শীর্ষ সন্ত্রাসী মাওলার দখলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান

0
521

সময়ের বার্তা ।। শহরের অদূরে হেতালিয়া বাঁধঘাটের উপর ১৮টি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে চাঁদা না পেয়ে উচ্ছেদের পর দখল করে নিয়েছে শীর্ষ সন্ত্রাসী গোলাম মাওলা মৃধা। এ ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

শনিবার সকালে গোলাম মাওলা মৃধাকে প্রধান আসামি করে সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন রুহুল আমিন নামে এক ব্যবসায়ী। আটকৃতরা হলেন- মোখলেছ হাওলাদার, আবু বকর সিদ্দিক ও আবু সাইদ। এরা সবাই গোলাম মাওলা মৃধার লোক।

শুক্রবার দিনভর এসব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর করে মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তারা। এতে সর্বশান্ত হয়ে পড়েছে ওই সব ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা।

ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানায়, পটুয়াখালী কুয়াকাটা মহাসড়কের হেতালিয়া বাঁধঘাটের উপর দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে দোকান দিয়ে ব্যবসা করে আসছিলেন তারা। তবে গত কয়েকদিন আগে পটুয়াখালী শহরের শীর্ষ সন্ত্রাসী একাধিক হত্যা ও অস্ত্র মামলার আসামি গোলাম মাওলা মৃধা ওই সব ব্যবসায়ীদের কাছে দোকান প্রতি ১ লাখ টাকা করে চাঁদা দাবি করেন। কিন্তু ব্যবসায়ীরা চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মাওলা মৃধার নেতৃত্বে শুক্রবার গভীর রাত থেকে ৪০-৫০ জনের একটি গ্রুপ হামলা চালিয়ে রুহুল আমিনের ইলেকট্রিকের দোকান, বারেক চৌকিদারের ফলের দোকান, কামরুল সিকদারের ফলের দোকান, কামালের জুতার দোকানসহ বিভিন্ন ধরনের ১৮টি দোকান ভাঙচুর করে এসব দোকানের মালামাল ও আসবাবপত্র নিয়ে যায়। এতে প্রায় ৪০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় শহরে আলোরন তৈরি হলে শনিবার সকালে চলমান থাকা দখল উচ্ছেদ এলাকা থেকে পুলিশ ৩ সন্ত্রাসীকে আটক করে। এ বিষয়ে গোলাম মাওলা মৃধা জানান, তিনি খালের মধ্যে কিছু জমি কিনেছেন এবং তার জমির সামনে অবৈধ স্থাপনা তিনি সরিয়ে নিতে বললেও সরিয়ে না নেয়ায় তার লোকজন দিয়ে তিনি তা উচ্ছেদ করেছেন।

পটুয়াখালী সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহবুবুর রহমান জানান, এ ঘটনায় সদর থানায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে মাওলা মৃধাসহ ৯ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো অজ্ঞাত ১০ থেকে ১৫ জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে, বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চালনো হচ্ছে।