বেনাপোলে বিজিবি কর্তৃক পন্য আটকের ঘটনায় ব্যবসায়ীদের সড়ক অবরোধ

0
170
বেনাপোল প্রতিনিধি।।
বেনাপোল স্থল বন্দর এলাকায় কাস্টমস্ কর্তৃপহ্ম কর্তৃক খালাসকৃত ভারতীয় আমদানি পন্য বোঝাই করা ৩ টি ট্রাক বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ এর সদস্যরা আটক করলে প্রতিবাদে রাতেই সি এন্ড এফ এজেন্ট ব্যবসায়ীরা সড়কের উপর পন্য বোঝাই ট্রাক আড় করে দিয়ে যশোর-কোলকাতা মহাসড়কটি প্রায় ৩ ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন।গতকাল সন্ধ্যার কিছু পর ৭.৩০মিঃ হতে রাত ১১ টা পর্যন্ত সড়কে এ অবস্থা বিরাজ করে পরে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের মধ্যস্থতায় বিজিবি ও ব্যবসায়ী সংগঠনের উর্দ্ধতনদের মধ্য আলোচনা সাপেহ্ম্যে সড়কটি যানচলাচলের উপযোগী করা হয়।
ঘটনার তথ্য সুত্রে জানা যায় যশোর ঝুম ঝুমপুর ক্যাম্পের ৪৯ ব্যাটালিয়ন বিজিবি’র সিও কর্ণেল আরিফুজ্জামানের নির্দেশে ভারত থেকে এল,সির মাধ্যমে আমদানীকৃত পণ্যের ৩ টি ট্রাক টু-হুইলার পার্টস সহ আটক করা হয়।আটককৃত পন্যের সিএন্ডএফ এজেন্ট মেসার্স তরঙ্গ এন্টার প্রাইজের মালিক মোঃ তরিকুল ইসলাম নয়ন জানান সরকারী সকল নির্দেশ মেনে কাস্টমসের ধার্য্যকৃত ট্যাক্স পরিশোধ করে আমদানীকারক প্রতিষ্ঠান নিশাত সামান্তা উক্ত আমদানীকৃত পন্যে টু হুইলার পার্টস্ আমদানী করে৷কিন্তু, বিজিবি কোন নিয়ম নীতি তোয়াক্কা না করে আমার এজেন্সী দ্বারা ছাড়কৃত ৩টি ট্রাক আটক করেন, আমি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিজিবি কর্মকর্তা সুবেদার সফিউর রহমানের নিকট ট্রাক আটকের বিষয়টি জানতে চাইলে ওখানে উপস্থিত বিজিবির সদস্যরা আমাকে ঘিরে ফেলে এবং আমাকে শারিরিক ভাবে লাঞ্চিত করে।
প্রতিবাদে সিএন্ডএফ এজেন্ট এসোসিয়েশন মালিক-শ্রমিক পক্ষ তাৎহ্মনিক ভাবে বেনাপোল-যশোর মহাসড়ক অবরোধ করে।এ বিষয়ে বেনাপোল বিজিবি ক্যাম্পের সুবেদার মোঃ সফিউর রহমান জানান,৪৯ব্যাটালিয়ন এর সিও গোপন সংবাদের ভিক্তিতে জানতে পারে আটককৃত ট্রাকের মধ্যে অবৈধ মালামাল রয়েছে সে সংবাদের ভিক্তিতে আমরা ট্রাকগুলো আটক করি। ৩টি ট্রাক ক্যাম্পে নিয়ে পন্যে গুলো যাচাই-বাছাই করে সঠিক পেলে ছেড়ে দেয়া হবে।আর যদি অবৈধ বা অতিরিক্ত কোন পন্যে থাকলে তা সরকারী নির্দেশ মেনে পরবর্তী পদহ্মেপ নেওয়া হবে।
সংবাদ লেখা পর্যন্ত সময়ে সোমাবার সকাল পর্যন্ত ১ টি ট্রাক এর মালামাল চেকিং সম্পন্ন হয়েছে তাতে উল্লেখযোগ্য গরমিল পাওয়া যায়নি। মঙ্গলবার সকল পক্ষ কে নিয়ে বিজিবির সিও কর্নেল আরিফ এক আলোচনা বৈঠকে বসবেন বলে আরো জানা যায়।প্রকাশ থাকে যে বেনাপোল সস্থ বন্দর দিয়ে কাস্টমস্ কর্মকর্তা,সি এন্ড এফ এজেন্ট ব্যবসায়ী ও বন্দর কর্তৃপক্ষের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলে প্রাইয় সরকারী রাজস্ব ফাকি দিয়ে বন্দর হতে আমদানী পন্য ছাড় করিয়ে থাকে। আর পতিমধ্যে এ সমস্ত পন্য আটক করে বিজিবি।