মাদারীপুরে ভাংচুর লুটপাট : গর্ভবতী মহিলাসহ আহত-৩

0
293
নাজমুল হক, মাদারীপুর // মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার লক্ষীপুর ইউনিয়ন এর দাদপুর গ্রামে রোববার রাতে  পূর্বশত্রুতার জেরে রমিজউদ্দিনের বাড়িতে সন্ত্রাসী তান্ডব চালিয়ে ব্যপক ভাংচুর লুটপাট চালায় তারই আপন ভাতিজা সাবেক চেয়ারম্যান ফজলুল হক বেপারীসহ ৩০/৩৫ জনের একটি দল।
এসময় ঘরে থাকা রমিজউদ্দিনের স্ত্রী ফজিলা খাতুন (৫০), ছেলের বৌ তমা(২৩), ভাগনী হাসিনা গুরুতর আহত হন। আহতরা শরিয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী রমিজউদ্দিনের নাতনি আঁখি আক্তার বলেন আমরা সবাই বাসার মধ্যে ছিলাম, হঠাৎ দরজা ভাংঙার শব্দ পাই, দরজা ভেঙে ৩০/৩৫ জন লোক ঘরে ঢুকে যায় , সবার হাতে রামদা কাটালি বড় হাতুড়ি এসব ছিল। দরজা জানলা, আলমারি খাট সব আসবাবপত্র পিটিয়ে ভেঙে ফেলে। এসময় আলমারিতে রাখা নগদ ২,০০০০০ টাকা ও বাসার সকলের প্রায় ২০ ভোরি স্বর্ন নিয়ে যায়। আমরা ভয়ে চিৎকার করলে আমাদেরকেও মারধর করে। আমার মামি তমা আক্তার সে গর্ভবতী তাকেও অনেক মারধর করে ।
 এমনকি আমাদের বাথরুম ও ভেঙে গুরিয়ে দিয়েছে।
আমি এদের অনেককেই চিনতে পেরেছি , তার হলো, ফজলুল হক বেপারী, বাবলু বেপারী, জামাল বেপারী, রুমান বেপারী, আবু বেপারী।
অনুসন্ধানে একই চিত্র দেখা গেছে,দুর্বৃত্তরা রমিজউদ্দিনের  ঘরের দরজা, দেয়াল, সমস্ত আসবাবপত্র এমনকি চারটা বাথরুম সবই ভেঙে গুরিয়ে  দিয়েছে । দুর্বৃত্তরা পানির কলটাও খুলে নিয়ে গেছে।
রমিজউদ্দিন বেপারী ও ফজলুল হক বেপারী সম্পর্কে  আপন  চাচা ভাতিজা। তারা সবাই ড.আব্দুস সোবহান গোলাপ এর সমর্থক।
রমিজউদ্দিনের ছেলে নজরুল বেপারী বলেন,লুটপাট ভাংচুরে আমাদের প্রায় ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার পরে কালকিনি থানার এস আই মুরাদ হোসেন এসে দেখে গেছে। আমরা ফজলুল হক বেপারীসহ ২৫ জনকে আসামি করে মামলার প্রস্তুতি নিয়েছে।
উক্ত ঘটনা জানার জন্য ফজলুল হকের বাসায় গেলে তাকে পাওয়া যায়নি।
এ ব্যপারে কালকিনি থানার ওসি  মফাজ্জেল হোসেন  বলেন, আমরা আগামী কাল সকালে ওখানে যাবো, দেখি কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে। ব্যস্ততার কারণে এর বেশি কিছু বলতে পারেনি এ কর্মকর্তা।