সীমালঙ্ঘন কারীদের অপেক্ষায় জাহান্নাম

0
18

ধর্মীয় ডেস্ক।।

জাহান্নাম শব্দটি আরবি,অবশ্য পবিত্র কুরআনে এটাকে “নার” বলেও উল্লেখ করা হয়েছে । ফার্সি ভাষাই যাকে বলে দোযখ ।এ সবগুলিরই আভিধানিক অর্থ দুঃখময় স্থান।আর পরিভাষাই শেষ বিচারের দিন যারা অপরাধী বলে সাব্যস্ত হবে,তাদেরকে শাস্তি দেয়ার জন্য যে স্থান আল্লাহ প্রস্তুত করে রেখেছেন তাকেই জাহান্নাম বলে ।

*মহান আল্লাহ আল কুরআনে বলেছেন-“ নিশ্চয় জাহান্নাম সীমালঙ্ঘন কারীদের আশ্রয়স্থল রূপে প্রতীক্ষাই থাকবে।সেখানে তারা যুগ যুগ ধরে অবস্থান করবে।সেখানে তারা ফুটন্ত পানি ও পুঁজ ছাড়া ঠাণ্ডা এবং কোন পানীয় আস্বাদন করবে না।সেটাই তাদের উপযুক্ত প্রতিফল।তারা কখনো হিসেবের আশা করতো না এবং তারা আমার আয়াত সমূহকে পুরোপুরি মিথ্যারোপ করত”। (সুরা-নাবা,২১-২৮)

*মুহাম্মাদ সাঃ বলেছেন-“ তোমাদের এ পৃথিবীস্থ আগুন তাপের দিক দিয়ে জাহান্নামের আগুনের সত্তর ভাগের একভাগ ।প্রশ্ন করা হল,হে আল্লাহর নবি!কেন,এ আগুনই কি যথেষ্ট ছিলোনা ?জবাবে নবীজি সাঃ বললেন,দুনিয়ার আগুনের চেয়ে জাহান্নামের আগুণকে (পোড়ানোর শক্তির দিক দিয়ে)উনসত্তর ভাগে বৃদ্ধি করা হয়েছে।এর প্রতিটি ভাগই আলাদা ভাবে দুনিয়ার আগুনের সমতুল্য”। (বুখারি,মুসলিম)

*প্রকৃত পক্ষে- আল্লাহর আদেশের বিরুদ্ধ চারণকারীরাই অনন্ত কাল ধরে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করবে। তাছাড়া জাহান্নামে পাপীদের অবস্থা এমন হবে যে সেখানে তারা মরবেও না বাঁচবেও না। মনে রাখবেন, জাহান্নামের শাস্তি থেকে পরিত্রাণ পেতে সেদিন কেও যদি পৃথিবীতে যা কিছু আছে (এ সবকিছু) এবং এর সমান বস্তু ও যদি এর সাথে দিতে চায় তবুও তা তাদের পক্ষ থেকে গ্রহণ করা হবেনা। তায় আসুন,হে আদম সন্তানেরা- কুরআন ও সুন্নাহর পথ অনুসরণ করে জাহান্নামের পথ ছেড়ে জান্নাতের পথে পা বাড়াই।

**মনে রাখবেন-স্রষ্টার অবাধ্য হয়ে সৃষ্টির কোনও আনুগত্য করা করা যাবেনা**