এবার চীনে ‘হন্তাভাইরাস’, প্রাণ হারাতে পারে শয়ে শয়ে মানুষ

0
27

করোনাভাইরাসে প্রভাব যখন বিশ্বব্যাপী তখন নতুন ভাইরাসের আবির্ভাব দেখা দিলো চীনে। নতুন এ ভাইরাসের নাম হন্তাভাইরাস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন এ ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে এটাও করোনার মতো মহামারী রূপ নিতে পারে। মারা যেতে পারে শয়ে শয়ে লোক।

সোমবার চীনের ইউন্নান প্রদেশে হন্তাভাইরাসের আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে এক জনের। একটি বাসে ফিরছিলেন ওই ব্যক্তি। ওই বাসের ৩২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।

চীনের সরকারি সংবাদমাধ্যম গ্লোবাল টাইমসের খবরে বলা হয়েছে, ‘শেনডং প্রদেশ থেকে ইউন্নান প্রদেশে যাওয়ার পথে একটি বাসে মৃত্যু হয়েছে এক ব্যক্তির। হন্তাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছিলেন ওই ব্যক্তি। বাকি ৩২ জন যাত্রীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে।’

সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন অনুযায়ী, করোনাভাইরাসের পরিবারের অন্তর্ভূক্ত হন্তাভাইরাস। ইঁদুর ও কাঠবেড়ালিদের শরীরে থাকে এটি। আক্রান্ত হলে হতে পারে জ্বর, বমি, পেটে ব্যাথা, শুকনো কাশি ও শ্বাসপ্রশ্বাসের সমস্যা।

এদিকে করোনাভাইরাস বিশ্বের ১৯৫টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। এখন পর্যন্ত এই প্রাণঘাতী ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ৭৮ হাজার ৮৪৮ এবং মারা গেছে ১৬ হাজার ৫১৪ জন। অপরদিকে চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ১ লাখ ২ হাজার ৬৯ জন।

করোনাভাইরাসে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ইতালিতে। ইউরোপের এই দেশটিতে মৃত্যুর মিছিল থামছেই না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটিতে নতুন করে ৬০১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে সেখানে মৃত্যু ৬ হাজার ৭৭।

দেশটিতে নতুন করে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৭৮৯। ফলে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৬৩ হাজার ৯২৭। এছাড়া চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছে ৭ হাজার ৪৩২ জন।

এখন পর্যন্ত করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে চীনে। দেশটিতে মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৮১ হাজার ১৭১ এবং মারা গেছে ৩ হাজার ২৭৭ জন।

অপরদিকে যুক্তরাষ্ট্রে এখন পর্যন্ত আক্রান্তের সংখ্যা ৪৩ হাজার ৭৩৪ এবং মারা গেছে ৫৫৩ জন। স্পেনে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৫ হাজার ১৩৬ এবং মারা গেছে ২৩১১ জন। জার্মানিতে আক্রান্ত ২৯ হাজার ৫৬ এবং মৃত্যু ১২৩। ইরানে আক্রান্তের সংখ্যা ২৩ হাজার এবং মারা গেছে ১৮১২ জন।

ফ্রান্সে মোট আক্রান্ত ১৯ হাজার ৮৫৬ এবং মারা গেছে ৮৬০ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় মোট আক্রান্ত ৮ হাজার ৯৬১ এবং মৃত্যু ১১১। সুইজারল্যান্ডে আক্রান্তের সংখ্যা ৮৭৯৫ এবং মৃত্যু ১২০, যুক্তরাজ্যে আক্রান্ত ৬৬৫০ এবং মৃত্যু ৩৩৫, কানাডায় আক্রান্ত ২০৯১ এবং মৃত্যু হয়েছে ২৪ জনের।