জোর করে সাদা কাগজে স্বাক্ষর রাখলেন আশা’র ম্যানেজার সেলিম!সাংবাদিককে মামলার হুমকি

0
177

ইমরান হোসেন: গত ২৬ জুন শুক্রবার বরিশাল থেকে প্রকাশিত দৈনিক ভোরের অঙ্গীকার, দৈনিক সময়ের বার্তার অনলাইন ভার্ষন ও নিউজ৭ভিটি সহ বেশ কয়েকটি পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর নজরে আসে কতৃ পক্ষের।

এদিকে নিজেদের বাচাতে ভুক্তভোগীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর আনেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তরা।

বরিশাল নগরীর ৫নং ওয়ার্ডের আশা (পলাশপুর ব্রাঞ্চ) অফিস কতৃক সাধারন গ্রাহকদেরকে চাপ প্রয়োগ করে সরকারী নিয়ম অমান্য করে কিস্তি উত্তলনের বিষয়ে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংবাদ প্রকাশ

করা হয়।

সংবাদ প্রকাশের পরে আশা’র পলাশপুর ব্রাঞ্চের কর্মকর্তারা শুক্রবার দিন সেই গ্রাহকদের বাসায় গিয়ে তাদের উপর চাপ প্রয়োগ করে অফিসে নিয়ে আসেন।

তাদের কাছে উক্ত ঘটনার ক্ষমা চান। তবে ক্ষমা চাওয়ার এক পর্যায়ে তাদেরকে জানিয়ে দেওয়া হয় কাজটা কিন্তু ঠিক হয়নি।

আমাদের সাথে আপনাদের যা হয়েছে তা সম্পূন্যই ভুল ছিলো।

এদিকে আশা’র সেই পলাশপুর অফিসের আওতাধীন গ্রাহক শারমিন আক্তার সাংবাদিকদেরকে জানান, গত শুক্রবার “আশা’র অফিসার কতৃক আমাদের সাথে অসৌজন্য মূলক আচরনের” বিষয়ে বিভিন্ন মিডিয়ার সংবাদ প্রকাশের পর আশা’র কিছু অফিসার আমাদের বাসায় এসে বলে, আপনাদের সবাইকে এখনি আমাদের পলাশপুর আশা অফিসে যেতে হবে ম্যানেজার স্যার আপনাদেরকে ডাকছে।

আমারা তাদের কথা মতো অফিসে গেলে “আশা’র কোন লোক আমাদের সাথে কিস্তির জন্য চাপ দেয়নি এবং আমাদের সাথে খারাপ ব্যাবহার করেনি” এই মর্মে জোর করে একটি কাগজে আমাদের কাছ থেকে লিখিত নেয়।

ভবিষৎ’ এধরনের সাহস দেখালে খবর আছে বলেও আমাদেরকে হুমকি দেওয়া হয় বলে জানান ভুক্তভুগী শারমিন আক্তার।

বিষয়টি নিয়ে আশা’র পলাশপুর ব্রাঞ্চের লোন অফিসার মনিরা নাহারের কাছে অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য ফোন করা হলে তিনি কথার শুরুতেই উত্তেজিত হয়ে যান এবং তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন- আমার এক ভাই দারোগা।

এধরনের নিউজে আমার কিছুই হবেনা।

আমার বিরুদ্ধে আপনি নিউজ করার সাহস পেলেন কিভাবে ? আপনি জানেন আমার কত পাওয়ার?

আমি আপনার বিরুদ্বে মামলা দিবো। অপরদিকে ” শুক্রবার দিন সাধারন গ্রাহকদের বাসায় গিয়ে তাদেরকে অফিসে ডেকে এনে জোর পূর্বেক তাদের লিখিত বক্তব্য নেওয়া কোন আইনে আছে” জানতে চাইলে আশা’র (পলাশপুর ব্রাঞ্চের) ম্যানেজার সেলিম কোন বক্তব্য দিতে রাজি হয়নি।

ধরা ছোয়ার বাইরে রয়ে গেছেন এ্যাসিস্টেন্ড ম্যানেজার হুমায়ন কবির। এদিকে কেচো খুড়তে গিয়ে সাপ বের হওয়ার মতো অবস্থা তৈরি হয়েছে।

বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধানের এক পর্যায়ে জানাযায়, ৫নং ওয়ার্ড আওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মোহাম্মমদ মিয়া বাসায় বসে নিয়মিত কিস্তি আদায় করে আসছে এই আশা সমিতি থেকে শুরু করে অন্যান্য সমিতিগুলো।

বিষয়টি তিনি নিজেই অকপটে বিষয়টি স্বিকার করলেও আগামীতে তার বাসায় আর কোন সমিতির লোক আসতে দিবেনা বলে জানান, ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের এই সাধারন সম্পাদক।

অপরদিকে জোড় পূর্বক কিস্তি উত্তলনের বিষয়ে ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি চান মিয়া জানান- বর্তমান মহামারী পরিস্থিতিতে সরকারী আইন অমান্য করে কিস্তি উত্তলন করা সম্পূন্য বে’আইনি। আমি বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনারকরছি।