মুক্তিযোদ্ধা রফিকুলের শেষ ইচ্ছা পুরন হবে কি?

0
156

স্টাফ রিপোর্টার ॥ যাদের জন্য আজ আমরা পেয়েছি একটি সুন্দর সবুজ বাংলার মানচিত্র। যার জন্য পৃথিবীর সব প্রান্তে গিয়ে বলতে পারি আমি বাঙালী। আমার ভাষা বাংলা।

একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক আমি।
অথচ, যাদের জন্য এতো সুন্দর একটি রাষ্ট্র উপহার পেলাম, আমরা তাদের জন্য কতটুকু সহযোগিতা করতে পেরেছি?

হ্যাঁ, বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ সহযোগিতা করছেন এবং নতুন নতুন পরিকল্পনা করে যাচ্ছেন ওই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য। সরকার যে সকল সহযোগিতা করে যাচ্ছেন তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য, মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, চিকিৎসার জন্য সহযোগিতা, সুদমুক্ত ব্যাংক লোন, অসহায় মুক্তিযোদ্ধা ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে জমি এবং বাড়ীসহ নানান সহযোগিতা করে আসছেন।

তবে প্রকৃত অসহায় মুক্তিযোদ্ধা বা মুক্তিযোদ্ধার পরিবার কতটুকু রাষ্ট্রীয় সহযোগিতা পেয়েছেন? এমন হাজারও প্রশ্ন অসহায় মুক্তিযোদ্ধাদের। এমনই একজন মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রফিকুল ইসলাম, পিতাঃ মৃত আঃ লতিফ মিয়া, বর্তমান ঠিকানা নগরীর হাসপাতাল রোড এর বাসিন্দা। মুক্তিযোদ্ধাকালীন ভারতের বিহারীর চাকুরিয়াতে ট্রেনিং নিয়ে বাংলাদেশে এসে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেন।

পরবর্তীতে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে স্বীকৃতি পায়। পাশাপাশি নিয়মিত মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা পাচ্ছেন। বর্তমানে শুধু মুক্তিযোদ্ধা সম্মানী ভাতা দিয়ে জীবিকা নির্বাহ করতে হচ্ছে পরিবার-পরিজন নিয়ে।

সংসারের ঘানি টেনে টানতে হবে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। ব্যক্তিগত কোন অর্থ বা সম্পত্তি না থাকায় মাথা গোজার জন্য বছরের পর বছর জেলা প্রশাসক ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডদের ধারে ধারে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। আজও সে মাথা খোঁজার মত একটুকু সম্পত্তি পাবে কি না সে নিজেও জানে না।

মুক্তিযোদ্ধা মোঃ রফিকুল ইসলাম জানান, মাথা গোজার মত কোন সম্পত্তি নেই ২০১৪ সাল থেকে সম্পত্তির আসায় ঘুরে বেড়াচ্ছি। জেলা প্রশাসক এর দপ্তরে গেলে কর্তৃপক্ষরা বলেন মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডার নেতাদের মাধ্যমে আসুন। মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতারা বলছেন দেখছি। তবে কবে দেখবেন সে বিষয় সে কিছুই জানেন না তিনি। তবে তার আশা হয়তো একদিন পেতে পারেন স্বপ্নের আবাসস্থল। রেখে যেতে পারেন সন্তানের মাথা গোজার স্থান।