মৌলভীবাজারে শ্রীমঙ্গলে রামনগরে বিশাল পরিসরে দেবী লক্ষী’র পূজা

0
22

ষ্টাফ রিপোর্টার ,(মৌলভীবাজার)।।

এবার শ্রীমঙ্গলের সবচেয়ে বড় লক্ষী পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে শ্রীমঙ্গলের রামনগরস্থ শ্রীশ্রী লক্ষী নারায়ন পূজা উদ্যাপন পরিষদের লক্ষী পূজা। শ্রীশ্রী লক্ষী নারায়ন পূজা উদ্যাপন পরিষদ এর সদস্য, সুমন দেবনাথ ও যতন দেবনাথ এর সাথে কথা বলে জানা যায় গত তিন বছর ধরে তারা অনেক জাঁকজমক ভাবে লক্ষী পূজা করে থাকেন। এখানে পূজায় উপজেলার অনেক জায়গা থেকে লোকজন আসে। এখানে পূজার পাশাপাশি পালাকির্তন অনুষ্টিত হয় । পালাকির্তনে মানুষের ঢল নামে।

ধন-সম্পদের দেবী শ্রী লক্ষ্মীর আরাধনায় মেতেছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। বিভিন্ন মন্ডপ ও মন্দিরের পাশাপাশি প্রতিটি বাঙালি হিন্দুর ঘরে ঘরে পূজিত হয়েছেন দেবী লক্ষ্মী। হিন্দু ধম্বালম্বীরা বিশ্বাস করে দেবী লক্ষী ধরনীতে আসায় ধন সম্পদে পূর্ণবান হয়ে। অন্নপূর্ণার আলতা রাঙা পায়ের চিহ্ন আঁকা হবে ঘরে ঘরে। ধন-সম্পদের আশায় হিন্দু নারী ও পুরুষেরা উপবাস ব্রত পালন করেন। ফুল ফল মিষ্টি নৈবেদ্য দিয়ে আরাধনা করবেন লক্ষ্মী । দেন পুস্পাঞ্জলী।

লক্ষ্মী হিন্দুদের ধনসম্পদ, আধ্যাত্মিক ও পার্থিব উন্নতি, আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, উর্বরতা, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দয্যের দেবী। শারদীয় দুর্গোৎসব শেষে প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে সনাতন ধর্মবলম্বীরা ধন সম্পদের দেবী মা লক্ষীর কৃপালাভের লাভের আশায় এ এ পূজা করেন। শাস্ত্রীয় বিধান অনুসারে ফুল-জল-বিল্বপত্র সহকারে ব্রাক্ষণ পুরোহিত মন্ত্র উচ্চারণের মাধ্যমে পূজা সম্পন্ন করেন। আবার অনেক গৃহিনী লক্ষীর পাচালী পড়েও পূজা দেন।ক্ষ

সমৃদ্ধির দেবী লক্ষীর আরাধনায় মূল পূজারী নারীরা। পূজা অর্চনার পাশাপাশি ঘরবাড়ির আঙিনায় আকা হয় লক্ষীদেবীর পায়ের ছাপসহ বিভিন্ন আলপনাও। সেই সঙ্গে সন্ধ্যায় ঘরে ঘরে প্রজ্বলিত হয় প্রদ্বীপ গৃহস্থের সাধ ও সাধ্যের মেলবন্ধন ঘটিয়ে মা লক্ষীকে সন্তুষ্ট করার প্রয়াস যেমন থাকে তেমনি বিভিন্ন মন্দির এবং মন্ডপেও আয়োজন করা হয় লক্ষীপূজার। মা আসবেন ধরনীতে ধন সম্পদে পূর্ণবান হয়ে। অন্নপূর্ণার আলতা রাঙা পায়ের চিহ্ন আঁকা হবে ঘরে ঘরে। ধন-সম্পদের আশায় হিন্দু নারী ও পুরুষেরা উপবাস ব্রত পালন করেন। ফুল ফল মিষ্টি নৈবেদ্য দিয়ে আরাধনা করবেন লক্ষ্মী ।

লক্ষ্মী হিন্দুদের ধনসম্পদ, আধ্যাত্মিক ও পার্থিব উন্নতি, আলো, জ্ঞান, সৌভাগ্য, উর্বরতা, দানশীলতা, সাহস ও সৌন্দয্যের দেবী। বাঙালি হিন্দুদের বিশ্বাসে লক্ষ্মীদেবী দ্বিভূজা। তার বাহন হচ্ছে পেঁচা। অবশ্য বাংলার বাইরে লক্ষ্মীর চতুর্ভূজা কমলে-কামিনী মূর্তিই দেখা যায়। শারদীয় দুর্গোৎসব শেষে প্রথম পূর্ণিমা তিথিতে সনাতন ধর্মাবলম্বীরা লক্ষ্মীপূজা করে থাকেন। বাংলাদেশে চান্দ্র আশ্বিন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে অর্থাৎ কোজাগরী পূর্ণিমায় দেবী লক্ষ্মীর আরাধনা করা হয়ে থাকে। এছাড়া প্রতি বৃহস্পতিবার সধবা স্ত্রীগণ লক্ষ্মীর পূজা করে থাকেন।