শ্রীমঙ্গলে ৬ষ্ট বারের মত আগাম দূর্গা পূজা শুরু

0
22

ষ্টাফ রিপোর্টার (মৌলভীবাজার)।।

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ইছামতি চা বাগানে মঙ্গলচন্ডীর থলীতে পৌরানিক নিয়ম অনুযায়ী দেবী দূর্গার নয়টি রূপে দশ দিন ব্যাপী পূর্জাচ্চর্নার প্রথম দিন শনিবার দুপুরে দূর্গাদেবীর শৈলপুত্রী রূপে পূজা শুরু হয়।

অশুভ শক্তির বিনাশ আর দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি কামনায় শনিবার থেকে পুরাণ চন্ডির বর্ণনানুযায়ী দশভোজা দেবীর ৯টি রূপের কাঠাম তৈরী করে এ পূজার আয়োজন হয়েছে। আর এ পূজাতেও রয়েছে বৈচিত্রতা। ব্যাতিক্রমী এ পূজা দেখতে প্রথম দিন থেকেই ভক্তরা ভীড় করছেন সেখানে।

বৈদিক বিধান অনুযায়ী দেবী দূর্গার রয়েছে ৯টি রূপ। প্রথম দিন দেবীর শৈলপুত্রী রূপে পূজা করা হয়েছে। এভাবে ব্রক্ষচারিনী, চন্দ্রঘন্টা, কুস্মান্ডা, স্কন্দমাতা, কাত্যায়নী, কালরাত্রী, মহা গৌরি, ও সিদ্ধিধাত্রী রূপে দেবী দূর্গার পূজা করা হবে। অসুরদের দমন করে মা দূর্গা যেভাবে স্বর্গ রাজ্য জয় করেছিলেন ঠিক সেভাবে পৃথিবীর বর্তমান অশান্তি দূর করবেন এমনটাই আশা নিয়েই এবছর এ পূজার আয়োজন করেছেন বলে জানালেন পূজা কমিটির সহ সভাপতি সুরঞ্জিত দাশ। আর এ পূজা দেখতে শনিবার সকাল থেকেই মান্ডপে ভীর হচ্ছে প্রচুর দর্শনার্থীর। পূজার আয়োজকরা জানান, এই দেবস্থলিটি শ্রীমঙ্গলের সর্বাধীক প্রাচীন স্থাপনা হিসেবে পরিচিত। তারা জানান, প্রায় ৫শত বছর ধরে এখানে রয়েছে মঙ্গলচন্ডীদেবীর (দূর্গা) থলি। অনেকে শ্রীমঙ্গল নামের উৎপত্তিও এই শ্রী শ্রী মঙ্গল চন্ডীর থলি থেকে হয়েছে বলে মত প্রকাশ করেন ।

অসুরদের দমন করে মা দূর্গা যেভাবে স্বর্গ রাজ্য জয় করেছিলেন ঠিক সেভাবে পৃথিবীর বর্তমান অশান্তি দূর করবেন এমনটাই আশা নিয়েই এবছর এ পূজার আয়োজন করেছেন বলে জানালেন পূজা কমিটির সহ সভাপতি সুরঞ্জিত দাশ। আর এ পূজা দেখতে শনিবার সকাল থেকেই মান্ডপে ভীর হচ্ছে প্রচুর দর্শনার্থীর।

পূজা কমিটির সভাপতি পরিমল ভৌমিক জানান, এভাবে আগামী নবমী তিথি পর্যন্ত ( ১০ সেপ্টেম্বার) দেবীর ব্রম্ম্রচারিণী, চন্দ্রঘন্টা, কুষ্মান্ডা, স্কন্ধ মাতা, কাত্যায়নী, কালো রাত্রী, মহা গৌরী ও সিদ্ধিদাত্রী রূপে পূজা করা হবে।

পূজা কমিটির সাধারণ সম্পাদক ঝিনুক বৈদ্য জানান, এই ঐতিহাসিক স্থানটিকে ধরে রাখতে কয়েক বছর ধরে তারা এখানে দেবীর নবদূর্গা পূজা করে আসছেন। তবে এর স্থায়ী রুপ দিতে প্রয়োজন সরকারসহ দানশীলদের সহায়তা কামনা করেন।

নবদূর্গা আগামী ১১ অক্টোবর মঙ্গলবার দশমী পূজার মধ্য দিয়ে সারাদেশের সাথে মিল রেখে বিসর্জন করা হবে।