মৃত্যুপুরী যুক্তরাষ্ট্রে এক দিনেই ২২০১ মৃত্যু, আক্রান্ত ৩০ হাজার

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহারি সংখ্যা কিছুতেই নিয়ন্ত্রণে আসছে না।এই মহামারীতে মৃত্যুপুরীতে পরিণত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত ২৪ ঘণ্টায়ই দেশটিতে ২২০১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এ নিয়ে করোনায় মৃত্যুর সংখ্যা ৬৩ হাজার ছাড়িয়ে গেছে।

চীন থেকে ছড়িয়ে পড়া কোভিড-১৯ বিশ্বের ২১২টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুতে শীর্ষে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ধারে-কাছেও নেই কোনো দেশ।

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্যেই ছড়িয়ে পড়েছে এই প্রাণঘাতী ভাইরাস। করোনার প্রাণহানি ও আক্রান্তের পরিসংখ্যান রাখা আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়ার্ল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, বৃহস্পতিবার দেশটিতে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা ৩০ হাজার ৮২৯।

অপরদিকে একদিনেই মারা গেছে ২ হাজার ২০১ জন।

বুধবার যুক্তরাষ্ট্রে মৃত্যু হয়েছিল ২,৫০২ জনের। আর মঙ্গলবার মৃত্যু সংখ্যা ছিল ২,২০৭ জন।

দেশটিতে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১০ লাখ ৯৫ হাজার ২১০ এবং মারা গেছেন ৬৩ হাজার ৮৬১ জন। ইতোমধ্যেই সুস্থ হয়ে উঠেছে ১ লাখ ৫৫ হাজার ৭৩৭ জন।

যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে করোনার অ্যাক্টিভ কেস ৮ লাখ ৭৯ হাজার ২৫টি। তবে এখনও আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছে ১৫ হাজার ২২৬ জন। দেশটিতে করোনায় সবচেয়ে বিপর্যস্ত নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্য। অন্যান্য অঙ্গরাজ্যের তুলনায় সেখানে আক্রান্ত ও মৃত্যু সবচেয়ে বেশি।

নিউইয়র্কে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ৩ লাখ ১০ হাজার ৮৩৯। অপরদিকে এখন পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২৩ হাজার ৭৮০ জন। সেখানে করোনার অ্যাক্টিভ কেস ২ লাখ ৩৭ হাজার ৬৫৪টি।

এদিকে নিউ জার্সিতে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ১৮ হাজার ৬৫২। সেখানে মারা গেছেন ৭ হাজার ২২৮ জন এবং করোনার অ্যাক্টিভ কেস ১ লাখ ১০ হাজার ১৫৩টি।

করোনাভাইরাস এরইমধ্যে বিশ্বের ২১০ টি দেশ ও অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে।প্রাণহানি ২ লাখ ৩৪ হাজার অতিক্রম করেছে। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৩৩ লাখ ৮ হাজারের বেশি।

বিশ্বব্যাপী আতঙ্ক সৃষ্টিকারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও প্রাণহানির পরিসংখ্যান রাখা আন্তর্জাতিক সংস্থা ওয়াল্ডওমিটারের তথ্যানুযায়ী, শুক্রবার সকাল সাড়ে ৮ টায় করোনায় মৃত্যুর মিছিলে যোগ দিয়েছেন ২ লাখ ৩৪ হাজার ১০৫ জন ।

এছাড়া ভাইরাসের উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে ৩৩ লাখ ৮ হাজার ২৮৩ জনের শরীরে। আক্রান্তদের মধ্যে বর্তমানে ১৯ লাখ ৮১ হাজার ৭৬৪ জন চিকিৎসাধীন এবং ৫০ হাজার ৯৪৪ জন আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে।

আর আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ১০ লাখ মানুষ ৩৯ হাজার ১৫৮ জন।