শিশু শিক্ষার্থীদের বিস্কুট নিয়ে শিক্ষকদের ব্যবসা!

0
97

স্টাফ রিপোর্টার ॥ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিস্কুট না দিয়ে বাজারজাতের চেষ্টা করে জনতার হাতে পাকড়াও। ঘটনাটি বাকেরগঞ্জ কলসকাঠি দিয়াতলি হাওয়াদার বাড়ীর সমূর্খে ৯৩ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মলিন কুমার মন্ডল ও দপ্তরি জসিম খানের বিরুদ্ধে সরকারী বিস্কুট আত্মসাত করার অভিযোগ উঠে।

এদিকে র্দীঘদিন যাবত শিক্ষার্থীদের বিস্কুট না দিয়ে অন্যতায় বিক্রি করার অভিযোগ উঠে আসলেও প্রভাবশালীদের চাপের মূখে কথা বলতে সাহস পাননি কেউ। শিক্ষার্থী ও শিক্ষার্থীদের অভিবাবকরা বিস্কুট না দেয়ার কারন জানতের চাইলে স্কুলের প্রধান শিক্ষক মলিন কুমার মন্ডল বারবার বলে আসছেন সরকার বিস্কুট বন্দ করে দেয়।

বৃহস্পতিবার (০৫/০৪/২০১৮) ইং তারিখ দুপুরের দিকে স্কুলের পাশ্ববর্ত্বী রফিক মৃধার বাড়ী থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকার সরকারী বিস্কুট মজুত করা আছে জানতে পেয়ে স্থানীয়রা সংবাদকর্মিদের খবর দেয়।

সংবাদকর্মি ও স্থানীয়দের তোপের মূখে রফিক মৃধার বাড়ী থেকে বিস্কুট গুলো শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুলে নিয়ে যায় প্রধান শিক্ষক মলিন কুমার মন্ডল ও দপ্তরি জসিম খান।

স্থনীয় সূত্রে জানা যায় ৩ থেকে ৪ মাস পূর্বে ৯৩ নং সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী পদে মো. জসিম খাঁন যোগদান করার পরপরই জসিমের বিরুদ্ধে নানান অভিযোগ উঠে।

অনুসন্ধানী এক ভিডিও চিত্র দেখা যায় স্কুলের শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্কুল ঝাড়– দেয়া টয়লেট পরিস্কার সহ বিভিন্ন কাজ করাচ্ছেন ওই কাজে নিয়োজিত থাকা দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী জসিম।

শিক্ষার্থীরা জানান জসিমের নির্দেশে তাদেকে স্কুল পরিস্কার কাজ করতে হয় এবিষয় স্কুলের শিক্ষকদের একাধিকবার বলেও কোন কাজ হয়নি। শিক্ষকরা শিশু শিক্ষার্থীদের কথা কোন কর্নপাত করছেন না বিদায় শিশুশিক্ষার্থীরা জসিমের ভয়ে কাজ করছেন।

জসিম অভিযোগের বিষয় অস্বিকার করে বলেন স্থানীয়দের জসিমের সাথে ভুল বুঝা বুঝি চলে আসছে এরই ধারাবাহিকতায় তাকে হয়রানি করে আসছে একটি মহল।

এদিকে স্কুল প্রধান শিক্ষক মলিন কুমার মন্ডল বিস্কুট আত্মসাতের বিষয় স্বীকার করে বলেন ভুল হয়ে হয়েছে পাশাপাশি তিনি বলেন ওইদিন অথাৎ (বৃহস্পতিবার) এবিষয় সংবাদ প্রকাশ না করার জন্য সাংবাদিকদের সাথে সমজতার বৈঠক হয়েছে বলে প্রধান শিক্ষক মলিন কুমার মন্ডল জানান।

দপ্তরি জসিমের নির্দেশে শিক্ষার্থীরা স্কুল পরিস্কার করছেন এবিষয় জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মলিন কুমার মন্ডল বলেন জসিমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বাকেরগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হবে। এবিষয় প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার শফিউল আলম এর মুঠোফোনে চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।