ফাইনাল ছুঁয়ে দেখা বাংলাদেশের

0
298

ম্যাচটি বাংলাদেশে বলেই আলোর বাতিঘর জ্বলছিল। কারণ প্রতিপক্ষ থাইল্যান্ডের বিপক্ষে বাংলাদেশের মাটিতে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ছিল। বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের সেই পয়মন্ত মাঠেই আবারও বিজয়ের পতাকা উড়িয়েছে বাংলাদেশ। হাজার হাজার দর্শকে অনুপ্রাণিত মামুনুল-নাসিররা বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে এনে দিয়েছেন এক বিরল গৌরবময় বিজয়।

শিরোপা ঘরে তুলতে বাকি আর মাত্র একটি বিজয় ১৪ ম্যাচে আগের পরিসংখ্যান থাইল্যান্ড ১০, বাংলাদেশ ২ এবং ড্র ২; তখন তাদের বিপক্ষে জয়ের আশা করা ছিল দুরাশা মাত্র।

জয়সূচক গোলের নায়ক ইলিয়াস হোসেন। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের তৃতীয় আসরে ছয় দলের ১১ দিনের টুর্নামেন্টে বাজেট প্রায় ১৬ কোটি টাকা; সেখানে ফাইনাল ছুঁয়ে দেখা— এ যেনো স্বপ্ন ছুঁয়ে দেখার মতোই।

বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে এর আগে ফাইনাল ওঠা হয়নি বাংলাদেশের। ক্লাবভিত্তিক প্রথম আসরে আবাহনী লিমিটেড এবং মোহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব সেমিফাইনাল অবদি ওঠেছিল।

আর দ্বিতীয় আসরে বাংলাদেশ এক জয় এবং ড্র করার পরও সেমিফাইনালের টিকিট পায়নি। সমান পয়েন্ট অর্জনের পরও গোলগড়ে সেমিফাইনাল ফটকে আটকে পড়েছে বাংলাদেশ। ওই আসরে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জাপান যুব দল। দ্বিতীয় আসরের একটি হিসেব আবারো প্রেরণা হতে পারে বাংলাদেশের। ওই আসরে বাংলাদেশের জয়টি ছিল মালয়েশিয়ার বিপক্ষে। ডনের দেওয়া গোল থেকে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ।