রাতের গল্প……মুরগীর ডিম দিতে অস্বীকৃতি ……..উটপাখির ডিমের সন্ধানে কারা কতৃপক্ষ !!!!

0
57

জেল খানায় সাজসাজ রব, আকাংখিত অতিথির আগমন ৪০ বছর পরে।

জেলার সাহেবের চোখ চকচক করছে, ডিম নিয়ে খেলা করার এমনতর সুযোগ আর আহবান এর আগে কখনো বোধ করেননি …………….এতদিন ডিম নিয়ে খেলা করার কাজটা দেখা শোনা করত তার ডেপুটিরা, আজ আর অন্য কাউকে তিনি সুযোগ দিবেননা, নিজেই ডিম নিয়ে মাঠে নামবেন । ।

জেলার সাহেবের হঠাৎ মনে হল ডিম নিয়ে এই খেলার জন্য নিজের পছন্দমত ডিম তিনি নিজেই সংগ্রহ করবেন।

তার বউ এর শখ করে সরকারি জমিতে পালা আর যে মুরগির পিছনে এক সরকারি কর্মচারীর সারা দিন কেটে যায়, তিনি ভাবলেন প্রথমে ঘরের ডিম দিয়ে ট্রাই করলে মন্দ হবেনা, তার বাসার ডিমের জন্য এটা বিশেষ সৌভাগ্য, সারাজীবন গর্ব করে বলতে পারবেন। বউ তার মুগীর খাচার সামনেই ছিল, স্বামীর হঠাৎ ডিম চাওয়াই তিনি কিছুটা অবাক।

জেলার সাহেব খুব আগ্রহ নিয়ে বউকে জানাল কি জন্য তার ডিম দরকার। বউ ক্ষেপে গিয়ে অস্বীকার করল কোন ডিম দিতে, সে ঘোসনা দিল এই ধরনের কাজের জন্য আমার মুরগীর ডিম দিবনা, আমার ডিমের মানইজ্জত আছে, অমননিকৃস্ট লোকের পেছনে এই ডিম ব্যবহার হটে পারেনা…………..ডিমের ও সন্মান বলে একটা জিনিস আছে।

বউ এর কাছে পরাস্ত হয়ে বেচারা তার অঢীনের এক কর্মচারি যে কিনা হাঁস পালে তার কাছে ধরনা দিল, বিস্তারিত শুনে সে জানাল স্যার এরপর থেকেত তাঃলে আমি আর হাঁসের ডিম ই খেতে পারবোনা, এটা হাঁসের জন্য অপমানকর, এই গ্লানি সে বইতে পারবেনা । ।

আরেক জনের কাছে এইবার সে ধরনা দিল, যে কিনা কোয়েল পাখি পালে। সে হাসতে হাসতে বলল স্যার কোয়েলপাখির ডিম অনেক ছোট হয়ে যায়………..এর জন্য দরকার উট পাখির ডিম।

জেলার সাহেব চিন্তিত হয়ে পড়লেন, এখন উট পাখির ডিম কই পাবেন তিনি, উট পাখি কেউ পালে বলেওত তিনি শুনেন নাই, তবে আইডিয়া তার পছন্দ হইছে, ডিব যেহেতু সবচেয়ে বড় ডিমটায় দেয়া বেটার । এগিয়ে আসলেন আরেক সহকর্মী, জানালেন মতি মিয়ার কাছে উটপাখি আছে ।

জেলার সাহেবের চোখ চকচক করে উঠল, তিনি বের হলেন মতি মিয়ার সন্ধানে , মতি মিয়ার বাসায় গিয়া কোন উটপাখি তার চোখে ও পড়লোনা, মতি মিয়ারও দেখা পেলেননা ।এদিক উদিক ঘুড়ে হঠাৎ ডিমের মত অনেক বড় সাইজের জিনিস চোখে পড়ল তার ।

সেগুলোর কাছে গিয়ে তিনি দেখলেন একটা ডিমের আড়ালে মতি মিয়া লুকিয়ে আছে, জেলার তো অবাক ঘটনা কি।যাই হউক তিনি মতি মিয়াকে জানালেন তার একটা ডিমের দরকার, কেন সেটা বললেন। মতি সরি বলে জানাল,এই ডিম শুধু মাথা গুজে নিজেকে আড়াল করার জন্য, অন্য কাজে দেয়া যাবেনা……..

জেলার সাহেবের মেজাজ খারাপ হয়ে গেল, তিনি তার সিকিউরিটিকে ডাকলেন , বললেন মতিকে বালি এনে দাও আর ডিম গাড়িতে তোল……..আসার সময় ওর রুমের বাতিও বন্ধ করে দাও । ।

জেলার সাহেব মনে মনে এমন একটা ডিম চাইছিলেন………