বাকেরগঞ্জের ভাতশালায় ২ পরিবারের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার ঘর নিয়ে কাঁদা ছোড়া ছুড়ি

বাকেরগঞ্জের ভাতশালায় ২ পরিবারের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার ঘর নিয়ে কাঁদা ছোড়া ছুড়ি।

বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলায় অসহায় মুক্তিযোদ্ধার নামে ঘর বরাদ্ধ হয়।

গত ৩০ জুন বাকেরগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী অফিসার সহ ৫ বিশিষ্ট কমিটি ৪৪ জনের নামে ঘর অনুমোদন করেন।

সুত্রে জানা যায় বাকেরগঞ্জের ফরিদপুর ইউনিয়নের অসহায় ৮ মুক্তিযোদ্ধা ঘরের জন্য আবেদন করেন।

যাচাই বাচাই কমিটি যাচাই বাচাই করে ১৮ নং ক্রমিকে পশ্চিম ভাতশালা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা অাঃ মন্নান সন্যামতের স্ত্রী গোলেনুর বেগম ও ১৯ নং ক্রমিকে গোমা মঙ্গলসী গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা ইসরাইল হাওলাদারের স্ত্রী শাহানারা বেগমের নামে ঘর বরাদ্ধ দেয়।

এতে অসন্তষ্ঠ হয় পশ্চিম ভাতশালা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা শওকত অালী সন্যামতের ছেলে মেয়ে ও জামাতা।

কারন ঘরের জন্য তারাও আবেদন করেছিলেন। আবেদনকৃতরা  একই আত্ময়ী হওয়ার সু-বাধে

শওকত অালী সন্যামতের নামে ঘর বরাদ্ধ না হওয়ায় মন্নান সন্যামতের ওয়ারিশের উপর অত্যাচার চালিয়ে যাচ্ছে।

অভিযোগ উঠে,

যে কোন সময় ভয়ভিতি দেখিয়ে ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে “ঘর চাই না ” মর্মে অঙ্গকারনামা লিখে নিবে বলে ভুক্তভুগী পরিবার জানায়।

শওকত আলী সন্যামতের নামে ঘর পাওয়ার জন্য ৮ জুলাই ২০২০ তারিখ ভিবিন্ন অনলাইন পত্রিকায় প্রধানমন্ত্রীর জমি অাছে ঘর নাই প্রকল্পে বাকেরগঞ্জ ভাতশালায় অনিয়মের অভিযোগ এবং বর্তমান বার্তা অনলাইন পত্রিকায় বরিশাল বাকেরগঞ্জের ফরিদপুরের ভাতশালার বীর মুক্তিযোদ্ধা শওকত সন্যামতের সন্তানদের মাথা গোজার ঠাই দরকার শিরোনামের সংবাদ প্রকাশ হয়।

সংবাদের পরিপেক্ষিতে এলাকাবাসী বলে অামাদের ভাবতে লজ্জা লাগে, এক জন সন্মানীত বাবা মুক্তিযোদ্ধা শওকত অালী সন্যামত তার জীবনদসায় ঘর করতে পারে নেই, তৈয়ার করে দিয়েছে জামাতা।

এমন মিথ্যে মন্তব্যের করেছে তার ঔরসজাত ৩ ছেলে ও মেয়ে। অথচ শওকত অালী সন্যামত একজন সন্মানিত লোক ছিল।

তার জীবনদসায় লোহা কাঠের ঘর সংস্কার করে বিশাল টিনসেট পাকা ঘর তৈয়ার করে সন্তানদের জন্য রেখে যায়।

জমি রেখে যায় কয়েক একর।

তার বড় ও মেঝ ছেলে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে, সেজ ছেলে বরিশাল পানি উন্নয়ন বোর্ডে এবং ছোট ছেলে পশ্চিম ভাতশালা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় চাকুরী করেন।

একমাত্র মেয়ে শাহানাজকে বিবাহ দেন নলছিটি বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী ও তারই মেঝ ভাই অাব্দুল মালেক সন্যামতের ছেলে ফিরোজ সন্যামতের কাছে।

বড় ছেলে ব্যাতিত অনন্য ৩ ছেলে ও মেয়ে “অসহায় মুক্তিযোদ্ধা ঘর” পাওয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধা শওকত অালী সন্যামতকে হেও প্রতিপন্য করে। প্রবাদ বাক্যে অাছে নিজের কান কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গো করা ঠিক ততরূপ, একমাত্র জামাতা ফিরোজ সন্যামতকে একজন দান বীর বানায়।

অপরদিকে মুক্তিযোদ্ধা মন্নান সন্যামতের ৪ ছেলেই দিনমজুর, মেয়েরা স্বামীর সংসারে অাছে কোন রকম।

অনুসন্ধানে জানা যায় ফিরোজ সন্যামতের বাড়ীতে (উকিল বাড়ী) তার কোন ঘর নেই, সেই থাকে তার শশুর বাড়ী শশুর শওকত অালী সন্যামতের তৈয়ার করা ঘরে।

নাম না বলার শর্তে গ্রামের একাধিক নারী পুরুষ জানায় ফিরোজ সন্যামতকে শশুর বাড়ীর লোকজন ভালো চোখে দেখে না।

তার ঈসারায় শশুর বাড়ীতে যত অশান্তি হয়। বাস্তবায়ন করে তার পেটোয়ারা বাহিনীর প্রধান জাকির সন্যামত ও তার স্ত্রী শাহানাজ।

এ জন্যই ফিরোজ সন্যামতের স্ত্রী শাহানাজের কার্যকলাপের জন্য শাহানাজ ” বিন্দু মাসী ” উপাধী পায়।

অসহায় মুক্তিযোদ্ধা মন্নান সন্যামতের স্ত্রী গোলেনুর বেগম ঘর পায়।

উক্ত ঘর ছিনে নেওয়ার জন্য শওকত সন্যামতের সন্তান ও জামাতা জোর পূর্বক কাগজে লিখে দিতে বলছে। লিখে না দিলে যে কোন সময় মুক্তিযোদ্ধা মন্নান সন্যামতের ওয়ারিশের রক্ত ঝড়তে পারে।

ইতি মধ্যে পেটোয়ারা বাহিনীর প্রধান মন্নান সন্যামতের পরিবারের উপর মানুষিক নির্যাতন ও শারিরীক নির্যাতন করার চেস্টা করে ব্যার্থ হয়।

বিভিন্ন কার্যকলাপে ফিরোজ সন্যামতের অাপন ভাই- বোন আত্মীয়স্বজন এমনকি গর্বধারিনী মা পর্যন্ত নাখোশ।