শ্রমিক নেতা লিটন মোল্লার বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবীতে ম্যানেজারদের সংবাদ সম্মেলন

0
563

স্টাফ রিপোর্টার ।। শ্রমিক নেতা লিটন মোল্লার বিরুদ্ধে মামলা ও সংবাদ সম্মেলনের প্রতিবাদে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন পরিবহন ম্যানেজারা।

আজ বরিশাল প্রেসক্লাবে পাল্টা সংবাদ সম্মেলন করেন বরিশাল কেন্দ্রিয় নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ড পরিবহনের বাস কাউন্টার ম্যানেজারবৃন্দ।

সকল ম্যানেজারের পক্ষে সুগন্ধা পরিবহনের ম্যানেজার মতিউর রহমান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, এসময় তিনি, দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বরিশাল সদর উপজেলা কাশিপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও শ্রমিক নেতা মোঃ কামাল হোসেন লিটন মোল্লাকে জড়িয়ে একটি মহল উদ্দেশ্যমূলকভাবে হামলা মামলা ও চাঁদাবাজির ঘটনা অভিযুক্ত করেছেন।

বাস্তবচিত্রে এমন ঘটনা ঘটেনি। গত ২২ জুলাই রাতে প্রতিপক্ষ গং তাদের নিজস্ব লোকজন দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা মামলার ঘটনা সাজিয়েছে। লিটন মোল্লা ও তার সমর্থকদের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিক্তিহীন।

কাউন্টার ম্যানেজাররা আরো বলেন, শ্রমিক নেতা লিটন মোল্লা আসার পর থেকে আলফা ও বাস শ্রমিকদের মধ্যে একটি সুস্পক সৃষ্টি হয়েছে। যা এর আগে কখনো ছিল না। এর আগে পূর্বে প্রায়ই শ্রমিক দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংর্ঘষ হতো।

এমনকি পূর্বে পুলিশ এবং ম্যাজিস্ট্রেট সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উর্পও হামলার ঘটনা ঘটেছিল এই বাসস্ট্যান্ডে। কিন্ত লিটন মোল্লা আসার পর এখন পর্যন্ত এই বাসস্ট্যান্ডে দ্বন্দ্ব বিরোধ ও রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেনি।

বাস মালিক শ্রমিক আলফা-মাহিন্দ্রা শ্রমিকদের সাথে সু সম্পর্ক সৃষ্টি করেছেন লিটন মোল্লা ।

যা বরিশালের জন্য যা একটি উজ্জল দৃষ্টান্ত। কারণ, এর আগে প্রায় সময়ই শ্রমিকদের মাঝে ও বাস মালিকদের মাঝে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো যা বর্তমানে নেই। এমন কি লিটন মোল্লা আসার পর এই বাসষ্ট্যান্ড নিয়ে অপ্রতিকর কোন ঘটনা ঘটেনি। হঠাৎ প্রতিপক্ষ গং পরিকল্পতিভাবে এই ঘটনা সাজিয়েছে।

কিছু অসাধু চক্র আমাদের এই সুন্দর পরিবেশটা নষ্ট করার জন্যই, ম্যানেজার শহিদুলকে হাতিয়ার বানিয়ে পরিকল্পতি একটি ঘটনা সাজিয়েছেন বলেন মন্তব্য করেন। তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ হল, নথুল্লাবাদ বাসস্ট্যান্ডে এক ডজনের উপর সিসি ক্যামেরা বসানো আছে।

উক্ত সিসি ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করলে দেখা যাবে, ঘটনার সময় লিটন মোল্লাসহ অভিযুক্তরা ঘটনাস্থলেই ছিল না। ম্যানেজার শহিদুল সংবাদ সম্মেলনে যা বলেছে তা সাজানো। মূল ঘটনা হল, ম্যানেজার শহিদুল এর সাথে মাছুম নামের এক স্টাফের বকেয়া টাকা নিয়ে দ্বন্দ্ব চলে আসছে।

বিষয়টি সম্পর্কে শ্রমিক নেতা ও শ্রমিকরা অবগত রয়েছেন। তারা বলেন, শুধু মাছুমের সাথেই নয়, ম্যানেজার শহিদুল এর সাথে টাকা পয়সা লেনদেন নিয়ে একাধিক সাবেক ও বর্তমান স্টাফদের মধ্যে দ্বন্দ্ব রয়েছে।

ম্যানেজার শহিদুল এই সব বিরোধের জের ধরে পরিকল্পিতভাবে হামলা-মামলাসহ ছিনতাই ও সংবাদ সম্মেলনের ঘটনা ঘটিয়েছে।

এই ম্যানেজার শহিদুল সংবাদ সম্মেলনে বলেছে লিটন মোল্লাকে সম্মানী দেয়ার কথা। আর মামলায় উল্লেখ করেছে চাঁদাবাজীর কথা।

প্রশাসনের দৃষ্টি আর্কষন করে উপস্তিত ম্যানেজাররা বলেন, সঠিক তদান্ত করে বেড়িয়ে আসবে শহিদুলের সাজানো চাদাবাজীর আসল নাটক।