সরানো হলো কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানাকে

সাংবাদিক আরিফুল ইসলামকে মধ্যরাতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড দেয়ার ঘটনায় কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোছা. সুলতানা পারভীনকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে।

সোমবার (১৬ মার্চ) উপ-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা সুলতানাকে পরবর্তী পদায়নের জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়‌ে ন্যস্ত করে আদেশ জারি করা হয়েছে।

গত শুক্রবার (১৩ মার্চ) মধ্যরাতে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বাংলা ট্রিবিউনের কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি আরিফুল ইসলামের বাড়িতে হানা দিয়ে তাকে ধরে নিয়ে গিয়ে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক বছরের কারাদণ্ড দেয় জেলা প্রশাসন। তখন ঘরে কোনো তল্লাশি চালানো না হলেও পরে ডিসির কার্যালয়ে নেয়ার পর তারা দাবি করেন, আরিফুলের বাসায় আধা বোতল মদ ও দেড়শ গ্রাম গাঁজা পাওয়া গেছে। এই ঘটনা ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

শনিবার (১৪ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ রংপুর বিভাগীয় কমিশনারকে এই ঘটনা তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেয়। রংপুরের বিভাগীয় কমিশনার কে এম তারিকুল ইসলাম তদন্তের দায়িত্ব দেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (রাজস্ব) আবু তাহের মো. মাসুদ রানাকে। রোববার (১৫ মার্চ) তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়।

প্রাথমিক তদন্ত প্রতিবেদনে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে জানিয়ে রোববার দুপুরে জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘কুড়িগ্রামের ডিসি সুলতানা পারভীনকে প্রত্যাহার করা হচ্ছে ।’

অবশ্য রোববার জামিন পান সাংবাদিক আরিফুল ইসলাম। অন্যদিকে মধ্যরাতে অভিযান ও ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে কারাদণ্ড প্রদানের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন বাংলা ট্রিবিউনের নির্বাহী সম্পাদক হারুন উর রশীদ।