গাড়িতে আরোহীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রযুক্তি

0
361
নিত্যনতুন প্রযুক্তি জীবনকে সহজ করেছে। জীবনের চলার গতি বাড়িয়ে দিতে গাড়ির জুড়ি মেলা ভার। অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রির আধুনিকায়ন হয়েছে। ফলে উন্নত প্রযুক্তির সংমিশ্রণে তৈরি হচ্ছে অত্যাধুনিক গাড়ি।
অটোমোবাইল ইঞ্জিনিয়াররা হাল ফ্যাশনের গাড়িতে প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। ফলে আশা করা যায় ভবিষৎতের গাড়ি মানুষের কল্পনাকেও হার মানাবে। একইসঙ্গে চালক ও আরোহীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে গাড়িতে ক্যামেরা, এয়ারব্যাগের মতো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে।
ইউএস ন্যাশনাল হাইওয়ে ট্রাফিক সেফটি অ্যাডমিনিস্ট্রেশন(এনএইচটিএসএ) নির্দেশ দিয়েছে এখন থেকে বাজারে নতুন আসা গাড়িতে ক্যামেরা সংযুক্ত করতে হবে।
বিশেষ করে গাড়ির পেছনে  যানবাহনের গতিবিধি নজরে আনার জন্য গাড়ির ক্যামেরা লাগানো বাধ্যতামুলক। ২০১৮ সালের মধ্যে আমেরিকার সব গাড়িতে ক্যামেরা বসানোর জন্য সময় বেধে দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
এনএইচটিএসএ দাবি করছে গাড়িতে ক্যামেরা বসানো হলে প্রতিবছর ৫৮ থেকে ৬৯ জন মানুষের জীবন রক্ষা পাবে।
এই ঘোষণার পর গাড়ি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান সাইড মিররের পরিবর্তে ক্যামেরা বসাচ্ছে। এতে করে গ্রাহকরা নিরাপত্তার প্রতি সচেতন হয়ে উঠছে। ফলে চালক ড্যাশবোর্ডের মনিটর থেকে গাড়ির পেছনের ট্রাফিক অনায়াসেই দেখতে পাচ্ছেন।
গাড়িতে ক্যামেরা বসানোর পাশাপাশি এয়ারব্যাগ সংযোজন করা হয়েছে। এতে করে দুর্ঘটনা ঘটলেও বড় ধরনের বিপদ থেকে আরোহী ও চালক রক্ষা পাচ্ছেন।
সম্প্রতি সিএনএন জানায়, অটোমোবাইলের সেফটি এয়ারব্যাগ উৎপাদনকারীরা নতুন ধরনের এয়ার ব্যাগ তৈরির ঘোষণা দিয়েছে। এটি দুটো গাড়ির মুখোমুখি কিংবা পাশাপাশি সংঘর্ষের হাত থেকে গাড়ির চালক ও আরোহীদের সুরক্ষিত রাখবে।
আমেরিকার ‘আটোলিভ’ নামের  একটি প্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন ধরে এয়ারব্যাগ তৈরি ও গবেষণা করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি নতুন এক ধরনের এয়ারব্যাগ বাজারে ছেড়েছে। যেটি গাড়ির ছাদ এবং উইন্ডশিল্ডে লাগানো যাবে। গাড়িটি দুর্ঘটনার মুখোমুখি হলে স্বয়ংক্রিয় ভাবে এটি খুলে যাবে। এয়ার ব্যাগ এয়ার পকেট তৈরি করে আরোহীদের বড় ধরনের চোট পাওয়া থেকে রক্ষা করবে।