বিএম কলেজের ক্লার্কের স্ত্রী জেবুন্নেছা ও এসআই মাইনুলের ঘনিষ্ট ছবি ফাঁস

0
1854

বরিশাল অফিস ॥ স্ত্রীকে পরকিয়া প্রেমে বাধা দেয়ায় শামীম তালুকদার নামে এক ব্যবসায়ীকে হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে পরকীয়া প্রেমিক প্রত্যাহার হওয়া পুলিশ সদস্য মাইনুল ইসলামের বিরুদ্ধে। জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ৮ বছর বয়সী শিশুকে সাথে নিয়ে শনিবার (৫ আগস্ট) বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন ব্যবসায়ী শামীম তালুকদার।

এ সময়ে শামীম তার স্ত্রী জেবুন্নেছা ও পরকীয়া প্রেমিক এসআই মাইনুল ইসলামের ঘনিষ্ট একটি ছবি গণমাধ্যমের কাছে তুলে দেন। শামীম জানান, ছবিটি কুয়াকাটায় গোপনে ঘুরতে গিয়ে তোলা। একই সাথে জানায়, তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে মাইনুল বিভিন্ন সময়ে তার স্ত্রীকে নিয়ে কুয়াকাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে যেতো ও তার স্ত্রীকে ভোগ করতো।

 

সংবাদ সম্মেলনে শামীম বলেন, ২০০৭ সালে জেবুন্নেছাকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের সংসারে একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। ৩/৪ বছর পূর্বে এসআই মাইনুলের সাথে তার বন্ধুত্ব সম্পর্ক হয়। এরই সূত্র ধরে মাইনুল তার বাড়িতে আসা যাওয়া করতো। এর প্রেক্ষিতে মাইনুলের সাথে তার স্ত্রী জেবুন্নেছার অবৈধ সম্পর্ক হয়। এ নিয়ে গত ৬ মাস পূর্বে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিরোধ হলে পূর্বের বাসা ছেড়ে দিয়ে নগরীর গোরস্থান রোড খাদিজা মঞ্জিলে বসবাস শুরু করে জেবুন্নেছা।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন শামীম

ওই বাসার ভাড়াও পরিশোধ করত এসআই মাইনুল। তিনি বলেন, সর্বশেষ গত ১ আগষ্ট ওই বাসায় জেবুন্নেছা ও এসআই মাইনুলকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখে ফ্লাটের অপর বাসিন্দারা দরজায় তালা ঝুলিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পরে ২ আগষ্ট এসআই মাইনুলকে পুলিশ লাইনে ক্লোজ করা হয়। এরপর থেকেই এসআই মাইনুল তাকে অব্যাহতভাবে হত্যার হুমকি দিয়ে আসছে। তিনি সংবাদ সম্মেলনে এসআই মাইনুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

সংবাদ সম্মেলনের সময়ে শামীমের স্ত্রী মুঠোফোনে বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে বলেও জানা গেছে।

এ বিষয়ে এসআই মাইনুল ইসলাম জানান, শামীমের কাছে তিনি এক লাখ টাকা পাবেন। ওই দিন টাকা আনার জন্য শামীম তার বাসায় যেতে বলেছিলো। কিন্তু শামীম আমাকে ফাঁসানোর জন্য এমন কাজ করেছে।