স্বরূপকাঠীতে নামাজ পড়ার অবস্থায় হিন্দুদের হামলা, জোড়পূর্বক ঘরবাড়ি ভাঙচুর

স্বরূপকাঠি প্রতিনিধি :: পিরোজপুরের নেছারাবাদ স্বরূপকাঠিতে অলংকার কাঠির, নামাজ পড়ার অবস্থায় হিন্দুদের হামলা জোর পূর্বক ঘরবাড়ি ভাংচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিজ্ঞ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে অতর্কিত হামলা করে বসত ঘর ভাংচুর করেন বিবাদীরা। এমন অভিযোগ করেন ক্রয় সূত্রে মালিক আল আমিন।

তিনি ও তার স্ত্রী জানান, বিগত দিনে তারা বিএস ৪১৪৭নং দাগ হইতে ৬শতাংশ ও বিএস ৩১৪৮নং দাগ হইতে ৬শতাংশ একুনে ১২শতাংশ জমিতে ভোগদখলে বিদ্যমান থাকেন এবং মোঃ মাসরুল আলম রাজিব ১২ শতাংশ জ’মিতে ভোগবান মালিক দংকার বিদ্যমান থাকিয়া বিগত বিগত ৩০/০৫/২০১৮ইং তারিখ রেজিঃ ১৩২৫নং ছাব কবলা দলিলমূলে ১২শতাংশ জ’মি গৃহীতা মোসাঃ হোসনে আরা বেগম বরাবরে হস্তান্তর করতঃ বিএস ৩১৪৭নং দাগ হইতে ৬ শতাংশ ও বিএস ৩১৪৮নং দাগ হইতে ৬শতাংশ একুনে ১২শতাংশ জমির দখল বুঝাইয়া দেন। এবং সেই জায়গায় দীর্ঘদিন বিভিন্ন প্রজাতির চারা গাছ রোপন করি আসছিলেন এবং একপাশে একটি টিনও কাঠের বেড়াযুক্ত ঘর উঠিয়ে তারা বসবাস করিতেছে। উক্ত জায়গায় বিবাদীগন দখলের পায়তারা চালানোর চেষ্ঠা করলে বিজ্ঞা আদালতে ১৪৪ ও ১৪৫ ধারায় মামলা দায়ের করি।

আদালত বিষটি আমলে নেন। বিবাদীগন উক্ত নোটিশ পাইয়া গত ১৩/০৩/২০২০ইং তারিখ আনুমানিক ২টার দিকে , কিছু সন্ত্রাসী লোক নিয়ে বসত ঘরে হামলা চালিয়ে খালের মধ্যে ফেলিয়ে দেয় ২নং বিবাদী তরুন কুমার মজুমদার পিতা মৃত ভুবনেশ্বর মজুমদার ৩নং বিবাদী পরান মজুমদার এবং অন্য একজন মুখ ডাকাছিল।

মোঃ আল আমিন আরো বলেন, আমার স্ত্রী তখন নামাজ পড়তেছিল,আল আমিনের স্ত্রী বলেন, আমি বাসায় একা ছিলাম মাপ ছিল আমার সব ছেলেরা মসজিদে নামাজ পড়তে গিয়েছিল। তারা ৪’৫ জন লোক এসে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং ঘরের উপর এলোপ্যাথি পিঠাপিঠি করেন। লুটপাট করে,আমি তাদেরকে বলেছি আমার নামাজ শেষ করি এ কথায় তারা কোন কর্নপাত না করে বসত ঘর ভাংচুরসহ আমাকে লাথি ঘুঁষি কিল দিয়েছিল চিৎকার করার পর লোকজন আসিনি।

কিছু সময় পর এলাকার লোকজন দৌড়ে এসে আমাকে উদ্ধার করে। এবং আমাদের উত্তর খালের উপর থেকে মহিলারা আহাজারি করে এদেরকে বাঁচাও বাঁচাও তারা চিৎকার শুনে এলাকাবাসী লোকজন দৌড়ে এসে ঘটনাস্থলে এসে দেখেন আমি অসুস্থ হয়ে এবং আমার পায়ের জখম হয়। এবার আমার মা ওখানে ছিলেন তাকে কানের বালা ছিল বলছিল ছিড়ে নিয়ে গেছে মাকে লাথি ঘুঁষি দিয়েছিল।আমার বৃদ্ধ মা রহিমা বেগমকে তারা লাঠি দিয়া আঘাত করে। আমি ডাক চিৎকার করলে স্থানীয় লোকজন ছুটে আসে।

ভাংচুরের পর আমি অত্র থানায় বিবাদীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করি। এব্যাপারে এসআই মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, আমি অভিযোগ পেয়ে ওসি স্যারের নিদ্দের্শে ঘটনা স্থলে ছুটে যাই এবং উভয়কে উক্ত স্থান থেকে সরে যেতে বলি। আদালতের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যিনি জায়গা পাবেন তিনিই ভোগ দখল করিবেন। এই ঘটনা শোনার পর সাংবাদিকরা সরোজমিনে গিয়ে সত্যতা প্রমাণ পান।