ধ্বসে পড়েছে কুয়াকাটার সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের সীমানা প্রাচীর

0
411

কুয়াকাটা থেকে জাকির হোসেন।।

কুয়াকাটায় নির্মাণাধীন দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশনের প্রায় ৩’শ ফুট সীমানা প্রাচীর সামান্য বৃষ্টিতেই ধ্বসে পড়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে ল্যান্ডিং স্টেশনের সীমানা দেয়ালের পশ্চিম পাশের একাংশ ভেঙ্গে মাটির সাথে মিশে যায়। হস্তান্তরের আগেই এমন দুর্ঘটনায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে জনমনে। সাবমেরিন

সূত্র জানিয়েছে, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে,কে এন্টারপ্রাইজ প্রথম ধাপে ১০ একর জমিতে বালু ভরাট ও ১৭২০ ফুট দৈর্ঘ্য এবং ১১২০ ফুট প্রস্থ সীমানা প্রাচীরের কাজ সম্পন্ন করে । দ্বিতীয় ধাপে মূল ভবন, প্রধান ফটক ও শোভা বর্ধনের কাজ চলমান রয়েছে। যা চলতি বছরের নভেম্বরে সাবমেরিন কোম্পানীর কাছে হস্তান্তরের কথা রয়েছে। এর মধেই সীমানা প্রাচীরের পশ্চিম পাশের ৩’শ ফুট প্রাচীর ধ্বসে পড়ায় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাজ নিয়ে নানা ধরনের আলোচনা সমালোচনার রূপ নিয়েছে।  সাবমেরিন ভাঙ্গা প্রাচীর দিয়ে লবণ পানি মিশ্রিত বালু স্টেশন সংলগ্ন আমনের ক্ষেতে ঢুকে ক্ষতি করছে বলে জানিয়েছেন জমির মালিকরা। এদিকে কাজের গুণগত মান নিয়ে নিয়োজিত কনসালটেন্সী প্রতিষ্ঠান ‘সিভিল ওয়াস’ একাধিকবার লিখিত ও মৌখিক নির্দেশনা দেয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে।KUAKATA PIC-03 copy সাবমেরিন কোম্পানীর প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা কর্তা ব্যক্তিরা ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করায় নি¤œমানের ইট, বালু, পাথর, সিমেন্ট, রড ব্যবহার করা হয় এমন অভিযোগ করেছে নির্মাণাধীন একাধিক শ্রমিক।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে,কে এন্টারপ্রাইজ এমন অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, প্রকল্প এলাকায় বালু ভরাটের সময় পাশ্ববর্তী ফসলি জমিতে লবণ পানি যাতে না যায় সেজন্য পানি নিষ্কাশন বন্ধ রাখা হয়েছিল।সাবমেরিন ফলে বর্ষা মৌসুমের জমে থাকা পানির প্রবল চাপে দেয়াল ধ্বসের মত ঘটনা ঘটেছে। প্রকল্প এলাকায় চারদিকে প্রস্তাবিত ১০ ফুট রাস্তা নির্মাণসহ চারদিকের ড্রেনেজ ব্যবস্থা চালু হলে এ থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প প্রকৌশলী ইমরান।

প্রকল্প এলাকার বাসিন্দা লতিফ মোল্লা এমন ধ্বংসযজ্ঞ দেখতে এসে আক্ষেপ করে বলেন, “হুনছি এ্যাডা বোলে বড় প্রতিষ্টান, হ্যালে ভাইঙ্গ্যা পড়লো ক্যামনে। আগে যেইড্যা হুনছি কনটেকটারের লোক জাফর রড-সিমিট বেইচ্যা খাইছে আর খারাপ ইট দিয়্যা কাম হরাইছে, হেইডাই সত্ত অইল।” সাবমেরিন

প্রকল্পের কাজের গুণগতমান নিয়ে চ্যালেঞ্জ করে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান কে,কে এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মো. কবির হোসেন বলেন, “পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় প্রবল পানির চাপে সীমানা প্রাচীর উপড়ে পড়েছে।”

দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন’র প্রকল্প পরিচালক

(পিডি) পারভেজ মনন আশরাফ প্রকল্পে নতুন যোগদান করেছে

এমন দাবী করে সময়ের বার্তাকে বলেন, “এমন দুর্ঘটনার কথা

শুনেছি, তবে সাবমেরিনের তদারকি টিম সরেজমিনে পরিদর্শনে পাঠানো হয়েছে।” সাবমেরিন

সাবমেরিন কোম্পানীর লি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মনোয়ার

হোসেন সময়ের বার্তাকে বলেন, “সামান্য বৃষ্টিতে কেন সীমানা

প্রাচীর ধ্বসে পড়ল খতিয়ে দেখা হবে এবং দ্র”ত গতিতে ক্ষতিগ্রস্থ

দেয়াল রিপেয়ারিং করা হবে।”