‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করাই আমার লক্ষ্য’

0
89

ড. এস এম ইমামুল হক॥
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এস এম ইমামুল হক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলাদেশ-অষ্ট্রেলিয়া সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের চেয়ারম্যান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য, বাংলাদেশ সরকারের কৃষি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি সংস্থা ও প্রতিষ্ঠানের পরামর্শক ও উপদেষ্টাসহ অনেক গুরুদায়িত্ব পালন করেছেন। মাটি থেকে পানির মাধ্যমে খাদ্যচক্রে আর্সেনিকের সংক্রমণ এবং প্রকোপ নিয়ে তাঁর গবেষণা দেশ-বিদেশে ব্যাপকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। শিক্ষা ও গবেষণায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ পেয়েছেন বাংলাদেশ একাডেমি অব সায়েন্সেস গোল্ড মেডেল, বাংলাদেশ ইউজিসি অ্যাওয়ার্ড ২০০৭, বঙ্গবন্ধু কৃষি পদক ২০০৮, বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা পদক ২০০৯, সয়েল সায়েন্টিস্ট অব দ্য ইয়ার ২০১০-সহ বেশ কিছু পুরস্কার। নানা বিষয়ে কথা বলেছেন অধ্যাপক ড. এস এম ইমামুল হক

কিছুদিন আগে আট বছরে পা রাখল বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় কিছু সংকট বা সমস্যা রয়ে গেছেÑ
ড. এস এম ইমামুল হক : বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সমস্যা অবকাঠামোগত। ২০১৫ সালে কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ২০১৮ সালেও শেষ হয়নি। সময়সীমা বৃদ্ধি করে ২০১৯ পর্যন্ত করা হয়েছে। এ কাজটি করছে শিক্ষা মন্ত্রলায়য়ের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ। সুতরাং এখানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের কোনো হাত নেই। ক্লাসরুম সংকট রয়ে গেছে, লাইব্রেরি ভবন, ডরমেটরি ঠিকমতো হয়নি। জিমনেশিয়াম নেই, মেডিকেল সেন্টার করা দরকার। ছাত্রদের আবাসন সমস্যা রয়েছে। আমাদের দুটি ছাত্র হলের ক্যাপাসিটি ১০০০। যেখানে এক রুমে ৪ জন থাকার কথা, আমরা সেখানে বাধ্য হয়ে ৮ জনকে রেখেছি। একটি ছাত্রী হল আছে, সেখানে বিশেষ করে বরিশালের বাইরে থেকে যারা পড়তে এসেছে, তাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রাখা হচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে ডাইনিং সিস্টেম চালু আছে। লাইব্রেরি হয়ে যাবে দ্রুত। আমরা ওয়াইফাই চালু করেছি, তবে এটা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। নতুন বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় সব ফ্যাসিলিটি দিতে কিছুটা সময় লাগছে। আমাদের সীমিত যে সম্পদ আছে, তা নিয়ে আমরা সাধ্যমতো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করে যাচ্ছি।
বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কিছু কাজ করেছেন-
ড. এস এম ইমামুল হক : ১ ডিসেম্বর ২০১৬ তারিখে চালু করেছি বঙ্গবন্ধু হল, শেরেবাংলা হল ও শেখ হাসিনা হল। নির্মাণ করেছি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার। সম্প্রতি চালু করেছি কীর্তনখোলা হল ও শিশুদিবাযতœ কেন্দ্র। ছাত্রছাত্রীদের চিত্তবিনোদন ও খেলাধুলার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুক্তমঞ্চ করে দেওয়া হয়েছে। ছাত্রছাত্রীরা সেখানে বসে গল্প করবে, খেলাধুলা করবে, গান করবে। তাদের বসার জায়গা করে দেওয়া হচ্ছে। আমাদের মাঠ আছে, ছাত্ররা সেখানে খেলাধুলা করে। চালুর অপেক্ষায় রয়েছে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি। একটা ক্যাফেটেরিয়া ভবন হচ্ছে। আমরা ওয়াইফাই চালু করেছি, তবে এটা আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন। একটি পুকুর আছে বিশ্ববিদ্যালয় চত্ত্বরে। সেটিকে অতি শীগ্রই সুইমিংপুলে রূপান্তর করা হবে। চাকরি বিধিমালা, নিয়োগ বিধিমালা ইত্যাদি ছিল না, ইতোমধ্যে আমরা কয়েকটি নীতিমালা করেছি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে আমরা ধূমপানমুক্ত, পরিবেশবান্ধব ও সবুজ ক্যাম্পাস ঘোষণা করেছি।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা কত?
ড. এস এম ইমামুল হক : বর্তমানে প্রায় ৬ হাজার ছাত্রছাত্রী পড়াশোনা করছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে। তাঁরা পড়াশোনার পাশাপাশি নানা সহপাঠক্রমিক কার্যক্রমেও সমান সক্রিয়।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও ছাত্র অনুপাত কত হওয়া উচিত? বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা কী?
ড. এস এম ইমামুল হক : ছাত্র-শিক্ষক আদর্শ অনুপাত ৩০ঃ১। এটা রাখা গেলে সবচেয়ে ভালো হয়। কিন্তু এটা সব সময় রাখা সম্ভব হয় না। আমাদের শিক্ষকস্বল্পতা রয়েছে। তাই ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ৪০ঃ১। আমরা আদর্শ অনুপাতের কাছাকাছি আছি। আমি আশাবাদী, শিক্ষক নিয়োগের মাধ্যমে আমরা খুব শিগগির আদর্শ অনুপাতে পৌঁছাতে পারব।

সাম্প্রতিক সময়ে ভর্তি জালিয়াতি ও প্রশ্ন ফাঁস একটি আলোচিত ইস্যুÑ
ড. এস এম ইমামুল হক : দ্বিতীয় শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা-সব পর্যায়ে প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে। এটি একটি জাতির জন্য অশনিসংকেত। বাংলাদেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধক্ষংস করতে চায় স্বাধীনতাবিরোধী একটি চক্র। এই চক্র এখনো সক্রিয়। মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, কতিপয় শিক্ষকও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত। পৃথিবীর এমন কোনো দেশ নেই, যেখানে অপরাধ হলে কঠোর শাস্তি না দিলে সেটি বন্ধ হয়েছে। নাইজেরিয়াকে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ বলেই আমরা জানি। সেখানেও কিন্তু পরীক্ষায় নকল করলে জেলখানায় পাঠানো হয়। আমাদেরও প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে শাস্তি দিতে হবে। দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ঠেকাতে পারে প্রশ্ন ফাঁস।

ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসরোধে নানা উদ্যোগ নিয়েছেনÑ
ড. এস এম ইমামুল হক : ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি জালিয়াতির ঘটনা ঘটছে। এটা ঠেকাতে এবারের ভর্তি পরীক্ষায় ‘ইলেকট্রনিক জ্যামার’ চালু করেছি। ইলেকট্রনিক জ্যামার পরীক্ষার কেন্দ্র ও আশপাশে মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইসের নেটওয়ার্ক বন্ধ করে দেয়। ভর্তি পরীক্ষা শেষে আমি প্রশ্নপত্র পুড়িয়ে দিয়েছি। আমার নিজের কাছেও প্রশ্নের কোনো কপি নেই। এতে পরীক্ষার পর কেউ বলতে পারবে না, কী কী প্রশ্ন এসেছিলো। এতে প্রশ্ন নিয়ে কোচিং সেন্টার বা অন্য কেউ বাণিজ্য করার সুযোগ পাবে না। পরীক্ষা শুরুর এক মিনিট আগে আমরা প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুলি। মানুষের সহজাত প্রবৃত্তি, অনেক আগে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট খুললে অনেকেই দেখে, মোবাইলে ছবি তোলে। এতে প্রশ্ন ফাঁসের আশঙ্কা রয়ে যায়। বিভাগ পরিবর্তনকারী ‘ঘ’ ইউনিট বাদ দিয়েছি। প্রশ্ন ফাঁস সবচেয়ে বেশি হয় ‘ঘ’ ইউনিটে। বিভাগ পরিবর্তনকারী বা ‘ঘ’ ইউনিটে আলাদা পরীক্ষা না নিয়েও বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা যায়, এর দৃষ্টান্ত বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।

প্রশ্ন ফাঁসের প্রধান কারণ নৈতিকতার অবক্ষয়। এ বিষয়ে আপনার মতামত কী?
ড. এস এম ইমামুল হক: ছাত্রছাত্রী, এমনকি অভিভাবকরাও ফাঁস হওয়া প্রশ্নের পেছনে ছুটছে। নকল করার মতো প্রশ্ন ফাঁস যে অনৈতিক ও অন্যায়, ছোটকাল থেকে কোমলমতি ছেলেমেয়েদের তা বোঝানোর দায় কিন্তু অভিভাবকদের। কিন্তু আফসোসের বিষয়, অনেক মা-বাবা ছেলেমেয়েদের হাতে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন তুলে দেন। এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই, চাহিদা আছে বলেই যোগান আছে। এটি আসলে নিজেদেরই ক্ষতি, এ বিষয়ে ছাত্রছাত্রী-অভিভাবকদের বোধোদয় দরকার।

অনেক চেষ্টার পরও সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হয়নি। বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তির আবেদন ফরম সংগ্রহ, জমা ও পরীক্ষায় অংশ নিতে ছাত্রছাত্রীদের এবারও পোহাতে হয়েছে নানা ভোগান্তিÑ
ড. এস এম ইমামুল হক : সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার পক্ষে আমি এই কারণে যে, সারা দেশে এইচএসসি পর্যন্ত পড়াশোনা হয় একই সিলেবাসে। সিলেবাস যেহেতু একই, আমরা বিজ্ঞানের ছাত্রছাত্রীদের একই দিনে পরীক্ষা নিতে পারি। একইভাবে বাণিজ্য বিভাগের পরীক্ষা হতে পারে একসঙ্গে। এভাবে মানবিক বিভাগের ভর্তি পরীক্ষাও হতে পারে একসঙ্গে। সমন্বিত বা গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা পদ্ধতির মাধ্যমে ভর্তি কার্যক্রমের দীর্ঘসূত্রতাও দূর করা যাবে। একটি মাত্র রেজিস্ট্রেশনের মাধ্যমে একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ থাকায় এবং দূরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ে যাতায়াতের প্রয়োজন না থাকায় ছাত্রছাত্রী ও তাদের অভিভাবকদের ভোগান্তি ও খরচ দুটোই অনেকাংশে কমবে। শুধু ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবক নয়, ঝক্কি-ঝামেলা কমবে বিশ্ববিদ্যালয়েরও। ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের প্রস্তুতি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে এক মহাযজ্ঞের আয়োজন করতে হয়। সমন্বিত পদ্ধতি চালু হলে মহাযজ্ঞ রূপ নিতে পারে সহজ একটি পরীক্ষায়।
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষায় ‘ঘ’ ইউনিট বাদ দিয়েছেন। এতে ভর্তিতে কোনো সমস্যায় পড়তে হয়েছে কি নাÑ
ড. এস এম ইমামুল হক : বিভাগ পরিবর্তনকারী বা ‘ঘ’ ইউনিটে আলাদা পরীক্ষা না নিয়েও বিভাগ পরিবর্তনের সুযোগ রাখা যায়। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে আমরা সেটাই করেছি। এতে ছাত্রছাত্রীরা যেমন একটি অতিরিক্ত পরীক্ষার হাত থেকে রেহাই পেয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়কেও একটি বাড়তি ইউনিটের পরীক্ষা নিতে হচ্ছে না। আমরা যেটা করেছি, ভর্তির আবেদনের সময় অপশন রেখেছি। যারা বিভাগ পরিবর্তনেরও সুযোগ চায়, তারা আবেদনপত্রে তা উল্লেখ করে। যেমন, বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্র হলে ‘ক’ ইউনিটে আবেদনের সময়ই উল্লেখ করে দেয়, আমি ইউনিট পরিবর্তনেও আগ্রহী। ‘ক’ ইউনিটে সুযোগ না হলে মেধার ভিত্তিতে মানবিক বা বাণিজ্য বিভাগের কোনো বিষয়েও তার ভর্তির সুযোগ থাকে।

শিক্ষকতা পেশায় আপনার পেরিয়ে গেছে ৪২ বছরেরও বেশি সময়। এখনো যুক্ত আছেন এ পেশায়Ñ
ড. এস এম ইমামুল হক : আমি এখনো খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে ফ্রেঞ্চ পড়াই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে। আমার শিক্ষকতা জীবনের অভিজ্ঞতা নিয়ে একটি গবেষণাগ্রন্থের মোড়ক উšে§াচন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে ‘অ্যান ওড টু প্রফেসর এস এম ইমামুল হক : ফরটিটু ইয়ার্স অব ডেডিকেশন টু টিচিং অ্যান্ড রিসার্চ (১৯৭৩-২০১৬)’ সম্মাননা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিভাগের আমার বর্তমান ও প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীবৃন্দ।

শিক্ষকদের অন্যতম প্রধান কাজ গবেষণা। আপনার গবেষণা সম্পর্কে জানতে চাই-
ড. এস এম ইমামুল হক : আমার ৩০০টিরও বেশি গবেষণামূলক প্রকাশনা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। ঢাকা ইউনিভার্সিটি জার্নাল অব বায়োলজিক্যাল সায়েন্সেসের বিভাগীয় জার্নালের প্রধান সম্পাদক, বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি জার্নাল (বিজ্ঞান) ও বাংলাদেশ জার্নাল অব সয়েল সায়েন্সের যুগ্ম সম্পাদক, জার্নাল অব সয়েল সায়েন্স সোসাইটি অব বাংলাদেশের সম্পাদকীয় বোর্ডের সদস্যসহ অনেক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বৈজ্ঞানিক জার্নালের পর্যালোচক ছিলাম।

বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে আপনার পরামর্শ কী?
ড. এস এম ইমামুল হক : যে বিষয়ে পড়াশোনা করছ সে বিষয়টিতে দক্ষ হতে হবে। মনে রাখতে হবে তোমাদের শিক্ষাব্যয়ের সিংহভাগ জোগান দিচ্ছে দেশের জনগণ। তোমাদের শিক্ষাগ্রহণের উদ্দেশ্য ও মূল লক্ষ্য থাকতে হবে জনগণ ও দেশমাতৃকার কল্যাণ। তবেই তোমাদের শিক্ষাজীবন সার্থক হবে। দেশ, সমাজ ও জনগণের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করার ব্রত নিয়ে জ্ঞান আহরণ করো আর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে এগিয়ে আসো।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আপনার ভবিষ্যত পরিকল্পনা কি?
ড. এস এম ইমামুল হক : প্রথম সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চাই। শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণসহ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা আছে। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করাই আমার লক্ষ্য।

আমাদের সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
ড. এস এম ইমামুল হক : আপনাকেও ধন্যবাদ।

* সাক্ষাৎকার নিয়েছেন : স্বপ্নীল শাহরিয়ার