ভারত থেকে এলো পেঁয়াজবোঝাই ১৯ ট্রাক

0
167

দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাস পর হিলি স্থলবন্দর দিয়ে শুরু হয়েছে ভারতীয় পেঁয়াজ আমাদনি। রোববার বিকেল থেকে পেঁয়াজ বোঝাই ট্রাক প্রবেশের মধ্যে দিয়ে শুরু হয় আমদানি কার্যক্রম। প্রথম দিনে ১৯টি ভারতীয় ট্রাকে প্রায় ৪শ’ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় ইতিমধ্যে কর্মচাঞ্চলতা ফিরেছে বন্দরে। হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দীর্ঘদিন পেঁয়াজ না আসায় দেশীয় বাজারে যেমন পেঁয়াজের সংকট দেখা দেয়, তেমনি লাগামহীনভাবে বাড়তে থাকে পণ্যটির দাম।

দেশীয় বাজারে যখন কমতে শুরু করলো পেঁয়াজের ঝাঁজ, ঠিক তখনি শুরু হলো ভারতীয় পেঁয়াজ আমদানি। তবে আমদানিকারকরা বলছেন, এই আমদানিতে দেশীয় বাজারে নেতিবাচক কোন প্রভাব পড়বে না।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক বাবলুর রহমান জানান, দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাস বন্ধ থাকার পর আজ থেকে এই বন্দর দিয়ে আমদানি শুরু হয়েছে পেঁয়াজ। আজ বন্দরে পেঁয়াজ বিক্রি এখনও শুরু হয়নি। তবে পেঁয়াজ আমদানির ফলে দেশের বাজারে পণ্যটির দাম স্বাভাবিক থাকবে বলে জানান তিনি।

আরেক আমদানিকারক সেলিম রেজা জানান, এই পেঁয়াজ আমদানির ফলে দেশের কৃষকদের তেমন একটা ক্ষতি হবে না। তবে যেটা অতিরিক্ত লাভ হতো, সেটা হয়তো হবে না।

পাইকারী ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমানে দেশীয় বাজারে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি দরে। কিন্তু আজ বন্দরে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম হাকা হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। এই দামে পেঁয়াজ কিনে লোকসান গুনতে হবে আমাদের।

শ্রমিকরা জানান, অনেক দিন থেকে বন্দরে তেমন কোন কাজকর্ম নেই। আমরা একপ্রকার বেকার দিন পার করেছি। দীর্ঘদিন পর পেঁয়াজ আমদানি শুরু হওয়ায় আমাদের অনেক কাজ বেড়ে যাবে, আয় করতে পারবো।

হিলি পানামা পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন প্রতাব মল্লিক জানান, দীর্ঘ সাড়ে ৫ মাস বন্ধ থাকার পর দেরিতে হলেও পেঁয়াজ আমদানি হওয়ায় একদিকে যেমন বাড়বে বন্দরের আয়, তেমনি আগামী রমযানে দেশীয় বাজারে পেঁয়াজের দাম থাকবে সহনীয় পর্যায়ে।