বেনাপোল দিয়ে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন শেষে ভারতে গেল খুলনা-কলকাতা মৈত্রী এক্সপ্রেস

বেনাপোল প্রিতিনিধি ।।

বেনাপোল রেলওয়ে স্টেশন এর অব কাঠামোগত উন্নয়ন শেষে নানা জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে দিল্লী হতে ভিডিও কনফ্রান্সে দুই দেশের প্রধান মন্ত্রীর হাতে শুভ  উদ্ভোধন হলো খুলনা-বেনাপোল-কলকাতা মৈত্রী রেল চলাচল।দহ্মিন-পশ্চিমাঞ্চলের গন মানুষ এর বহু প্রতিহ্মীত প্রানের দাবী ভারতের সাথে সরাসরি রেল যোগাযোগ অনেকটাই বাস্তবে রুপ নিলো বাংলাদেশ এর খুলনা ও ভারতের কলকাতার মধ্য আন্তঃদেশীয় পরিহ্মামুলক ট্রেনটি চলাচলের মধ্য দিয়ে।সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে আগামী পহেলা বৈশাখ হতে এ রুটে নিয়মিত ভাবে ট্রেন চলবে।স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৬ বৎসর এর মাথায় আর ৫২ বৎসর পর পুনরায় দুই বন্ধুপ্রতীম দেশের মধ্য আন্তঃ দেশীয় ট্রেন চলাচলে এক নতূন অধ্যায় সূচিত হলো। উল্লেখ্য ১৯৬৫ সালে ব্রিটিশ আমলে এই রুটে ট্রেন চলত যা পাক ভারত যুদ্ধের পর তা বন্ধ হয়ে যায়।

শনিবার বেলা ২ টায় ভারতের দিল্লী হতে নরেন্দ্র মোদী ফিতা কেটে মৈত্রী এক্সপ্রেসের শুভ উদ্ভোদন করেন।

এ সময় বেনাপোল স্টেশন চত্তর থেকে  ভিডিও কনফ্রান্সে যুক্ত হন রেল মন্ত্রী মজিবুল হক।পাঁচটি বগি ও ১টি ইঞ্জিন নিয়ে সুস্বজ্জিত যাত্রী বাহি ট্রেনটি সকাল ৮.১০ মিনিটে কলকাতার উদ্দেশ্যে খুলনা হতে ছেড়ে ১০.৩০ মিনিটে  বেনাপোল স্টেশনে এসে পৌছায়।এর আগেই সূদর ঢাকা হতে স্মরনীয় মূহুর্তকে বরন করতে বেনাপোল রেল স্টেশনে এসে পৌছান বাংলাদেশ সরকারের রেল মন্ত্রী মজিবুল হক, জন প্রশাসন প্রতিমন্ত্রী  ইসমোতারা সাদেক,মৎস্য ও প্রানী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ন চন্দ্র চন্দ(এমপি), স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ আফিল উদ্দিন এমপি ও প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।

মৈত্রী এক্সপ্রেসে আগত অতিথীদের বেনাপোল রেল স্টেশনে নবনির্মিত কাস্টমস ইমিগ্রেশনে ভারত গমনের জন্য পাসপোর্ট এর সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে উদ্ভোধনের পর রেলমন্ত্রীর হাতে পতাকা নাড়ানোর মাধ্যমে ট্রেন টি বেনাপোল স্টেশন ছেড়ে ভারতের কলকাতার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। জনপ্রতিনিধি সহ অতিথীদের বহন কৃত মৈত্রী এক্সপ্রেস -২ আগামী কাল রবিবার সকাল ৮টা৫ মিনিটে কলকাতা হতে আবার দেশের উদ্দেশ্যে ফিরে আসবে বলে রেল সুত্র নিশ্চিত করেন।