মোবারক হো মাহে রমযান

0
54

মুহাঃ মনির হোসেন খান।।

কাল পহেলা রমযান। আত্মশুদ্ধি ও সংযম সাধনার বার্তা নিয়ে বিশ্ব মুসলিমের কাছে দীর্ঘ এক বছর পরে আবারো আমাদের মাঝে ফিরে এলো রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস মাহে রমযান। এ মাস কুরআন নাযিলের মাস। ইসলামী রীতি অনুযায়ী হিজরী সনের ৯ম মাস হলো মাহে রমযান। ইসলামের মূল স্তম্ভ্যের ৩য় স্তম্ভ্য সিয়াম-সাধনার মাস হলো মাহে রমযান।

রমযান শব্দটি রমজ ধাতু থেকে এসেছে। যার অর্থ জ্বালিয়েফেলা, পুড়িয়ে ফেলা। এই শব্দটির মধ্যে সিয়াম-সাধনার তাৎপর্য লুকায়িত আছে। দীর্ঘ একটি মাস সিয়াম-সাধনার পরে মানব দেহে যে অসৎ গুনাবলী রয়েছে রোযা তাকে জ্বালিয়ে-পুড়িয়ে শেষ করে দেয়। এ মাসের ফযিলত সম্পর্কে হাদীস শরীফে এসেছে-‘যে বান্দা আল্লাহর সন্তষ্টি অর্জনের জন্যে আল্লাহর রাস্তায় একদিন রোযা রাখে আল্লাহ তাঁর মাঝে এবং জাহান্নামের মাঝে ৭০ বছরের দূরত্ব তৈরী করেন। বুখারী শরীফ-১৮৯৪ নং হাদীস।

রোযা শুধু আমাদের উপরেই ফরজ নয়; পূর্ববর্তী উম্মতদের উপরেও রোযা ফরয ছিল। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন-‘হে ঈমানদারগণ! তোমাদের উপর রোযা ফরয করা হয়েছে, যেমনিভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর, যাতে তোমরা মুত্তাকী হতে পার। সুরা বাক্বারা-১৮৩

এ মাসে জান্নাতের দ্বার সমূহ খুলে দেয়া হয় এবং জাহান্নামের দ্বার সমূহ বন্ধ করে দেয়া হয়। একই সাথে শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা হয়। কথিত আছে পহেলা রমযান হযরত ইব্রাহীম (আঃ) এর উপর ১০ খানা সহীফা নাজিল হয়।

আসুন আমরা যারা মুমিন মুসলমান দাবীধার তারা সিয়াম-সাধনার মাধ্যমে আত্মিকভাবে নিজেকে গড়ে তুলি। একই সাথে বরকতময় মাসে আল্লাহ তায়ালা রব্বুল আলামিনের দরগাহে এই দোয়া করব যাতে করে দীর্ঘ এক মাস সিয়াম-সাধনা করে আল্লাহ তায়ালা সন্তষ্টি অর্জন করতে পারি। আমীন।