আদালত পাড়ায়,মজা ও দুর্গন্ধময় পানিতে থই থই,কর্তৃপক্ষ নিরব

0
201

বরিশাল অফিস।।

পরিবেশ আইনে পুকুর-জলাশয় ভরাট নিষিদ্ধ থাকলেও তা মানছে না খুদ বিচারকরা যাদের কাছে সাধারন মানুষ বিচারের আশায় নেয় বিচার পাওয়ার জন্য যেয়ে থাকে তারাই এখন অপরাধি যদিও তাদের চোখে তারা এটা কোন অপরাধ না। কারন বিচারিক এরিয়া যত বড় হবে তাদের ততো ভাল সুবিধা হবে।

যেমনটা ঘটেছে বরিশাল জজ আদালত প্রাঙ্গণের শতবর্ষী পুকুরটি শেষ পর্যন্ত ভরাট করে ফেলা হচ্ছে।

এর প্রতিবাদ করতে গেলে স্থানীয় বাসিন্দাদের মানববন্ধনে হামলা চালান আইনজীবীরা। পরে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে আদালত চত্বরের দুটি গেট বন্ধ করে চলে ভরাট কার্যক্রম।

এ সময় সাংবাদিকদের ছবি তুলতে দেওয়া হয়নি।

গত শনিবার সকালে ফজলুল হক এভিনিউয়ে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

বরিশাল আদালতে পানি

পুকুরটি ভরাটে উচ্চ আদালতে পরিবেশবাদী সংগঠনের পক্ষ থেকে রিট করা হেলেও জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পুকুরটিকে ‘মজা ও দুর্গন্ধময়’ হিসেবে আখ্যায়িত করলে রিটটি খারিজ হয়ে যায়।

আইনজীবীদের দাবি, এটি সরকারি সম্পত্তি এবং এখানে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন নির্মিত হবে।

তবে বরিশাল সেন্ট পিটার্স চার্চের বাসিন্দাদের দাবি, এটি গির্জার সম্পত্তি। শেষ পর্যন্ত পরিবেশ আইন লঙ্ঘন করে আইনি প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পুকুরটিতে। পুকুরটি ভরাট করছে বরিশাল গণপূর্ত বিভাগ।

জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে যে পুকুরটিকে ‘মজা ও দুর্গন্ধময়’ হিসেবে আখ্যায়িত কছেন। আর সেই ‘মজা ও দুর্গন্ধময় পুকুরটি বরাট করার ফলে ‘মজা ও দুর্গন্ধময় পানিতে বড়ে গেছে আদালত পাড়া। চিকিৎসকদের মতে ‘মজা ও দুর্গন্ধময় পানি যদি হয় সেখানে লোকজন চলাচল করেন তা হলে বড় ধরনের রোগে আক্রন্তহয়ে পড়বেন।