মৎস্য কর্মকর্তা ইলিশ বিমল’র অবৈধ বাণিজ্য!

0
210

স্টাফ রির্পোটার ॥ রক্ষক জখন ভক্ষক তখন আর কি করা। কথায় আছে যাকে দিয়ে ভূত ছাড়াবে তাকেই পাইছে ভূতে। সেই কথার সাথে মিলে গেল বরিশাল মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস এর কর্মকান্ডের সাথে। তিনি কাজে নয় বরন টাকায় বিশ্বাসী। অভিযোগ উঠেছে র্দীঘদিন যাবত একই দপ্তরে কর্মরত থাকা কালীন থাকার সুবাদে অবৈধ পাচার চক্রের সাথে জড়িয়ে পরছেন বিমল।

অবৈধ রেনুপোনা ও ঝাটকা ইলিশ পাচারে বিভিন্ন পরিবহন ও নৌ পথে ট্রলার বা লঞ্চ থেকে মোটা অংকের মাসহারা নিয়ে পাচার কাজে সাহায্য করছেন মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বরগুনার আমতলী, তালতলী ও পটুয়াখালীর কলাপাড়া, মহিপুর, কুয়াকাটা ও আলীপুরের থেকে আসা বিভিন্ন পরিবহন করে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ টাকা জাটকা ইলিশ মাছ সাতক্ষীরা ,খুলনা, ভোলাসহ বিভিন্ন জেলায় মাছ পাচার হচ্ছে ।

সরকার যখন জাটকা ইলিশ রক্ষা করার জন্য কোটি কোটি টাকা ব্যয় করছে, ঠিক তখনি সরকারে সেই কথাকে তোয়াক্কা না করে হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতিমাসে লক্ষ লক্ষ টাকা। বরিশাল পোর্টরোডের এক মৎস্য ব্যবসায়ী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানান, দক্ষিণাঞ্চল থেকে আসা বেপারী, মেঘনা, অন্তরা, সুগন্ধা পরিবহন সহ বেশ কিছু পরিবহনে আসে অবৈধ জাটকা ইলিশ। আর সেই জাটকা না ধরার জন্য মৎস্য কর্মকর্তা বিমল চন্দ্র দাস কে গাড়ি প্রতি ২শ থেকে ৩শ টাকা করে মাসহারা দিতে হয়।

তিনি আরো অভিযোগ করে বলেন, টাকা দিয়ে প্রশাসন, মৎস্য কর্মকর্তা সহ সবাইকে ম্যানেজ করতে হয়। অভিযোগ উঠে বিমল সরকারের বেতন নিয়ে সরকারের সাথেই বেইমানি করছেন এই মৎস্য কর্মকর্তা। সরকারী নিয়ম অনুযায়ী জাটকা ইলিশ সাধারনত ২৫ সেন্টিমিটার বা ৯ ইঞ্চির কম জাটকা বলে।

তবে একাধিক মাছ ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,বিমল চন্দ্র জাটকা ইলিশের কথা বলে অভিযানের নাম করে ২৫ সেন্টিমিটার বা ৯ ইঞ্চির বড় মাছ আটক করে। আবার অনেক সময় সোর্সের মাধ্যমে বিমল চন্দ্র দাস ৫০থেকে ১২০ কেজির ও বেশি জাটকা ইলিশ মাছ বিক্রি করে অর্থ আদায় করে। অপরদিকে সূত্র জানায়,বরিশাল জেলার বিভিন্ন নদী থেকে অবৈধ কারেন্ট জাল আটক করে বরিশাল আনার পথে হাজার হাজার টাকার জাল হাওয়া করে দেয় তিনি।

এবিষয় মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস প্রতিবেদকে জানান,তার বিরুদ্ধে সকল অভিযোগ মিথ্যা। তা ছাড়া তিনি অভিযানে গেলে সাথে প্রশাসন নিয়ে যায় বলে দাবি করেন ।