী হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছেন ও আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।