অবশেষে তদন্তের নামছেন মুলাদীর সেই সরকারী জমি দখলকারীর বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক

0
188

স্টাফ রিপোর্টার ॥ শ্বশুরকে স্বামী সাজিয়ে ভূমি অধিগ্রহণের অর্থ আত্মসাত! ওই জমিতে থাকা কয়েক লাখ টাকার সরকারী গাছ কেটে লুট-পাটের পর সরকার কর্তৃক অধিগ্রহণের সেই জমি দখলের মিশনে নামেন স্থানীয় একটি গ্রুফ।

প্রথমে এবিষয় মুলাদী থানায় লিখিত অভিযোগ দেন স্থানীয় বাসীন্দা মো: আরিফ হোসেন। ওই অভিযোগ পত্র জমা দেয়ার পরেও পুলিশের পক্ষ থেকে কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় আরিফ হোসেন বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক,উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জেলা পুলিশ সুপার,স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয় সহ একাধিক দপ্তরে লিখিত আবেদনপত্র দাখিল করেন।

লিখিত আবেদনপত্রে উল্লেখ করেন, মুলাদী আড়িয়াল খাঁ নদীর উপরে র্নিমাণাধীণ ব্রীজের পশ্চিম পার্শ্বে কাচিচর-সাহেবেরচর দাখিল মাদ্রাসার সামনের বরিশাল জেলার মুলাদী থানাধীন কাচিরচর মৌজার জে.এল.নং-১১,এসএ খতিয়ান নং- ১১৩,এসএ দাগ নং ৬০৯ এর মোট ৩২ শতাংশ জমি বিবাদীগণ সরকারের

 

কাছে হস্তান্তর করিয়া জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে ওই এলাকার মো: আব্দুল ছালাম হাওলাদার,হালিমা বেগম, মো: আল আমিন হাওলাদার সর্ব পিতা: জেন্নাত আলী হাওলাদার ও একই এলাকার মজিবর হাওলাদারের ছেলে মো: রাসেদ হাওলাদার টাকা উত্তোলন করে ইতিপূবে আত্মসাত করেছেন।

বর্তমানে উক্ত জমি পুনরায় ভোগ দখল করার পায়তারা করছেন। এমনকি উক্ত জমিতে থাকা সরকারী গাছও কেটে দিয়েছেন তারা।

এরই ধারাবাহিকতায় চলতি বছরের প্রথম দিকে সরকারী জমি দখল করার জন্য ইট দিয়ে বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণ শুরু করেন। অভিযোগকারী আরিফ হোসেন সহ স্থানীয় লোকজন বাধা দিলে বিবাদীরা লাঠি সোঠা নিয়ে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদান করেন।

ঘটনার দিন সরকারের সম্পত্তি অবৈধ দখলবাজদের কাছ থেকে মুক্ত করতে ঘটনার দিন মুলাদী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আরিফ হোসেন। তবে পুলিশ সহ সংশ্লিষ্ট্র কর্তৃপক্ষের নিরব ভুমিকায় দখল করে নেন উক্ত সম্পত্তি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক,স্থানীয় একাদিক ব্যক্তি জানান,এই এলাকার বিএনপি নেতা হান্নান,সাইফুল ইসলাম ও নুরুল ইসলাম নুরুর সহযোগিতায় অবৈধ ভাবে সরকারী জমি দখল করা হয়েছে।

বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের রাজস্ব শাখার সহকারী কমিশনার (রাজস্ব) জান্নাত আরা নাহিদ বলেন, তদন্তের বিষয় সাংবাদিকদের কোন তথ্য দেয়া যাবে না।

তথ্য জানতে হলে অভিযোগ কারীর আবেদন করতে হবে। তবে বরিশাল জেলা প্রশাসক কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে, গত মাসের ৩০ তারিখ বিভাগীয় কমিশনার অফিস থেকে একটি চিঠি পেয়েছেন,সাথে আবেদনপত্র বা বিস্তারিতর কোন কিছুই চিঠির সাথে উল্লেখ করা হয়নি।

 

তবে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের কর্তৃপক্ষ বিভাগীয় কমিশনার অফিসে যোগাযোগ করার পর আজকে আবেদনপত্রের বিস্তারিত তথ্য দিয়েছেন। বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে সরজমিন তদন্ত করে সংশ্লিষ্ট্র দপ্তরে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

এদিকে আবেদন কারী আরিফ হোসেন জানান,সরকারের সম্পত্তি বে-দখল হয়ে যাচ্ছে,আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসাবে বিষয়টি প্রশাসনের একাধিক দপ্তরে লিখিত ভাবে অবগতি করেছি, এখন পর্যন্ত কোন ব্যবস্তা না নেয়া আমি হতাশ।