সোহাগের বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা

0
337

বোলিং অ্যাকশনে ত্রুটি থাকার কারণে বর্তমানে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষিদ্ধ সোহাগ গাজী , শনিবার তাই আশা-নিরাশার দোলাচালে থেকেই বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন বাংলাদেশের সোহাগ গাজী। বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার জন্য এরই মধ্যে চেন্নাই পৌঁছেছেন এই ডানহাতি অফস্পিনার। শুক্রবার দুপুর ১টায় চেন্নাইয়ের উদ্দেশে বিমানে উঠেছিলেন তিনি। । এই নিষেধাজ্ঞার বেড়াজাল কাটার মিশন নিয়েই শনিবার চেন্নাইয়েন শ্রীরামাচন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ল্যাবে দ্বিতীয় বারের মতো পরীক্ষা দিবেন তিনি।

নিষেধাজ্ঞার খড়গ নেমে আসার পর রাত-দিন পরিশ্রম করে বোলিং অ্যাকশন শুধরানোর চেষ্টা করেছেন সোহাগ গাজী। চেন্নাই যাওয়ার আগে তিনি বলেছেন, অনেক পরিশ্রম গেছে। নিজের মনকে অনেক বুঝিয়েছি-আমাকে আবার ক্রিকেটে ফিরতে হবে; ফিরতে হবে বোলিংয়েও। আমার বিশ্বাস, আমি এবারের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারব।’

তিনি বলেছেন , আমি বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। এই কারণেই পরীক্ষা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগের বোলিং অ্যাকশন ও নতুন বোলিং অ্যাকশনের ভিডিও রিভিউ করেছি। সেগুলো দেখেই আত্মবিশ্বাস পাচ্ছি। স্পিন বোলিং কোচ রুয়ান কালপাগের সঙ্গে কাজ করেছি। আশা করছি, সবকিছু আমার পক্ষেই আসবে।

আইসিসির নিয়মানুযায়ী ১৫ ডিগ্রির মধ্যে বাহু সম্প্রসারণ বা সংকোচন করার অধিকার দেওয়া হয়েছে বোলারদের। বাংলাদেশের ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরের সময় গত বছরের ২৪ আগস্ট সোহাগ গাজীর বোলিং অ্যাকশন নিয়ে আপত্তি তোলেন ম্যাচের আম্পায়াররা। নিয়মানুযায়ী পরবর্তী ২১ দিনের মধ্যেই তাকে বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষা দিতে হয়েছে। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ইংল্যান্ডের কার্ডিফ মেট্রোপলিটন ইউনিভার্সিটি ল্যাবে বোলিং অ্যাকশনের পরীক্ষা দিয়েছিলেন সোহাগ গাজী। গাজীর সব ধরনের ডেলিভারি ১৫ ডিগ্রির ওপরে, যা কার্ডিফের পরীক্ষায় ধরা পড়ে। সেখানে তিনি ৬ ওভার বল করেছেন। আর সেই বোলিং বিশ্লেষণ করে গত ৮ অক্টোবর আইসিসি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে তাকে নিষিদ্ধ করেছে।

কিছু ডেলিভারি ৩০ ডিগ্রির ওপরে ছিল বলেও বিসিবিকে জানিয়েছে আইসিসি। ক্রিকেটের এই সর্বোচ্চ সংস্থার বোলিং অ্যাকশন রিভিউ নীতি অনুযায়ী, বোলিং অ্যাকশনের দ্বিতীয় দফা পরীক্ষাতেও অ্যাকশন ক্রুটিপূর্ণ হলে পরবর্তী এক বছর বোলিং অ্যাকশন পরীক্ষার জন্য আর কোনো আবেদন করতে পারবেন না সোহাগ গাজী। ফলে চেন্নাইয়ের পরীক্ষার ফল নেতিবাচক হলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগামী এক বছর ফিরতে পারবেন না তিনি।