সরোয়ার-তাপস মামলার জালে, নিষ্পাপ সাদিক!

0
25
OLYMPUS DIGITAL CAMERA

সোহানুর রহমান ॥ বরিশাল সিটি নির্বাচনে ৩ জন প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতারণা, হত্যা-রাহাজানি, হামলা, ভাংচুর ও দুর্নীতিসহ বিভিন্ন মামলা রয়েছে।

আগামী ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য সিটি নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করা মেয়র প্রার্থীদের হলফনামাসূত্রে এই তথ্য প্রকাশ পেয়েছে। বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ারের নামে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে ১২টি মামলা।

তিনি দলের যুগ্ম মহাসচিব এবং বরিশাল মহানগর বিএনপির সভাপতি। ২০০১ সালের ৪ এপ্রিল ‘বরিশাল সিটি করপোরেশন আইন’ পাস হওয়ার পর ২০০২ সালের ২৫ জুলাই আনুষ্ঠানিকভাবে সিটি করর্পোরেশনের যাত্রা শুরু করলে ২০০৩ সালে ২০ মার্চ বিসিসির প্রথম নির্বাচনে বিজয়ী হয়েছিলেন সরোয়ার।

তৎকালীন সংবাদমাধ্যমগুলোর ভাষ্যমতে, বরিশাল সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে আসীন হওয়ার পর একাধারে জাতীয় সংসদের হুইপ এবং জেলা মন্ত্রীর ক্ষমতা ব্যবহার করে টেন্ডারবাজি ও চাঁদাবাজীতে জড়িয়ে পড়ে টাকার পাহাড় গড়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিধিবাম।

মেয়রের মেয়াদপূর্তির আগেই ১/১১’র রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে রাষ্ট্রক্ষমতায় বসা সেনাসমর্থিত সরকারের আমলে তিনি দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেপ্তার হন। তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় হত্যা, অস্ত্র ও চাঁদাবাজির ৩টি মামলা। সরোয়ারের বৈধ ব্যবসা বলতে শুধু ঠিকাদারী হলেও সরোয়ার ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের ৬ কোটি টাকার বেশি হিসাববহির্ভূত সম্পদের সন্ধান পেয়েছিল দুর্নীতি প্রতিরোধে গঠিত বিশেষ টাস্কফোর্স।

২০১৩ সাল পর্যন্ত তিনি এমপি ছিলেন ৫ বার। এ আমলগুলোতেও অতীত ইতিহাস না ঘেঁটে চোখ ফেরানো যাক বর্তমানে।

এবারের মেয়র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন কমিশনে মনোনয়নপত্র দাখিল করা ৮ প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে বিত্ত-বৈভবের মালিক অ্যাডভোকেট মজিবর রহমান সরোয়ার। গাড়ি, বাড়ি, ফ্ল্যাট এবং নগদ অর্থসহ বিপুল পরিমাণ অর্থবিত্তের মালিক তিনি। হলফনামা মোতাবেক, সরোয়ারের বার্ষিক আয় ৪৮ লাখ ৭০ হাজার ৯৮৮ টাকা।

এ ছাড়া নগদ অর্থ রয়েছে ১০ লাখ। শেয়ার-বন্ডসহ এসব খাতে তার জমা টাকার পরিমাণ ৮৫ লাখ টাকা। এ ছাড়া তা রয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা মূল্যমানের ৩টি ফ্ল্যাট ও একটি টিনশেড ঘর। রয়েছে দুটি প্রাইভেট কার এবং একটি জিপসহ তিনটি গাড়ি রয়েছে তার।

হলফনামায় দেয়া তথ্যানুযায়ী এসব গাড়ির দাম ৮২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। জমি রয়েছে মোট ৪.৬৩ একর যার দাম বর্তমান বাজারমূল্যে ধরা হয়েছে ১৬ লাখ ৯ হাজার ৪২৬ টাকা।

এ ছাড়া ৫০ তোলা সোনা এবং প্রায় ১৪ লাখ টাকার আসবাবপত্র রয়েছে তার। কোথাও কোনো দায় দেনা কিংবা ঋণ নেই মজিবর রহমান সরোয়ারের। সাবেক এই মেয়রের রয়েছে ৩টি আগ্নেয়াস্ত্র। এগুলো হচ্ছে- ৩২ বোর রিভলবার একটি, ৭ এমএম রাইফেল একটি এবং ২২ বোর রাইফেল একটি।

তবে মামলার প্রশ্নে সরোয়ার এবং বিএনপি নের্তৃবৃন্দের দাবি, ১২টির মধ্যে অধিকাংশ মামলাই রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণেদিত। তাঁকে হয়রানি করতে বিশেষ করে আন্দোলন সংক্রান্ত মামলাগুলোকে দেখানো হয়েছে নাশকতা হিসেবে। এদিকে ৮ মেয়র প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় বিত্তশালী জাতীয় পার্টির মনোনীত প্রার্থী ইকবাল হোসেন তাপসের বিরুদ্ধে রয়েছে ২টি প্রতারণার মামলা।

সোনালী ব্যাংকের ঢাকা রমনা শাখায় ঋণ খেলাপির অভিযোগে অভিযুক্তও এই গার্মেন্টস ব্যবসায়ী। নিজের হলফনামায় দেয়া তথ্যমতে, এই নেতার আয়ের উৎস ব্যবসা। বার্ষিক আয় ৫৪ লাখ ৮৮ হাজার ৪৮৫ টাকা। নগদ ৯৩ লাখ ৪৯ হাজার ৭৯৬ টাকাসহ বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানে জমা এবং বিভিন্ন ব্যবসায় বিনিয়োগের শেয়ার মিলিয়ে তার রয়েছে মোট এক কোটি ৬৪ লাখ ৮৭ হাজার ৯১৮ টাকা।

গাড়ি আছে একটি। হলফনামায় দেয়া তথ্যানুযায়ী তার মূল্য ১৯ লাখ ৯৯ হাজার ২৬৭ টাকা। ৬০ তোলা স্বর্ণ ছাড়াও তার রয়েছে ৫১ হাজার ৫৬৫ টাকার আসবাবপত্র। নিজস্ব জমি বা বাড়ি বলতে অবশ্য উল্লেখ করার মতো কিছু না থাকলেও তার ব্যাংকে রয়েছে ২৫ লাখ ১০ হাজার ২৩৩ টাকার ঋণ। আর তাতেই বাঁধ সাধলো নির্বাচন কমিশন।

তাপসকে ঋণ খেলাপি উল্লেখ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সিআইবি রিপোর্ট এসে পৌঁছেছে নির্বাচন কমিশনে। যার ভিত্তিতেই গতকাল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের প্রথম দিনে তাপসের মনোনয়ন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। টাকার কুমির বনে যাওয়া এই দুধের মাছি দলীয় মনোনয়ন ছিনিয়ে নেয়ায় বিষয়টিকে ভালোভাবে দেখছেন না জাপার নেতাকর্মীরা।

মানতে না পারলেও তাপসের টাকায় হাইকমান্ড বিক্রি হয়ে যাওয়ায় সংক্ষুব্ধ নেতাকর্মীরা মুখ খুলছেন না। এমনকি তাপসের সমর্থক হাবুল ঘনিষ্টরা অনেক নেতাকর্মীও অচেনা মুখকে প্রার্থী করার বিষয়টিভাল ভাবে নেয়নি। জাপা নেতা বশির আহমেদ ঝুনুতো স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বিদ্রোহই করে বসেছেন।

এমনকি দল ছাড়ারও হুমকি দিয়েছেন। এ নিয়ে জাপার ভেতরে ভেতরে তোলপাড় চলছে। তবেও ঝুনুরও হয়নি শেষ রক্ষা। নির্বাচন কমিশন সূত্র বলছে, বশির আহম্মেদ ঝুনু তাঁর ৩০০ ভোটার সমর্থকের তালিকা নির্বাচন অফিসে জমা দিলে যাচাই-বাছাই করতে গিয়ে ৩শ জন ভোটারের মধ্যে পাঁচজনের সঙ্গে যোগাযোগ করে নির্বাচন কমিশন।

সেই ৫ জনের একজন নিরক্ষর হলেও তাঁর স্বাক্ষর সংবলিত কপি সমর্থক ভোটার হিসেবে নির্বাচন অফিসে জমা দিয়েছিলেন তিনি। তা ছাড়া একজনের হদিসই পাওয়া যায়নি। এসব কারণে ফেঁসে গেছেন বশির আহম্মেদ ঝুনু, বাতিল করা হয়েছে তারও মনোনয়নপত্র। দুই প্রার্থীর ঋণ খেলাপি ও জালিয়াতিতে বিব্রত জাপার মহানগর নের্তৃবৃন্দ।

ক্ষুব্দ তৃণমূলের কর্মীরা জানিয়েছে বরিশালে জাপার অনেক সমর্থন থাকলেও নের্তৃত্ব দেয়ার মত যোগ্য কোন নেতা নেই। নির্বাচন কমিশন সূত্র বলেছে, মনোনয়নপত্র বাছাইতে বৈধ ও অবৈধ প্রার্থীদের বিরুদ্ধে কিংবা পক্ষে ৪ জুলাই পর্যন্ত বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আপিল করা যাবে।

বিসিসি নির্বাচনে প্রতিদ্বন্ধিতাকারী ৮ প্রার্থীর মধ্যে সবচেয়ে গরীব বাসদের মনীষা চক্রবর্তী মেহনতি মানুষের মাটির ব্যঙ্কের জমানো টাকায় নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেও হলফনামায় দেয়া তথ্য মতে তাঁর বিরুদ্ধে মারধর ও হত্যা চেষ্টা মামলাসহ বিশেষ ক্ষমতা আইনে আরো একটি মামলায় আদালতে বিচারাধীন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ব্যাটারিচালিত রিকশার উচ্ছেদ বন্ধ করা ও লাইসেন্স দেয়ার দাবিতে ১৯ এপ্রিল সকালে ব্যাটারি রিকশা শ্রমিক-মালিক সংগ্রাম কমিটি নগরীর অশ্বিনী কুমার হলের সামনে মানববন্ধনের আয়োজন কওে এ কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করে বাসদ ও অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা।

পরবর্তীতে তারা নগরীতে ভূখা মিছিল বের করে নগর ভবনে মেয়র বরাবর স্মারকলিপি দিয়ে ফেরার পথে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে ফজলুল হক এভিনিউ সড়কে অবরোধের চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে তাদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ লাঠিচার্জ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় এবং ঘটনাস্থল থেকে ৬ জনকে আটক করে।

রণক্ষেত্রে পুলিশের ৭ সদস্যসহ ২০ জন আহত হয়। বরিশালে সরকারি কাজে বাধা দেয়া ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে পুলিশের দায়ের হওয়া মামলায় ডা. মনিষা চক্রবর্তী ও প্রকৌশলী ইমরান হাবিব রুম্মনসহ ৬ জনকে কারাগারে পাঠিয়েছিল আদালত।

ওইদিন রাতে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে জননিরাপত্তা বিঘœ করা, পুলিশের ওপর হামলা এবং সরকারি কাজে বাঁধা দেয়ার অভিযোগ তুলে দায়েরকৃত মামলায় আটক ৬ জনকে মামলায় নামধারী ও অজ্ঞাত আরো ৫০-৬০ জনকে আসামি করা হয়ে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এমবিবিএস পাস মনীষা পেশায় একজন চিকিৎসক।

বরিশাল সিটি কর্পোরেশনে শিশুবান্ধব নগরীর আওতায় বিসিসি-আরবান প্রকল্পে চাকরি করলেও প্রায় ২ মাস আগে সিটি নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার লক্ষ্যে সেই চাকরিতে দিয়েছেন ইস্তফা।

হলফনামায় কোন বার্ষিক কোনো আয় না দেখালেও ব্যক্তিগতভাবে ব্যাংকে জমা ২৭ হাজার ৫০০ টাকার মালিক মনীষার ৫ ভরি স্বর্ণালঙ্কার রয়েছে। পারিবারিকভাবে থাকা পাঁচ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্রের একজন অংশীদার তিনি।

এ ছাড়া অর্ধেক ভাগে দুই লাখ ৬৭ হাজার ৯০০ টাকার আরও একটি সঞ্চয়পত্র রয়েছে তার। নগদ জমা আছে অরো দেড় লাখ টাকা। কোনো জমি নেই। নেই ব্যাংক ঋণ কিংবা দায়দেনার বালাই।

গত সপ্তাহে বাসদেও সংবাদ সম্মেলনে দেয়া হিসাব অনুযায়ী, নির্বাচনী খরচ জোগাতে মাটির ব্যাংক নিয়ে পথে নেমে জনগণের পকেট থেকে প্রায় লাখ খানেক টাকা তুলতে পেরেছেন মনীষা।

এবার আসা যাক আ’লীগের মনোনীত প্রার্থী সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর বিষয়ে। মামলা, আগ্নেয়াস্ত্র কিংবা ব্যাংক ঋনের বোঝা নেই তার উপর। নেই সরোয়ার কিংবা তাপসের মত অঢেল টাকার ঝনঝনানি।

এবারকার মেয়র পদে মনোনয়ন দাখিল করা সাদিক নিজের সম্পদের বর্ণনাসহ হলফনামায় দিয়েছেন নানা তথ্য।

পেশায় একজন ব্যবসায়ী হিসেবে সাদিকের সম্পদ বলতে রয়েছে রাজউকের পূর্বাঞ্চলে একটি আবাসিক প্লট এবং ঢাকার নিকেতনে একটি ফ্ল্যাট। এ ছাড়া বাড়ি ভাড়া, ব্যবসা এবং বেতন বাবদ বছরে তার মোট আয় ৬ লাখ ১৫ হাজার ৪০০ টাকা। নগদ জমার পরিমাণ ছয় লাখ ৮১ হাজার। এ ছাড়া সঞ্চয়পত্র আছে দুই লাখ টাকার।

একটি রি-কন্ডিশন্ড মাইক্রোবাসেরও মালিক সাদিক। সরোয়ার কিংবা মণীষার মত কোন মামলার আসামী নন জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করা বশিরুল হক ঝুনু। তাপসের মত নেই কোন ঋণ বা দায়দেনার অভিযোগ। ব্যাবসায়ী ঝুনু থাকেন বাবার বাড়িতেই।

বাড়ি ভাড়া বাবদ বার্ষিক আয় দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা। ১০ ভরি স্বর্ণ আছে। সিপিবির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দাখিল করেছেন অ্যাড. আবুল কালাম আজাদ। আইন পেশায় বছরে তার আয় হয় দুই লাখ ৬০ হাজার টাকা।

নগদ জমা আছে ১১ লাখ ২০ হাজার। ৭ ভরি স্বর্ণ থাকলেও কোনো দায়দেনা ঋণ কিংবা জমিজমা নেই তার।

চরমোনাই পীরের সংগঠন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ’র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক মাওলানা ওবায়দুর রহমান মাহবুব। হলফনামা অনুযায়ী, মাহবুবের বার্ষিক আয় দুই লাখ ১৬ হাজার ৬০০ টাকা।

একটি যানবাহন আছে। স্বর্ণ আছে ৮ তোলা, ফ্রিজ ২টি এবং বন্দুক ১টি। ৬ শতাংশ অকৃষি জমিসহ টিনশেড একটি ঘর রয়েছে এ মেয়র প্রার্থীর। নেই কোন মামলা, দায়দেনা বা ঋণ। খেলাফত মজলিশের প্রার্থী একেএম মাহবুব আলমের বার্ষিক আয় ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৭৫০ টাকা। নগদ জমাকৃত অর্থের পরিমাণ ৬ লাখ ৩৪ হাজার ৭৫০ টাকা। ১.৩৮ একর জমির মালিক তিনি। আছে একটি আধাপাকা টিনশেড ঘর।

স্বর্ণ আছে ৮ ভরি এবং ল্যাপটপ ১টি। তবে কোনো দায়দেনা কিংবা ব্যাংক ঋণ নেই তার।

বরিশাল সিটির নগরপিতা হতে আগ্রহী প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা যথাক্রমে এলএলবি, বিএসসি, এমবিবিএস, স্বশিক্ষিত, বিএএলএলবি, দাওরা হাদীস এবং এমএ। মেয়র প্রার্থীদের হলফনামা যাচাই-বাছাই করে সৎ ও যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে ভোটারদের কাছে আহবান জানিয়েছেন সুজন-সুশাসনের জন্য নাগরিকের বরিশাল মহানগর সভাপতি শাহ-সাজেদা।

তিনি জানিয়েছেন, আগামী ১৩ জুলাই নগরীর অশ্বিনী হলে অনুষ্ঠিত মেয়র মুখোমুখি অনুষ্ঠানে হলফনামার তথ্য জনগণের মধ্যে বিতরণ করা হবে । যা নিয়ে প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে মেয়র প্রার্থীদের।

প্রতিবেদনের সকল তথ্য প্রার্থীদের হলফনামা থেকে সংগ্রহ করা হলেও এরপরও অনেক জনগণ এসব তথ্য শুনে বিস্ময় প্রকাশ করে বলেছেন হলফনামায় প্রার্থীরা অনেক সম্পদ গোপন করেছেন।

 

তবে নির্বাচনে কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন ও হলফনামায় তথ্য গোপন করলে এবং সুনির্দিষ্ট অভিযোগের প্রমাণ পাওয়া গেলে তাঁর বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বরিশালের জ্যেষ্ঠ সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা হেলাল উদ্দিন খান।