বেনাপোল সিমান্তে স্বর্নপাচারে হিড়িকে পুলিশের সহোযোগীতায় রাঘব-বোয়ালরা ধরা ছোয়ার বাইরে !

0
172

বেনাপোল প্রতিনিধি ।।

বন্দরনগরী বেনাপোল সিমান্তে চোরাই পথে বিভিন্ন রুট দিয়ে এমন কি সরাসরি কাস্টমস্ ইমিগ্রেশান দিয়ে বিভিন্ন পন্থায় স্বর্ন পাচারের হিড়িক পড়েছে।সম্প্রতি বেনাপোলে এক সপ্তাহের মধ্যে পরপর বিজিবি ও কাস্টমস্ শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যদের হাতে ধারাবাহিক ভাবে স্বর্ন উদ্ধারের ঘটনাগুলো এখন দেশের মিডিয়া ও পত্র-প্রত্রিকা গুলোতে লিড নিউজ এ প্রকাশিত হচ্ছে।যশোরের শার্শা উপজেলার বিভিন্ন সিমান্ত হতে বিগত বছর সহ চলতি অক্টোবর মাস পর্যন্ত বিজিবিও কাস্টমস্ শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের হাতে রেকর্ড সংখ্যক স্বর্ন উদ্ধার হলেও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ভ’মিকা বার বার প্রশ্নবিদ্ধ।সাফ্যল্যের বীপরীতে উল্টো বেনাপোল পোর্ট থানা হতেই তৎসময়ে কর্তব্যরত এ এস আই স্বর্নের বার নিয়ে পলায়নের প্রকৃত রহস্য আজও উদঘাটন করতে পারেনী পোর্টথানা পুলিশ।

বরং কেচো খুড়তে সাপ বের হওয়ার ভয়ে তদন্ত চাপা রেখেছে,এমনকী প্রশাসনের অন্য বাহিনীর হাতে আটক হওয়া স্বর্নপাচারকারীদের মামলা দিয়ে পোর্ট থানায় সোপর্দ করা হলেও বেনাপোল পোর্টথানা পুলিশের বিশেষ সেবা সুবিধায় অল্পদিনে জামিনে এসে পুনরায় চোরাচালানী কর্মে জড়ানোর অভিযোগে দুষ্ট।এ ঘৃনীত কর্মকান্ডের একাধিক দৃষ্টান্ত রয়েছে এলাকায় আজ পর্যন্ত আটক হওয়া পাচারকারীদের নিকট হতে প্রকৃত তথ্য নিয়ে স্বর্নপাচারে জড়িত রাঘোব বোয়ালদের আইনের আওতায় এনে শা প্রদানের ব্যাবস্থা করেনী স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন।

বেনাপোল সিমান্তের নাম ডাকী স্বর্নপাচারের হোতা পলাশ,কাপাস,আখের সহ অন্যান্যদের সাথে পোর্টথানা পুলিশের কর্মকর্তাদের সখ্যতার কথা এলাকাজুড়ে সমাদৃত।বেনাপোল পোর্ট থানার একাধিক কর্মকর্তা অনিয়ম করে একাধীকবার বদলী আদেশ রহিত করে পূনরায় বেনাপোলে অবস্থান করে পাচারকারীদের নিকট হতে বিপুল পরিমান অর্থবানিজ্যে তুষ্ট হয়ে তাদের কে সহোযোগীতা করে বিলাসবহুল বাড়ি,গাড়ীর মালিক হয়েছে অল্প সময়ে।এ সম¯Í অসাধু কর্মকর্তাদের কর্মকান্ডের খবর অনেকবার পত্র প্রত্রিকায় প্রকাশিত হলেও কার্যত দৃষ্টান্ত মূলক ব্যবস্থা গ্রহন করেননী খোদ পুলিশ প্রসাশনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।

বর্তমানে বেনাপোল পোর্ট থানা অনিয়ম ও দূর্নিতীর আখড়ায় পরিনত হওয়ায় এলাকার উৎশৃহ্মল যুবকেরা সহসায় বিভিন্ন অপরাধ কর্মে লিপ্ত হচ্ছে।ফলে বর্তমানে এলাকার আইন শৃহ্মলার অবস্থা নাজুক বেনাপোলে বর্তমানে স্বর্নপাচারকাজের ব্যাবসা রমরমা প্রত্যহ্ম ও পরোহ্ম ভাবে মিলছে পুলিশ প্রশাসনের সহোযোগীতা। প্রকাশ থাকে যে,১০ অক্টোবর মঙ্গলবার বিকালে পুটখালী সিমান্তে মসজিদ বাড়ি নামক এলাকা হতে বিজিবির ২১ ব্যাটালিয়ন সদস্যরা ১০পিচ স্বর্নেরবার সহ রিপন(১৯)কে আটক করেন।

গত ৬ ই অক্টোবর সকালে বেনাপোল কাস্টমস্ হাউসের শুল্ক গোয়েন্দা সদস্যরা মহিউদ্দিন ২৫(পাসপোর্ট নাম্বার বি এল এন-০৮০১৫৯৫)নামেরএক যাত্রী কে আটকিয়ে পায়ু পথে লোকানো অবস্থায় ১০ পিচ স্বর্নেরবার উদ্ধার করেছেন। একই দিনে ৬ অক্টোবর শুক্রবার বেনাপোল কাস্টমস্ হাউসের শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা মিজানুর (৩৮)পাসপোর্ট নাম্বার বি এম ০৯০০২৬৯ ও মাহাবুর(৩৭)পাসপোর্ট নাম্বার বি এম-০৩৩০৩৫৪ নামের দুই পাসপোর্ট যাত্রীকে আটকিয়ে ৭ পিচ স্বর্নেরবার উদ্ধার করেন।গত ৫ অক্টোবর বৃহষ্পতিবার সকালে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশানের শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা গোপন সংবাদে জনি(১৯)ও সুজন(২০) নামের দুই পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করে কোমরে বিশেষ ভাবে লুকায়িত অবস্থায় ৮ পিচ স্বর্নেরবার উদ্ধার করেন।

এছাড়া ও ৩০ ইমে ২০১৭ ইং সালে বর্ডারগার্ড বাংলাদেশ ৪৯ ব্যাটালিয়নের (বিজিবি)সদস্যরা ১০ পিচ স্বর্নের বার সহ এক পাচারকারীকে আটক,৫ইজুন২০১৭তারিখে বিজিবির ২১ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা ১০পিচ স্বর্নেরবার সহ এক স্বর্নপাচারকারীকে আটক করেন।১৫ ই জুলাই২০১৭ সালেবেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশান এলাকায় বেনাপোল কাস্টমস হাউসের শুল্ক গোয়েন্দা সংস্থারা ১১পিচ স্বর্নেরবার সহ এক মহিলা পাসপোর্ট যাত্রীকে আটক করেন।এ সকল স্বর্ন চোরা চালানীদের আইনি প্রক্রিয়ায় মামলা দিয়ে বেনাপোল পোর্টথানার মাধ্যমে কোর্টহাজতে প্রেরন করা হয়।কার্যত মামলার তদন্ত ভার স্থানীয় থানা পুলিশের হাতে বর্তালেও কোন অজানা রহস্যে এই সমচোরাচালানীদের সাথে জড়িত রাঘোব-বোয়লারা আইনের ফাঁদে ধরা পড়ে না তা বোধগম্য নয় স্থানীয়রা। আইনের প্রয়োগ ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকান্ডে স্বচ্ছতা রাখার দাবী জানিয়েছেন ভ’ক্তভোগী এলাকাবাসী।